
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ। সোমবার গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান।
বিবৃতিতে মঞ্চের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের নেতা আ স ম আব্দুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, সাইফুল হক, জোনায়েদ সাকি, শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ। তিনি বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড একাধিকবার পরামর্শ দিয়েছে যে, খালেদা জিয়া এখন জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। দেশে তার উন্নত চিকিৎসার সুযোগ নেই। ফলে খালেদা জিয়াকে বাঁচাতে হলে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা জরুরি। কিন্তু সরকার চিকিৎসকদের পরামর্শ উপেক্ষা করে খালেদা জিয়ার প্রতি অমানবিক ও অসাংবিধানিক আচরণ করছে। দলীয় সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব পরিহার করে সরকারকে খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিদেশে পাঠানোর দাবি জানান নেতৃবৃন্দ। অন্যথায় সরকার দায় এড়াতে পারবে না।
তারা বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বয়স এখন ৭৯ বছর। শর্তসাপেক্ষে সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেলেও প্রবীণ বয়সেও খালেদা জিয়া কার্যত কারাবন্দি। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই নানা রোগে আক্রান্ত। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যাওয়ার পর তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারাগারে অমানবিক পরিবেশেও তিনি অনেক নতুন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। বিভিন্ন রোগের জটিলতায় তার শারীরিক অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন করে বসানো হয়েছে পেসমেকার। তার চিকিৎসক দল তার অসুস্থতার যে বিবরণ দিয়েছেন, তা খুবই উদ্বেগজনক। গণতন্ত্র মঞ্চের নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের একজন শীর্ষ রাজনৈতিক, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক, একজন নারী হিসেবে উপরন্তু একজন জেলবন্দি ব্যক্তির যথাযথ সুচিকিৎসা পাওয়া ন্যূনতম মানবাধিকারের অংশ। তার মৌলিক অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজন হলে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ করে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য। জামিনে মুক্তি পাওয়াও তার নাগরিক অধিকার। কাজেই অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।

অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ। সোমবার গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান।
বিবৃতিতে মঞ্চের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের নেতা আ স ম আব্দুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, সাইফুল হক, জোনায়েদ সাকি, শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ। তিনি বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড একাধিকবার পরামর্শ দিয়েছে যে, খালেদা জিয়া এখন জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। দেশে তার উন্নত চিকিৎসার সুযোগ নেই। ফলে খালেদা জিয়াকে বাঁচাতে হলে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা জরুরি। কিন্তু সরকার চিকিৎসকদের পরামর্শ উপেক্ষা করে খালেদা জিয়ার প্রতি অমানবিক ও অসাংবিধানিক আচরণ করছে। দলীয় সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব পরিহার করে সরকারকে খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিদেশে পাঠানোর দাবি জানান নেতৃবৃন্দ। অন্যথায় সরকার দায় এড়াতে পারবে না।
তারা বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বয়স এখন ৭৯ বছর। শর্তসাপেক্ষে সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেলেও প্রবীণ বয়সেও খালেদা জিয়া কার্যত কারাবন্দি। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই নানা রোগে আক্রান্ত। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যাওয়ার পর তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারাগারে অমানবিক পরিবেশেও তিনি অনেক নতুন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। বিভিন্ন রোগের জটিলতায় তার শারীরিক অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন করে বসানো হয়েছে পেসমেকার। তার চিকিৎসক দল তার অসুস্থতার যে বিবরণ দিয়েছেন, তা খুবই উদ্বেগজনক। গণতন্ত্র মঞ্চের নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের একজন শীর্ষ রাজনৈতিক, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক, একজন নারী হিসেবে উপরন্তু একজন জেলবন্দি ব্যক্তির যথাযথ সুচিকিৎসা পাওয়া ন্যূনতম মানবাধিকারের অংশ। তার মৌলিক অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজন হলে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ করে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য। জামিনে মুক্তি পাওয়াও তার নাগরিক অধিকার। কাজেই অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
৯ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
১১ ঘণ্টা আগে