
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান পঞ্চগড়-১ ও পঞ্চগড়-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। শনিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
শুনানি শেষে রাশেদ প্রধান বলেন, বিএনপি প্রার্থীদের ঋণখেলাপি, বিদেশি নাগরিকত্বসহ বড় ঘটনায় প্রার্থিতা টিকে যাচ্ছে। কিন্তু জামায়াত, জাগপাসহ ১১ দলের প্রার্থীদের প্রার্থিতা টিকছে না। এসব ঘটনায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকছে না। আমাদের শঙ্কা, নির্বাচনেও এ পরিবেশ থাকে কি না।
এ সময় জাগপা প্রধান তাসমিয়া প্রধান বলেন, জাগপা সহসভাপতি ও মুখপাত্র আল রাশেদ প্রধানের হলফনামায় ৩০০ টাকার স্টাম্প সংযুক্ত না করার ছোট ভুলের কারণে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। আমাদের আপিলের পর নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়, শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। শনিবার ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (১১ জানুয়ারি) ৭১ থেকে ১৪০ নম্বর, সোমবার (১২ জানুয়ারি) ১৪১ থেকে ২১০ নম্বর এবং মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ২১১ থেকে ২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান পঞ্চগড়-১ ও পঞ্চগড়-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। শনিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
শুনানি শেষে রাশেদ প্রধান বলেন, বিএনপি প্রার্থীদের ঋণখেলাপি, বিদেশি নাগরিকত্বসহ বড় ঘটনায় প্রার্থিতা টিকে যাচ্ছে। কিন্তু জামায়াত, জাগপাসহ ১১ দলের প্রার্থীদের প্রার্থিতা টিকছে না। এসব ঘটনায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকছে না। আমাদের শঙ্কা, নির্বাচনেও এ পরিবেশ থাকে কি না।
এ সময় জাগপা প্রধান তাসমিয়া প্রধান বলেন, জাগপা সহসভাপতি ও মুখপাত্র আল রাশেদ প্রধানের হলফনামায় ৩০০ টাকার স্টাম্প সংযুক্ত না করার ছোট ভুলের কারণে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। আমাদের আপিলের পর নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়, শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। শনিবার ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (১১ জানুয়ারি) ৭১ থেকে ১৪০ নম্বর, সোমবার (১২ জানুয়ারি) ১৪১ থেকে ২১০ নম্বর এবং মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ২১১ থেকে ২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে