
ঢাবি প্রতিনিধি

ছাত্রদল নেতা ঢাবি শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচার, নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাসহ তিন দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস)।
শনিবার (২৪ মে) দুপুর ২টা নাগাদ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা মধুর ক্যানটিনের সামনের জড়ো হন। সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কলাভবন ও হলপাড়া প্রদিক্ষণ করে সিনেট ভবনে গিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ সময় বাগছাস নেতাকর্মীরা 'এক দুই তিন চার, ডাকসু আমার অধিকার', 'আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই', 'সাম্য ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে', 'উই ওয়ান্ট ডাকসু', 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস', 'জাস্টিস ফর সাম্য' ইত্যাদি স্লোগান দেন।
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক আবদুল কদের বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এক আমূল পরিবর্তন হওয়ার কথা ছিল। সবার স্বপ্ন ছিল একটি স্বাধীন-নিরাপদ ক্যাম্পাসের। বিগত দিনে সরকার দলীয় সংগঠনগুলো এই ক্যাম্পাসে তাদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবয়ন করেছে। তাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সবারেই স্বপ্ন ছিল যে ডাকসু নির্বাচন হবে।
আব্দুল কাদের আরও বলেন, আজ ক্যম্পাসে সাম্য হত্যাকাণ্ড ঘটে, মেয়েরা শরীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। আজ শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকলে তাদের নিরাপত্তাহীনতায় থাকতে হতো না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টরের উদ্দেশে বাগছাসের এই নেতা বলেন, ক্যাম্পাসে শিক্ষক-কর্মকর্তা নির্বাচন হতে পারে, কিন্তু ডাকসু নির্বাচন হতে পারে না! যদি আপনারা নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও ডাকসু নির্বাচন না দিতে পারেন তাহলে আপনারা এই আসনের যোগ্য না।
ঢাবি শাখা গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের মুখ্য সংগঠক হাসিবুল ইসলাম বলেন, এই ক্যাম্পাস এখনো নিরাপদ নয়।মাদকাসক্ত, ভবঘুরেরদের অবাধ বিচরণ। নারীরা হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। আজ ১১ দিনেও সাম্য হত্যার বিচারে কোনো অগ্রগতি নেই। আবার একটি গোষ্ঠীকে দেখতে পাই, সবসময় দলীয় স্বার্থে ডাকসুর বিরোধিতা করছে। আমরা চাই দ্রুততম সময়ের ডাকসু নির্বাচক কমিশন ও তফসিল ঘোষণা করা হোক।

ছাত্রদল নেতা ঢাবি শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচার, নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাসহ তিন দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস)।
শনিবার (২৪ মে) দুপুর ২টা নাগাদ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা মধুর ক্যানটিনের সামনের জড়ো হন। সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কলাভবন ও হলপাড়া প্রদিক্ষণ করে সিনেট ভবনে গিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ সময় বাগছাস নেতাকর্মীরা 'এক দুই তিন চার, ডাকসু আমার অধিকার', 'আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই', 'সাম্য ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে', 'উই ওয়ান্ট ডাকসু', 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস', 'জাস্টিস ফর সাম্য' ইত্যাদি স্লোগান দেন।
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক আবদুল কদের বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এক আমূল পরিবর্তন হওয়ার কথা ছিল। সবার স্বপ্ন ছিল একটি স্বাধীন-নিরাপদ ক্যাম্পাসের। বিগত দিনে সরকার দলীয় সংগঠনগুলো এই ক্যাম্পাসে তাদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবয়ন করেছে। তাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সবারেই স্বপ্ন ছিল যে ডাকসু নির্বাচন হবে।
আব্দুল কাদের আরও বলেন, আজ ক্যম্পাসে সাম্য হত্যাকাণ্ড ঘটে, মেয়েরা শরীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। আজ শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকলে তাদের নিরাপত্তাহীনতায় থাকতে হতো না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টরের উদ্দেশে বাগছাসের এই নেতা বলেন, ক্যাম্পাসে শিক্ষক-কর্মকর্তা নির্বাচন হতে পারে, কিন্তু ডাকসু নির্বাচন হতে পারে না! যদি আপনারা নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও ডাকসু নির্বাচন না দিতে পারেন তাহলে আপনারা এই আসনের যোগ্য না।
ঢাবি শাখা গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের মুখ্য সংগঠক হাসিবুল ইসলাম বলেন, এই ক্যাম্পাস এখনো নিরাপদ নয়।মাদকাসক্ত, ভবঘুরেরদের অবাধ বিচরণ। নারীরা হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। আজ ১১ দিনেও সাম্য হত্যার বিচারে কোনো অগ্রগতি নেই। আবার একটি গোষ্ঠীকে দেখতে পাই, সবসময় দলীয় স্বার্থে ডাকসুর বিরোধিতা করছে। আমরা চাই দ্রুততম সময়ের ডাকসু নির্বাচক কমিশন ও তফসিল ঘোষণা করা হোক।

নোটিশে ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বা ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনার অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ১২ জানুয়ারি সোমবার সশরীরে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধানের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেছেন, তাকে যেন ‘মাননীয়’ শব্দ বলে সম্মোধন না করা হয়। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা উল্লেখ করেন।
২০ ঘণ্টা আগে
শুনানি শেষে রাশেদ প্রধান বলেন, বিএনপি প্রার্থীদের ঋণখেলাপি, বিদেশি নাগরিকত্বসহ বড় ঘটনায় প্রার্থিতা টিকে যাচ্ছে। কিন্তু জামায়াত, জাগপাসহ ১১ দলের প্রার্থীদের প্রার্থিতা টিকছে না। এসব ঘটনায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকছে না। আমাদের শঙ্কা, নির্বাচনেও এ পরিবেশ থাকে কি না।
২০ ঘণ্টা আগে