
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠির রাজাপুরে ‘বিড়িতে সুখ টানের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে’ বলা ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে গতকাল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক রেজওয়ানা আফরিন এ নোটিশ দেন।
নোটিশে ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বা ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনার অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ১২ জানুয়ারি সোমবার সশরীরে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধানের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘আপনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এর একজন প্রার্থী হওয়ার পরও কমিটির নিকট প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য, সংবাদ প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপাত্ত পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয়েছে যে গত ৭ জানুয়ারি বুধবার রাতে রাজাপুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত একটি নির্বাচনী উঠানবৈঠকে আপনি জনসমক্ষে নিম্নরূপ বক্তব্য প্রদান করেন, “আমার ভাই হয়তো কোনো দিনই ইবাদত করার সুযোগ পান নাই, ওই সুখটান দেওয়া বিড়ির মধ্যেও যদি সে ওই দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিয়ে আল্লাহর দ্বারে কবুল হয়ে যায়, এমনও হতে পারে পেছনের সব মাফ করে দিয়ে আল্লাহ তাকে ভালো করে দিতে পারে।” বক্তব্যটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়।’
নোটিশে বলা হয়, নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বা ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট চাওয়া সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৫-এর উপবিধি (ক) এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী স্বার্থ হাসিল করার জন্য ধর্মীয় জাতিগত অনুভূতির অপব্যবহার করে বিধি ১৬-এর উপবিধি (ঙ) এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো বিধি ১৮-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এমতাবস্থায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ব্যবস্থা নিতে কেন নির্বাচন কমিশনে অনুসন্ধান প্রতিবেদন পাঠানো হবে না, তা ১২ জানুয়ারি সশরীরে জেলা জজ আদালতের দ্বিতীয় তলায় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক রেজওয়ানা আফরিনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হক বলেন, ‘আমার বক্তব্যটি মিসলিড করা হয়েছে। একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্দেশে কথা বলতে হয়। সমাজে দাড়িওয়ালা, দাড়ি ছাড়া, বিড়ি বা সিগারেট খান এমন মানুষও আছেন। আমি বিশেষ করে দোকানে বসে বিড়ি খাওয়া মানুষদের উদ্দেশে বলেছি—আপনারা বিড়ি টানতে টানতেই দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইবেন। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সঠিক সময়ে নোটিশের জবাব দিতে প্রস্তুত।’

ঝালকাঠির রাজাপুরে ‘বিড়িতে সুখ টানের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে’ বলা ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে গতকাল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক রেজওয়ানা আফরিন এ নোটিশ দেন।
নোটিশে ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বা ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনার অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ১২ জানুয়ারি সোমবার সশরীরে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধানের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘আপনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এর একজন প্রার্থী হওয়ার পরও কমিটির নিকট প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য, সংবাদ প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপাত্ত পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয়েছে যে গত ৭ জানুয়ারি বুধবার রাতে রাজাপুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত একটি নির্বাচনী উঠানবৈঠকে আপনি জনসমক্ষে নিম্নরূপ বক্তব্য প্রদান করেন, “আমার ভাই হয়তো কোনো দিনই ইবাদত করার সুযোগ পান নাই, ওই সুখটান দেওয়া বিড়ির মধ্যেও যদি সে ওই দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিয়ে আল্লাহর দ্বারে কবুল হয়ে যায়, এমনও হতে পারে পেছনের সব মাফ করে দিয়ে আল্লাহ তাকে ভালো করে দিতে পারে।” বক্তব্যটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়।’
নোটিশে বলা হয়, নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বা ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট চাওয়া সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৫-এর উপবিধি (ক) এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী স্বার্থ হাসিল করার জন্য ধর্মীয় জাতিগত অনুভূতির অপব্যবহার করে বিধি ১৬-এর উপবিধি (ঙ) এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো বিধি ১৮-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এমতাবস্থায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ব্যবস্থা নিতে কেন নির্বাচন কমিশনে অনুসন্ধান প্রতিবেদন পাঠানো হবে না, তা ১২ জানুয়ারি সশরীরে জেলা জজ আদালতের দ্বিতীয় তলায় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক রেজওয়ানা আফরিনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হক বলেন, ‘আমার বক্তব্যটি মিসলিড করা হয়েছে। একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্দেশে কথা বলতে হয়। সমাজে দাড়িওয়ালা, দাড়ি ছাড়া, বিড়ি বা সিগারেট খান এমন মানুষও আছেন। আমি বিশেষ করে দোকানে বসে বিড়ি খাওয়া মানুষদের উদ্দেশে বলেছি—আপনারা বিড়ি টানতে টানতেই দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইবেন। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সঠিক সময়ে নোটিশের জবাব দিতে প্রস্তুত।’

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে