
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। নির্বাচন পেছানোর কারণ হিসেবে ‘তীব্র জ্বালানি সংকট’ দেখানো হলেও সরকারের অবস্থানের সঙ্গে এর অসঙ্গতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আখতার হোসেন জ্বালানি ও আইনমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি করেন। তিনি বলেন, 'গতকাল মধ্যরাতে আমরা একটি নোটিস পেয়েছি যে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট।'
তিনি প্রশ্ন তোলেন, সংসদে জ্বালানি সংকটের বিষয়টি উত্থাপিত হলে সরকার দল তা অস্বীকার করে, অথচ একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান একই কারণ দেখিয়ে নির্বাচন স্থগিত করে—এতে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
রংপুর-৪ আসনের এ সংসদ সদস্য বলেন, বিষয়টির সঙ্গে দুটি দিক জড়িত—একদিকে এটি একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, যার সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্পর্ক রয়েছে; অন্যদিকে জ্বালানি সংকটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ দেখিয়ে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর বার কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। বিশেষ পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য অ্যাডহক কমিটি গঠনের বিধান থাকলেও বর্তমানে সেই সীমা অতিক্রম করা হয়েছে। “অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর নির্বাচন না দিয়ে অ্যাডহক কমিটি বহাল রাখা হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।
আখতার হোসেন বলেন, '১৯ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই তা স্থগিত করা হলো। এটি কি সত্যিই জ্বালানি সংকটের কারণে, নাকি একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয় প্রভাবের মধ্যে রাখার চেষ্টা—এ বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।'
এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার চাইলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর জবাবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতের বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। তবে আইনে মহামারী বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির পাশাপাশি ‘যৌক্তিক সঙ্গত কারণ’ বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যা আখতার হোসেন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেননি।
আইনমন্ত্রী বলেন, 'বার কাউন্সিল একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। তারা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়। সরকার সেখানে হস্তক্ষেপ করে না। নির্বাচন পেছানোর পেছনে জ্বালানি সংকট ছাড়াও অন্য কারণ রয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা আইনজীবী সমিতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতিসহ কয়েকটি বার অ্যাসোসিয়েশন থেকে নির্বাচন স্থগিতের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট বারগুলোতে চলমান নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে গত ২ এপ্রিল বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে এক সভায় ১৯ মে নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে বুধবার রাতে জরুরি বৈঠকে তা স্থগিত করা হয়।
বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী জ্বালানি সংকটের কারণে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনের অনুরোধও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। নির্বাচন পেছানোর কারণ হিসেবে ‘তীব্র জ্বালানি সংকট’ দেখানো হলেও সরকারের অবস্থানের সঙ্গে এর অসঙ্গতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আখতার হোসেন জ্বালানি ও আইনমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি করেন। তিনি বলেন, 'গতকাল মধ্যরাতে আমরা একটি নোটিস পেয়েছি যে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট।'
তিনি প্রশ্ন তোলেন, সংসদে জ্বালানি সংকটের বিষয়টি উত্থাপিত হলে সরকার দল তা অস্বীকার করে, অথচ একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান একই কারণ দেখিয়ে নির্বাচন স্থগিত করে—এতে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
রংপুর-৪ আসনের এ সংসদ সদস্য বলেন, বিষয়টির সঙ্গে দুটি দিক জড়িত—একদিকে এটি একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, যার সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্পর্ক রয়েছে; অন্যদিকে জ্বালানি সংকটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ দেখিয়ে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর বার কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। বিশেষ পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য অ্যাডহক কমিটি গঠনের বিধান থাকলেও বর্তমানে সেই সীমা অতিক্রম করা হয়েছে। “অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর নির্বাচন না দিয়ে অ্যাডহক কমিটি বহাল রাখা হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।
আখতার হোসেন বলেন, '১৯ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই তা স্থগিত করা হলো। এটি কি সত্যিই জ্বালানি সংকটের কারণে, নাকি একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয় প্রভাবের মধ্যে রাখার চেষ্টা—এ বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।'
এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার চাইলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর জবাবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতের বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। তবে আইনে মহামারী বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির পাশাপাশি ‘যৌক্তিক সঙ্গত কারণ’ বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যা আখতার হোসেন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেননি।
আইনমন্ত্রী বলেন, 'বার কাউন্সিল একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। তারা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়। সরকার সেখানে হস্তক্ষেপ করে না। নির্বাচন পেছানোর পেছনে জ্বালানি সংকট ছাড়াও অন্য কারণ রয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা আইনজীবী সমিতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতিসহ কয়েকটি বার অ্যাসোসিয়েশন থেকে নির্বাচন স্থগিতের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট বারগুলোতে চলমান নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে গত ২ এপ্রিল বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে এক সভায় ১৯ মে নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে বুধবার রাতে জরুরি বৈঠকে তা স্থগিত করা হয়।
বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী জ্বালানি সংকটের কারণে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনের অনুরোধও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

সালাহউদ্দিন বলেন, ‘১১ বছর আগের ঘটনা… স্মৃতিতে এখনও জ্বলজ্বল করে; এখনও স্মরণে এলে শরীরে শিহরণ জাগায়। চোখ বাঁধা কালো কাপড়ে, হাত বাঁধা স্টিলের হ্যান্ডকাফে। এক নয়, দুই নয়, দশ নয়, টানা ৩২ ঘণ্টা এভাবে কেটেছে আমার। সেই স্মৃতি এখনও আমাকে কষ্ট দেয়, মনের ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়।’
২ দিন আগে
এর আগে ১৮ আগস্ট (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মাদরাসার শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানান, এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) ব্যবস্থা চালু এবং টোল আদায়কে আরও আধুনিক, দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে একটি অ্যাপ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগামী চার মাসের মধ্যে এসব কাজ শেষ করার নির্দেশ
২ দিন আগে
শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা পৌনে দুইটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন। হাসনাত লিখেছেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহি চেয়ে সংসদে যে বক্তব্য দিয়েছিলাম, তাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝি সৃষ্টি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করছি।
২ দিন আগে