
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করা ডা. তাসনিম জারা মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান জারা।
এর আগে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা।
ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা লেখেন, ‘মনোনয়ন বাতিলের খবরে অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে ফোন করছেন। আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমরা আমাদের কাজ পূর্ণ উদ্যমে চালিয়ে যাচ্ছি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নিয়মকানুন থাকবেই। সেই আইনের প্রয়োগ হওয়া উচিত ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক, যাতে প্রকৃত জনপ্রতিনিধিরা লড়াইয়ের সুযোগ পান।’
তিনি লেখেন, যখন একজন প্রার্থীর পক্ষে মানুষের সমর্থন স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে, তখন ছোটোখাটো কারিগরি বিষয় দেখিয়ে তাকে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
জারা আরও লেখেন, আমরা আজকের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করছি এবং আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে অবিচল থাকবো।

ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করা ডা. তাসনিম জারা মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান জারা।
এর আগে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা।
ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা লেখেন, ‘মনোনয়ন বাতিলের খবরে অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে ফোন করছেন। আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমরা আমাদের কাজ পূর্ণ উদ্যমে চালিয়ে যাচ্ছি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নিয়মকানুন থাকবেই। সেই আইনের প্রয়োগ হওয়া উচিত ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক, যাতে প্রকৃত জনপ্রতিনিধিরা লড়াইয়ের সুযোগ পান।’
তিনি লেখেন, যখন একজন প্রার্থীর পক্ষে মানুষের সমর্থন স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে, তখন ছোটোখাটো কারিগরি বিষয় দেখিয়ে তাকে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
জারা আরও লেখেন, আমরা আজকের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করছি এবং আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে অবিচল থাকবো।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে