
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের বৈঠকের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের শিরোনাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
পোস্টে সারজিস লেখেন, জামায়াত আমিরের সাথে ভারতীয় দুই কূটনীতিক বৈঠক করেন এবং সেই তথ্য পাবলিকলি না জানানোর কথা বলেন। জামায়াত আমির প্রতিউত্তরে বলেন- ‘দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হতেই পারে। এক্ষেত্রে গোপনীয়তার কিছু নেই এবং পরবর্তীতে আলোচনা হলে পাবলিকলি হতে হবে।’
এই তথ্য জামায়াত আমির নিজেই সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানান উল্লেখ করে সারজিস আলম লেখেন, “তারপর সেটা বাংলাদেশের মিডিয়ায় আসে। অথচ আমাদের দেশের তথাকথিত দলকানা ব্যক্তি, গোষ্ঠী, দলীয় পারপাস সার্ভ করা কিছু মিডিয়া হাউজ শিরোনাম করেছে— ‘জামায়াত আমিরের সাথে ভারতের গোপন বৈঠক!’”
‘এই হইলো আমাদের দেশের মিডিয়ার অবস্থা! এমন অনেক মিডিয়া হাউজ আগে এভাবে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে সার্ভ করত, এখন আবার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নতুন ঠিকানা খোঁজা শুরু করেছে!’— লেখেন সারজিস।
নিজের পোস্টে মন্তব্যের ঘরে তিনি আরও লেখেন, ‘একটা অপসংবাদিকতা জামায়াতের আমিরের সাথে হয়েছে দেখে আমি বলতে পারব না কারণ আমি এনসিপি করি। যেদিন তারেক রহমানের সাথে হবে সেদিনও বলতে পারব না কারণ আমি এনসিপি করি। আমার চুপ করে থাকতে হবে। এভাবেই সবাই সবার সাথে হওয়া নাটক উপভোগ করবে। এই হইলো বিবেকবোধ আর আদর্শের উপলব্ধি!’
এর আগে ভারতের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গতকাল (৩১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রয়টার্সের একজন সাংবাদিক আমাকে জিজ্ঞেস করেন— ভারত যেহেতু আপনাদের প্রতিবেশী দেশ, তাদের সঙ্গে আপনাদের কোনো যোগাযোগ আছে কি না, কোনো কথাবার্তা বা বৈঠক হয় কি না।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমি তখন বলেছিলাম, বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে যখন বাসায় ফিরি, তখন দেশ-বিদেশের অনেকেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। অন্যান্য দেশের কূটনৈতিকরা যেমন এসেছেন, তেমনি তখন ভারতের দুজন কূটনীতিকও আমাকে দেখতে আমার বাসায় এসেছিলেন। অন্যদের মতো তাদের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে।’
ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার সময় বলেছিলাম, যত কূটনীতিক এখানে এসেছেন, তাদের সবার বিষয়েই আমরা পাবলিসিটিতে দিয়েছি। আপনাদের এই সাক্ষাৎও আমরা পাবলিসিটিতে দিতে চাই। তখন তারা আমাকে এটি না দেওয়ার অনুরোধ করেন। আমরা বলেছিলাম, পরবর্তীতে যখনই আপনাদের সঙ্গে দুদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বৈঠক হবে, তা অবশ্যই পাবলিসিটিতে যাবে। এখানে গোপনীয়তার কিছু নেই।’
এ ছাড়া ভবিষ্যতে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বিস্মিত যে, আমাদের কিছু দেশীয় মিডিয়া ভারতের সঙ্গে জামায়াত আমিরের গোপন বৈঠক হয়েছে বলে সংবাদ পরিবেশন করেছে। আমি এ ধরনের সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাই।’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের বৈঠকের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের শিরোনাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
পোস্টে সারজিস লেখেন, জামায়াত আমিরের সাথে ভারতীয় দুই কূটনীতিক বৈঠক করেন এবং সেই তথ্য পাবলিকলি না জানানোর কথা বলেন। জামায়াত আমির প্রতিউত্তরে বলেন- ‘দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হতেই পারে। এক্ষেত্রে গোপনীয়তার কিছু নেই এবং পরবর্তীতে আলোচনা হলে পাবলিকলি হতে হবে।’
এই তথ্য জামায়াত আমির নিজেই সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানান উল্লেখ করে সারজিস আলম লেখেন, “তারপর সেটা বাংলাদেশের মিডিয়ায় আসে। অথচ আমাদের দেশের তথাকথিত দলকানা ব্যক্তি, গোষ্ঠী, দলীয় পারপাস সার্ভ করা কিছু মিডিয়া হাউজ শিরোনাম করেছে— ‘জামায়াত আমিরের সাথে ভারতের গোপন বৈঠক!’”
‘এই হইলো আমাদের দেশের মিডিয়ার অবস্থা! এমন অনেক মিডিয়া হাউজ আগে এভাবে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে সার্ভ করত, এখন আবার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নতুন ঠিকানা খোঁজা শুরু করেছে!’— লেখেন সারজিস।
নিজের পোস্টে মন্তব্যের ঘরে তিনি আরও লেখেন, ‘একটা অপসংবাদিকতা জামায়াতের আমিরের সাথে হয়েছে দেখে আমি বলতে পারব না কারণ আমি এনসিপি করি। যেদিন তারেক রহমানের সাথে হবে সেদিনও বলতে পারব না কারণ আমি এনসিপি করি। আমার চুপ করে থাকতে হবে। এভাবেই সবাই সবার সাথে হওয়া নাটক উপভোগ করবে। এই হইলো বিবেকবোধ আর আদর্শের উপলব্ধি!’
এর আগে ভারতের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গতকাল (৩১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রয়টার্সের একজন সাংবাদিক আমাকে জিজ্ঞেস করেন— ভারত যেহেতু আপনাদের প্রতিবেশী দেশ, তাদের সঙ্গে আপনাদের কোনো যোগাযোগ আছে কি না, কোনো কথাবার্তা বা বৈঠক হয় কি না।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমি তখন বলেছিলাম, বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে যখন বাসায় ফিরি, তখন দেশ-বিদেশের অনেকেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। অন্যান্য দেশের কূটনৈতিকরা যেমন এসেছেন, তেমনি তখন ভারতের দুজন কূটনীতিকও আমাকে দেখতে আমার বাসায় এসেছিলেন। অন্যদের মতো তাদের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে।’
ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার সময় বলেছিলাম, যত কূটনীতিক এখানে এসেছেন, তাদের সবার বিষয়েই আমরা পাবলিসিটিতে দিয়েছি। আপনাদের এই সাক্ষাৎও আমরা পাবলিসিটিতে দিতে চাই। তখন তারা আমাকে এটি না দেওয়ার অনুরোধ করেন। আমরা বলেছিলাম, পরবর্তীতে যখনই আপনাদের সঙ্গে দুদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বৈঠক হবে, তা অবশ্যই পাবলিসিটিতে যাবে। এখানে গোপনীয়তার কিছু নেই।’
এ ছাড়া ভবিষ্যতে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বিস্মিত যে, আমাদের কিছু দেশীয় মিডিয়া ভারতের সঙ্গে জামায়াত আমিরের গোপন বৈঠক হয়েছে বলে সংবাদ পরিবেশন করেছে। আমি এ ধরনের সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাই।’

তারেক রহমান বলেন, ‘শোকের এই মুহূর্তে আমি আমার প্রাণপ্রিয় বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করছি। আজ এত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে, পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে।’
৯ ঘণ্টা আগে
খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ সারা বিশ্বের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পাশাপাশি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম-আন্দোলনে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আপনার মা, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদে আমি গভীরভাবে শোকাহত। আপনার এই অপূরণীয় ব্যক্তিগত ক্ষতিতে আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। তার আত্মা চিরশান্তিতে বিশ্রাম নিক— এ প্রার্থনা করি।’
১৯ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দায় থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা মুক্তি পেতে পারেন না বলে মনে করছে বিএনপি।
১ দিন আগে