
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের ঘোষণা স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছে নতুন সাংস্কৃতিক মোর্চা গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের সদস্যরা যৌথ বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন।
মব জাস্টিসের মাধ্যমে ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে মানুষ হত্যা, মাজারে হামলাসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানান তারা।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সার্কুলার দিয়ে বহিরাগত খেদানোর নামে মোবাইল কোর্ট চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, এসব তৎপরতা অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।’
ছাত্ররাজনীতি বন্ধের মধ্যে দিয়ে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন নস্যাৎ হয়ে যেতে পারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে দেওয়া হলে পতিত স্বৈরাচারের ষড়যন্ত্রের পথকে প্রশস্ত করে দেবে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ে দেশের মানুষ জীবন দিয়েছে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সমাজের প্রত্যাশায়। দুর্নীতি, দুঃশাসন, ক্ষমতার অপব্যবহার, দমনপীড়ন ও লুটপাটের ব্যবস্থার পরিবর্তন করে একটি গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দৃশ্যমান রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না।’
বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘আমরা গণমাধ্যমসূত্রে জানতে পেরেছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে চার ঘণ্টা ধরে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সম্পূর্ণ বেআইনি এসব নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক্ষেত্রে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।’
এসব হত্যাকাণ্ডের দায়ে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের সদস্যরা।

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের ঘোষণা স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছে নতুন সাংস্কৃতিক মোর্চা গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের সদস্যরা যৌথ বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন।
মব জাস্টিসের মাধ্যমে ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে মানুষ হত্যা, মাজারে হামলাসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানান তারা।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সার্কুলার দিয়ে বহিরাগত খেদানোর নামে মোবাইল কোর্ট চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, এসব তৎপরতা অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।’
ছাত্ররাজনীতি বন্ধের মধ্যে দিয়ে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন নস্যাৎ হয়ে যেতে পারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে দেওয়া হলে পতিত স্বৈরাচারের ষড়যন্ত্রের পথকে প্রশস্ত করে দেবে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ে দেশের মানুষ জীবন দিয়েছে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সমাজের প্রত্যাশায়। দুর্নীতি, দুঃশাসন, ক্ষমতার অপব্যবহার, দমনপীড়ন ও লুটপাটের ব্যবস্থার পরিবর্তন করে একটি গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দৃশ্যমান রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না।’
বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘আমরা গণমাধ্যমসূত্রে জানতে পেরেছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে চার ঘণ্টা ধরে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সম্পূর্ণ বেআইনি এসব নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক্ষেত্রে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।’
এসব হত্যাকাণ্ডের দায়ে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের সদস্যরা।

এই টিম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াবে। তারা দ্রুত ত্রাণ, মানবিক সহায়তা ও উদ্ধার কার্যক্রমে সমন্বয় করবে। বন্যাদুর্গত এলাকায় দ্রুত খাদ্যসামগ্রী ও ত্রাণ পৌঁছানো এবং উদ্ধার কাজ আরও সুসংগঠিত করতে এই টিম কাজ করবে।
৪ দিন আগে
বার্তায় জানানো হয়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় এবং সন্ধ্যা ৬টায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তী পদযাত্রা চলমান থাকবে।
৪ দিন আগে
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নহিদ বলেন, বাংলাদেশে রায় হয়ে গেছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।
৪ দিন আগে