
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার এবার গরিবের আমিষ খ্যাত ডিমের বাজারও নিয়ন্ত্রণে পরিপূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। সরকারের ব্যর্থতার কারণে ডিমের সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে কোন এক অদৃশ্য শক্তির কালো থাবায় ডিমের মূল্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।
সোমবার (২৪ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, প্রতিদিনের চাহিদার চেয়ে বেশী ডিম উৎপাদন হলেও কৃত্তিম সংকট তৈরি করে সরকারি দলের পৃষ্টপোষকতায় ডিম সিন্ডিকেট ডিমের মূল্যবৃদ্ধি করে প্রান্তিক জনগণের পকেট কেটে লুটপাট করছে। ডিমের মূল্য অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ডিমের বাজারে বার বার অস্থিরতা সৃষ্টির ফলে কেবল নিম্নবিত্তই নয়, মধ্যবিত্তরাও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সামর্থ্য না থাকায় খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ এখন মাছ-মাংস কিনতে পারছেন না। বস্তুত যারা পুষ্টির জন্য ডিমের ওপর নির্ভরশীল, তারা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
নেতৃদ্বয় বলেন, সরকারি দলের লুটেরা গোষ্টির মদদে ডিমের বাজারে নৈরাজ্য চালাচ্ছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। আর এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে সরকারি দলের নেতারাই। তারা ভোক্তার পকেট কাটতে আলুর হিমাগারে অবৈধভাবে মজুত করছে ডিম। রাতারাতি সরবরাহ কমিয়ে অস্থির করা হয়েছে বাজার। শক্তিশালী চক্রটি প্রতিদিন আড়ত পর্যায়ে এসএমএসের মাধ্যমে ডিমের বাড়তি দাম নির্ধারণ করছে। অথচ সরকার তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সাধারণ মানুষ না খেয়ে মরে যাক, তাতে তাদের কি ? তারা শুধু আজিজ-বেনজির-মতিউর সৃষ্টিতে ব্যস্ত।
তারা আরো বলেন, ডিমের বাজারে শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে এটি দিবালোকের মত স্পষ্ট। গত বছরও মূল্যবৃদ্ধি করলে তদারকি সংস্থা তাদের ডেকেছিল, কিন্তু অপরাধী কারও বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, করতেও পারেনি। তাই এবারও তারাই ডিমের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। সিন্ডিকেটের মধ্যে ডিম ব্যবসায়ী সমিতি ও করপোরেট কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জড়িত। তারা চাইলে মূল্যবৃদ্ধি করে দেয়। আবার তারা তাদের ইচ্ছাতেই মূল্য কমিয়ে দেয়। প্রান্তিক খামারিরাও এই সিন্ডিকেটের কাছে অসহায়।
নেতৃদ্বয় বলেন, ডিমের বাজার নিয়ে সিন্ডিকেটের প্রশ্ন উঠলেও সেই সিন্ডিকেট ভাঙার কার্যকর উদ্যোগ নেই সরকারের। ফলে মাঝে মধ্যেই কথিত সিন্ডিকেটের থাবায় সাধারণ মানুষের প্রোটিনে টান পড়ছে। ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাচ্ছে ডিম। সরকার দ্রুত ডিমসহ বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকা কঠিন হবে। মানুষ খেয়ে পড়ে বাঁচতে না পারলে সরকারের তথাকথিত উন্নয়ন জনগণের হৃদয় স্পর্শ করতে পারবে না।

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার এবার গরিবের আমিষ খ্যাত ডিমের বাজারও নিয়ন্ত্রণে পরিপূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। সরকারের ব্যর্থতার কারণে ডিমের সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে কোন এক অদৃশ্য শক্তির কালো থাবায় ডিমের মূল্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।
সোমবার (২৪ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, প্রতিদিনের চাহিদার চেয়ে বেশী ডিম উৎপাদন হলেও কৃত্তিম সংকট তৈরি করে সরকারি দলের পৃষ্টপোষকতায় ডিম সিন্ডিকেট ডিমের মূল্যবৃদ্ধি করে প্রান্তিক জনগণের পকেট কেটে লুটপাট করছে। ডিমের মূল্য অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ডিমের বাজারে বার বার অস্থিরতা সৃষ্টির ফলে কেবল নিম্নবিত্তই নয়, মধ্যবিত্তরাও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সামর্থ্য না থাকায় খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ এখন মাছ-মাংস কিনতে পারছেন না। বস্তুত যারা পুষ্টির জন্য ডিমের ওপর নির্ভরশীল, তারা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
নেতৃদ্বয় বলেন, সরকারি দলের লুটেরা গোষ্টির মদদে ডিমের বাজারে নৈরাজ্য চালাচ্ছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। আর এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে সরকারি দলের নেতারাই। তারা ভোক্তার পকেট কাটতে আলুর হিমাগারে অবৈধভাবে মজুত করছে ডিম। রাতারাতি সরবরাহ কমিয়ে অস্থির করা হয়েছে বাজার। শক্তিশালী চক্রটি প্রতিদিন আড়ত পর্যায়ে এসএমএসের মাধ্যমে ডিমের বাড়তি দাম নির্ধারণ করছে। অথচ সরকার তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সাধারণ মানুষ না খেয়ে মরে যাক, তাতে তাদের কি ? তারা শুধু আজিজ-বেনজির-মতিউর সৃষ্টিতে ব্যস্ত।
তারা আরো বলেন, ডিমের বাজারে শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে এটি দিবালোকের মত স্পষ্ট। গত বছরও মূল্যবৃদ্ধি করলে তদারকি সংস্থা তাদের ডেকেছিল, কিন্তু অপরাধী কারও বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, করতেও পারেনি। তাই এবারও তারাই ডিমের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। সিন্ডিকেটের মধ্যে ডিম ব্যবসায়ী সমিতি ও করপোরেট কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জড়িত। তারা চাইলে মূল্যবৃদ্ধি করে দেয়। আবার তারা তাদের ইচ্ছাতেই মূল্য কমিয়ে দেয়। প্রান্তিক খামারিরাও এই সিন্ডিকেটের কাছে অসহায়।
নেতৃদ্বয় বলেন, ডিমের বাজার নিয়ে সিন্ডিকেটের প্রশ্ন উঠলেও সেই সিন্ডিকেট ভাঙার কার্যকর উদ্যোগ নেই সরকারের। ফলে মাঝে মধ্যেই কথিত সিন্ডিকেটের থাবায় সাধারণ মানুষের প্রোটিনে টান পড়ছে। ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাচ্ছে ডিম। সরকার দ্রুত ডিমসহ বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকা কঠিন হবে। মানুষ খেয়ে পড়ে বাঁচতে না পারলে সরকারের তথাকথিত উন্নয়ন জনগণের হৃদয় স্পর্শ করতে পারবে না।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
৯ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
১১ ঘণ্টা আগে