
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে দেশে ফিরে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই হবে প্রথম কাজ। বিশৃঙ্খলা অগ্রগতির বড় শত্রু।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে দেশে ফেরার পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলসহ অন্যরা।
ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আজ রাতে শপথ নেবেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি এরই মধ্যে তার গুলশানের বাসায় গেছেন।
তিনি বিমানবন্দরে ব্রিফিংয়ে বলেন, মানুষ মানুষকে আক্রমণ করছে। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে। সবাইকে রক্ষা করা আমাদের কাজ। প্রতিটি মানুষ আমাদের ভাই, আমাদের বোন। বিশৃঙ্খলা অগ্রগতির বড় শত্রু। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা আমাদের প্রথম কাজ।
এই অর্থনীতিবিদ বলেন, আমার ওপর যদি ভরসা রাখেন, আশা করি দেশের কোথাও হামলা হবে না। আমার কথা যদি না শোনেন তাহলে, আমার এখানে কোনো প্রয়োজন নেই। আমাকে বিদায় দেন, আমি আমার কাজে ব্যস্ত থাকি। আমাকে প্রয়োজন মনে করলে আপনাদের দেখাতে হবে আমার কথা আপনারা শোনেন।
সহিংসতাকারীদের প্রতিরোধে আইন নিজেদের হাতে না তুলে নেওয়ার কথাও বলেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করলে যেন দুটা টাকা দিয়ে ছেড়ে দিলো, এমনটা না হয়।
তরুণদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, যে তরুণ সমাজ এটা সম্ভব করেছে তাদের প্রতি আমার সমস্ত প্রশংসা এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এরা এই দেশকে রক্ষা করেছে। এ দেশকে নতুনভাবে পুনর্জন্ম দিয়েছে। এই পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম, সে বাংলাদেশ জন্য অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলতে পারে, এটি হলো আমাদের শপথ। এটা আমারও রক্ষা করতে চাই। এগিয়ে যেতে চাই।
এসময় আবু সাঈদের কথা বলতে গিতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, আবু সাইদের কথা মনে পড়ছে আমাদের। তার কথা প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। তারপর থেকে কোনো যুবক হার মানে নাই। তারা এগিয়ে গেছে।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের নাম প্রস্তাব করে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপসাপেক্ষে তিনি এতে সায় দেন।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে ১৫ জন উপদেষ্টা থাকতে পারেন। তবে তাদের নাম এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে দেশে ফিরে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই হবে প্রথম কাজ। বিশৃঙ্খলা অগ্রগতির বড় শত্রু।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে দেশে ফেরার পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলসহ অন্যরা।
ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আজ রাতে শপথ নেবেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি এরই মধ্যে তার গুলশানের বাসায় গেছেন।
তিনি বিমানবন্দরে ব্রিফিংয়ে বলেন, মানুষ মানুষকে আক্রমণ করছে। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে। সবাইকে রক্ষা করা আমাদের কাজ। প্রতিটি মানুষ আমাদের ভাই, আমাদের বোন। বিশৃঙ্খলা অগ্রগতির বড় শত্রু। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা আমাদের প্রথম কাজ।
এই অর্থনীতিবিদ বলেন, আমার ওপর যদি ভরসা রাখেন, আশা করি দেশের কোথাও হামলা হবে না। আমার কথা যদি না শোনেন তাহলে, আমার এখানে কোনো প্রয়োজন নেই। আমাকে বিদায় দেন, আমি আমার কাজে ব্যস্ত থাকি। আমাকে প্রয়োজন মনে করলে আপনাদের দেখাতে হবে আমার কথা আপনারা শোনেন।
সহিংসতাকারীদের প্রতিরোধে আইন নিজেদের হাতে না তুলে নেওয়ার কথাও বলেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করলে যেন দুটা টাকা দিয়ে ছেড়ে দিলো, এমনটা না হয়।
তরুণদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, যে তরুণ সমাজ এটা সম্ভব করেছে তাদের প্রতি আমার সমস্ত প্রশংসা এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এরা এই দেশকে রক্ষা করেছে। এ দেশকে নতুনভাবে পুনর্জন্ম দিয়েছে। এই পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম, সে বাংলাদেশ জন্য অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলতে পারে, এটি হলো আমাদের শপথ। এটা আমারও রক্ষা করতে চাই। এগিয়ে যেতে চাই।
এসময় আবু সাঈদের কথা বলতে গিতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, আবু সাইদের কথা মনে পড়ছে আমাদের। তার কথা প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। তারপর থেকে কোনো যুবক হার মানে নাই। তারা এগিয়ে গেছে।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের নাম প্রস্তাব করে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপসাপেক্ষে তিনি এতে সায় দেন।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে ১৫ জন উপদেষ্টা থাকতে পারেন। তবে তাদের নাম এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
১১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
১৩ ঘণ্টা আগে