
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনে একটি ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে হত্যার হুমকি দিয়ে ডাকযোগে চিঠি পাঠানোর ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক মাঠ থেকে সরিয়ে দিতে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। এ ঘটনায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ। জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে সরাসরি ফোন করে শাহজাহান চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলেন।
ফোনালাপে তারেক রহমান হুমকির বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা ও সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান। তিনি শাহজাহান চৌধুরীকে সাহস হারাতে নিষেধ করেন এবং মনোবল অটুট রেখে রাজনৈতিক সংগ্রামে অবিচল থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখার বার্তা দেন।
দলের একজন দায়িত্বশীল নেতা বলেন, ‘এই হুমকি শুধু একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে নয়, এটি পুরো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি আঘাত। ভয় দেখিয়ে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না।’
এই ঘটনার পর উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, এ ধরনের হুমকি পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে।
উখিয়া-টেকনাফের রাজনীতিতে যখন উত্তাপ চরমে, তখন শাহজাহান চৌধুরীর প্রতি এই হুমকি আর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়েই সীমাবদ্ধ নেই, এটি এখন গণতন্ত্র বনাম ভয়ভীতির রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনে একটি ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে হত্যার হুমকি দিয়ে ডাকযোগে চিঠি পাঠানোর ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক মাঠ থেকে সরিয়ে দিতে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। এ ঘটনায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ। জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে সরাসরি ফোন করে শাহজাহান চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলেন।
ফোনালাপে তারেক রহমান হুমকির বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা ও সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান। তিনি শাহজাহান চৌধুরীকে সাহস হারাতে নিষেধ করেন এবং মনোবল অটুট রেখে রাজনৈতিক সংগ্রামে অবিচল থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখার বার্তা দেন।
দলের একজন দায়িত্বশীল নেতা বলেন, ‘এই হুমকি শুধু একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে নয়, এটি পুরো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি আঘাত। ভয় দেখিয়ে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না।’
এই ঘটনার পর উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, এ ধরনের হুমকি পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে।
উখিয়া-টেকনাফের রাজনীতিতে যখন উত্তাপ চরমে, তখন শাহজাহান চৌধুরীর প্রতি এই হুমকি আর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়েই সীমাবদ্ধ নেই, এটি এখন গণতন্ত্র বনাম ভয়ভীতির রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ে নাহিদ বলেন, শেখ হাসিনা এবং শহীদ হাদি ভাইয়ের খুনিদের বাংলাদেশে পাঠাতে হবে। এর পরই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হতে পারে। এছাড়া ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরির সুযোগ নেই।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদুত মি. ইয়াও ওয়েন। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ডা. শফিকুর রহমানের রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
২ দিন আগে
উত্তপ্ত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে উভয় পক্ষের বেশ কিছু বহিরাগত হলের ভেতরে প্রবেশ করলে বিশৃঙ্খলা আরও প্রকট আকার ধারণ করে। একপর্যায়ে সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার ও ছুরিকাঘাতের ঘটনাও ঘটে।
২ দিন আগে
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
৩ দিন আগে