
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রদানের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও সংসদীয় দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আইন প্রনয়নের যারা ভূমিকা রাখতে পারবে এবং সংসদে কথা বলার যোগ্যতা রয়েছে তাদেরকে মূল্যায়ন করবে মনোনয়ন বোর্ড।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরুর আগে রুহুল কবির রিজভী এই তথ্য জানান।
প্রথম দিনে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুর বিভাগের প্রত্যাশীদের ডাকা হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) আরও ৫ বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।
মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা হলেন- বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সাক্ষাৎকার শুরুর আগে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমরা একটি কঠিন ও দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে আজ গণতন্ত্রের এই পর্যায়ে পৌঁছেছি। গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে হলে এটিকে এগিয়ে নেওয়া জরুরি। সেই সংগ্রামে গত ১৫–১৭ বছরের আন্দোলনে নারীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা অবশ্যই মূল্যায়িত হবে। এই সময়ে অনেক নারী নেত্রী মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন, গুলিতে আহত হয়েছেন, তাদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর হয়েছে, এমনকি সন্তানদেরও তুলে নেওয়া হয়েছে- শুধু রাজনৈতিক আদর্শের কারণে। এই দীর্ঘ দমন-পীড়নের বিষয়গুলো নিশ্চয়ই বিবেচনায় নেওয়া হবে।’
রিজভী আরও বলেছেন, আইন প্রনয়নের যারা ভূমিকা রাখতে পারবে এবং সংসদে কথা বলার যোগ্যতা রয়েছে তাদেরকে মূল্যায়ন করবে মনোনয়ন বোর্ড।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাক্ষাৎকারের সভাপতিত্ব করবেন দলের চেয়ারম্যান এবং উপস্থিত থাকবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রদানের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও সংসদীয় দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আইন প্রনয়নের যারা ভূমিকা রাখতে পারবে এবং সংসদে কথা বলার যোগ্যতা রয়েছে তাদেরকে মূল্যায়ন করবে মনোনয়ন বোর্ড।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরুর আগে রুহুল কবির রিজভী এই তথ্য জানান।
প্রথম দিনে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুর বিভাগের প্রত্যাশীদের ডাকা হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) আরও ৫ বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।
মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা হলেন- বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সাক্ষাৎকার শুরুর আগে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমরা একটি কঠিন ও দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে আজ গণতন্ত্রের এই পর্যায়ে পৌঁছেছি। গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে হলে এটিকে এগিয়ে নেওয়া জরুরি। সেই সংগ্রামে গত ১৫–১৭ বছরের আন্দোলনে নারীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা অবশ্যই মূল্যায়িত হবে। এই সময়ে অনেক নারী নেত্রী মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন, গুলিতে আহত হয়েছেন, তাদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর হয়েছে, এমনকি সন্তানদেরও তুলে নেওয়া হয়েছে- শুধু রাজনৈতিক আদর্শের কারণে। এই দীর্ঘ দমন-পীড়নের বিষয়গুলো নিশ্চয়ই বিবেচনায় নেওয়া হবে।’
রিজভী আরও বলেছেন, আইন প্রনয়নের যারা ভূমিকা রাখতে পারবে এবং সংসদে কথা বলার যোগ্যতা রয়েছে তাদেরকে মূল্যায়ন করবে মনোনয়ন বোর্ড।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাক্ষাৎকারের সভাপতিত্ব করবেন দলের চেয়ারম্যান এবং উপস্থিত থাকবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে