
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা। দাবি না মানলেন ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের পতন হবে বলে জানাচ্ছেন তারা।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় তারা এ ঘোষণা দেন।
এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, দেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট, কর্মসংস্থানের অভাব এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে। সরকারের মন্ত্রীদের ছেলেরাও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশ আজ ‘জাহান্নামে পরিণত হয়েছে’ এবং ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের পতন হবে। এ সময় তিনি ‘বিদ্যুৎ দে-গ্যাস দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’ স্লোগান দেন।
পথসভায় এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে। জনগণের মৌলিক দাবিগুলো পূরণ না হলে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ও বাংলাদেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে সামনে আরও কঠিন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। লংমার্চের মধ্য দিয়ে চলমান আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এর আগে ছয় দফা দাবিতে শনিবার সকালে রাজধানী থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু করে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। নারায়ণগঞ্জের শিমরাইলসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা শেষে বহরটি কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে পৌঁছে আরেকটি পথসভা করে।
পরে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে লংমার্চটি চৌদ্দগ্রাম বাজারে পৌঁছায়। সেখানে নেতাকর্মীদের স্বাগত জানান জামায়াতের নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা। দাবি না মানলেন ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের পতন হবে বলে জানাচ্ছেন তারা।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় তারা এ ঘোষণা দেন।
এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, দেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট, কর্মসংস্থানের অভাব এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে। সরকারের মন্ত্রীদের ছেলেরাও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশ আজ ‘জাহান্নামে পরিণত হয়েছে’ এবং ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের পতন হবে। এ সময় তিনি ‘বিদ্যুৎ দে-গ্যাস দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’ স্লোগান দেন।
পথসভায় এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে। জনগণের মৌলিক দাবিগুলো পূরণ না হলে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ও বাংলাদেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে সামনে আরও কঠিন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। লংমার্চের মধ্য দিয়ে চলমান আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এর আগে ছয় দফা দাবিতে শনিবার সকালে রাজধানী থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু করে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। নারায়ণগঞ্জের শিমরাইলসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা শেষে বহরটি কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে পৌঁছে আরেকটি পথসভা করে।
পরে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে লংমার্চটি চৌদ্দগ্রাম বাজারে পৌঁছায়। সেখানে নেতাকর্মীদের স্বাগত জানান জামায়াতের নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও ভাঁওতাবাজি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এ জন্য জনগণ সরকারকে ক্ষমা করবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
জনগণের অধিকার আজ লুণ্ঠিত হচ্ছে। দেশে গ্যাস নেই, পানি নেই—এসব বিষয় নিয়েও কথা বলা যাচ্ছে না। এসব বিষয়ে কথা বলার কারণেই সিফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিফাতকে না ছাড়লে সব ওলটপালট হয়ে যেতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, যতই বাধা আসুক না কেন, ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচি চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, যারা চাঁদাবাজি করছে, যারা গণভোটের গণরায়ের বিরুদ্ধে প্রতারণা করেছে, এই লংমার্চ তাদের বিরুদ্ধে।
৯ ঘণ্টা আগে
লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরসরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।
১০ ঘণ্টা আগে