
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দলের বিচারের পথ সুগম হওয়ায় সংশোধিত এ আইন ব্যবহার করে জামায়াতে ইসলামীকেও বিচারের মুখোমুখি করার আশাবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)।
দলটি বলছে, আমরা আশা করি— মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীকেও এ সংশোধিত আইনের অধীনে সংগঠনগত বিচারের সম্মুখীন করা হবে। আমরা আশা করি, গণতন্ত্রে উত্তরণের লক্ষ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতায় সব অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল শক্তি ঐক্যের পথে অগ্রসর হবে।
সোমবার (১২ মে) বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির এক সভায় আলোচনার ভিত্তিতে গৃহীত সিদ্ধান্তে এসব কথা বলা হয়েছে। দলের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়ার সভাপতিত্বে তোপখানা রোডে দলের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাসদ বলছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের ৯ মাস পর সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আইন সংশোধন করে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দল ও সংগঠনের বিচারের পথ উন্মুক্ত করেছে। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা নির্বৃত্ত করার লক্ষ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনেরও সংশোধন করেছে। এ ছাড়া সরকার আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির নেতারা বলেন, বিগত বছরগুলোতে আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের অপশাসন, লুটপাট, গুম-খুন, বিশেষ করে গত বছরের জুলাই-আগস্টে সরকারী বাহিনী ও দলীয় সশস্ত্র দুর্বৃত্ত বাহিনী পরিচালিত পাইকারী হত্যাণ্ডে ১৪০০ মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের নজিরবিহীন হত্যার বিচার ছিল জনগণের প্রাণের দাবি। নেতৃত্বের পাশাপাশি সংগঠনকে বিচারের আওতায় আনার জন্য অবশেষে সরকার একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
‘আমরা তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণার সঙ্গে লক্ষ করেছি যে পতিত আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব এখন পর্যন্ত তাদের খুন-নির্যাতনের জন্য অনুশোচনা তো দূরের কথা, তারা গণঅভ্যুত্থানকে ষড়যন্ত্র বলে নাকচ করছে। হত্যার দায় দায়িত্ব আন্দোলনকারী শক্তির ওপর চাপিয়ে নিজেদের দ্বারা সংগঠিত গণখুনকে আড়াল করতে চাইছে। এ ধরণের প্রয়াস কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ সভা আশা করে, আদালত স্বচ্ছতার সঙ্গে ন্যায়বিচার সম্পন্ন করবে,’— বলেন বাংলাদেশ জাসদের নেতারা।
সভায় অংশ নেন ও আলোচনা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য মুশতাক হোসেন, এ টি এম মহব্বত আলী, আবদুল কাদের হাওলাদার, করিম সিকদার, মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জু, আনোয়ারুল ইসলাম বাবু ও নাসিরুল হক নবাব; স্থায়ী কমিটির পর্যবেক্ষক সদস্য রোকনুজ্জামান রোকন প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দলের বিচারের পথ সুগম হওয়ায় সংশোধিত এ আইন ব্যবহার করে জামায়াতে ইসলামীকেও বিচারের মুখোমুখি করার আশাবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)।
দলটি বলছে, আমরা আশা করি— মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীকেও এ সংশোধিত আইনের অধীনে সংগঠনগত বিচারের সম্মুখীন করা হবে। আমরা আশা করি, গণতন্ত্রে উত্তরণের লক্ষ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতায় সব অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল শক্তি ঐক্যের পথে অগ্রসর হবে।
সোমবার (১২ মে) বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির এক সভায় আলোচনার ভিত্তিতে গৃহীত সিদ্ধান্তে এসব কথা বলা হয়েছে। দলের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়ার সভাপতিত্বে তোপখানা রোডে দলের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাসদ বলছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের ৯ মাস পর সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আইন সংশোধন করে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দল ও সংগঠনের বিচারের পথ উন্মুক্ত করেছে। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা নির্বৃত্ত করার লক্ষ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনেরও সংশোধন করেছে। এ ছাড়া সরকার আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির নেতারা বলেন, বিগত বছরগুলোতে আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের অপশাসন, লুটপাট, গুম-খুন, বিশেষ করে গত বছরের জুলাই-আগস্টে সরকারী বাহিনী ও দলীয় সশস্ত্র দুর্বৃত্ত বাহিনী পরিচালিত পাইকারী হত্যাণ্ডে ১৪০০ মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের নজিরবিহীন হত্যার বিচার ছিল জনগণের প্রাণের দাবি। নেতৃত্বের পাশাপাশি সংগঠনকে বিচারের আওতায় আনার জন্য অবশেষে সরকার একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
‘আমরা তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণার সঙ্গে লক্ষ করেছি যে পতিত আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব এখন পর্যন্ত তাদের খুন-নির্যাতনের জন্য অনুশোচনা তো দূরের কথা, তারা গণঅভ্যুত্থানকে ষড়যন্ত্র বলে নাকচ করছে। হত্যার দায় দায়িত্ব আন্দোলনকারী শক্তির ওপর চাপিয়ে নিজেদের দ্বারা সংগঠিত গণখুনকে আড়াল করতে চাইছে। এ ধরণের প্রয়াস কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ সভা আশা করে, আদালত স্বচ্ছতার সঙ্গে ন্যায়বিচার সম্পন্ন করবে,’— বলেন বাংলাদেশ জাসদের নেতারা।
সভায় অংশ নেন ও আলোচনা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য মুশতাক হোসেন, এ টি এম মহব্বত আলী, আবদুল কাদের হাওলাদার, করিম সিকদার, মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জু, আনোয়ারুল ইসলাম বাবু ও নাসিরুল হক নবাব; স্থায়ী কমিটির পর্যবেক্ষক সদস্য রোকনুজ্জামান রোকন প্রমুখ।

‘অনেকের কাছে তিনি ছিলেন আপসহীনতার প্রতীক; নিজের বিশ্বাসের পক্ষে সাহসের সঙ্গে দাঁড়ানোর অটল প্রেরণা। রাজনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে এই প্রেরণা বহু দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে; পরিচয়, আদর্শ ও অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে অগণিত মানুষকে স্পর্শ করেছে।’
২ দিন আগে
পদত্যাগপত্রে তিনি আরো লিখেন, যারা পদত্যাগ করছেন তাদের বামপন্থি বলে ফ্রেমিং করাটাও একটা গেম প্ল্যানেরই অংশ বলে আমি মনে করি। কেননা, এতে করে জামায়াতের কাছে দল বিক্রি করা সহজ। বামপন্থিরা বেরিয়ে যাচ্ছে কেন এই পাল্টা প্রশ্ন আমি করতে চাই। তাহলে কী যারা রয়ে গেল সবাই ডানপন্থি? আপনারা না একটা সেন্ট্রিস্ট দল?
২ দিন আগে
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ২০২৬ আসরে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে খেলতে না দেওয়া এবং ভারতীয় ক্রিকেট রাজনীতির প্রেক্ষাপটে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা ও এসসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ। ভারতকে একটি ‘উগ্র রাষ্ট্র’ হিসেবে অভিহিত করে দেশটিকে কোনো আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজ
২ দিন আগে
তিনি লেখেন, যখন একজন প্রার্থীর পক্ষে মানুষের সমর্থন স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে, তখন ছোটোখাটো কারিগরি বিষয় দেখিয়ে তাকে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
২ দিন আগে