
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আলোচিত তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মুবিন চৌধুরী ও মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার মোট ১৪ হাজার ৪৮ ভোট পেয়েছেন। বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সিলেট-৬ আসনে সোনালি আঁশ প্রতীক নিয়ে ১০ হাজার ৮৫৮ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মুবিন চৌধুরী। আসনটিতে নৌকা প্রতীকে ৫০ হাজার ৯০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কানাডা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সরওয়ার হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঈগল প্রতীকে ৩৩ হাজার ৬০৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার পেয়েছেন ৩ হাজার ১৯০ ভোট। আসনটিতে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৩ ভোট পেয়ে চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান ভূঁইয়া কেটলী প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৭৫ ভোট।
১৩৫ আসনে প্রার্থী দেয় তৃণমূল বিএনপি। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চলাকালে দলের শীর্ষ নেতাদের অসহযোগিতার অভিযোগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ৬০ প্রার্থী। নির্বাচনের আগের দিন ও নির্বাচনের দিনেও দলটির কয়েকজন প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শমসের মবিন চৌধুরী ও বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান তৈমুর আলম খন্দকার। তারা দুজনই বিএনপির সাবেক নেতা। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করলেও তারা তৃনমূল বিএনপি নামে নতুন দলের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেয়। স্বপ্ন ছিল বিএনপি ভেঙে অনেক নেতা-কর্মী ভাগিয়ে এনে তৃণমূলকে শক্তিশালী করবেন। সংসদে প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসবেন তারা। তবে তাদের স্বপ্ন নির্বাচনে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
নির্বাচনে জয়ী হওয়া তো দূরের কথা, সামান্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাও গড়ে তুলতে পারেননি তারা। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের টপকে দ্বিতীয় ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। আর শমসের-তৈমুর হয়েছেন তৃতীয়।

আলোচিত তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মুবিন চৌধুরী ও মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার মোট ১৪ হাজার ৪৮ ভোট পেয়েছেন। বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সিলেট-৬ আসনে সোনালি আঁশ প্রতীক নিয়ে ১০ হাজার ৮৫৮ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মুবিন চৌধুরী। আসনটিতে নৌকা প্রতীকে ৫০ হাজার ৯০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কানাডা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সরওয়ার হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঈগল প্রতীকে ৩৩ হাজার ৬০৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার পেয়েছেন ৩ হাজার ১৯০ ভোট। আসনটিতে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৩ ভোট পেয়ে চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান ভূঁইয়া কেটলী প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৭৫ ভোট।
১৩৫ আসনে প্রার্থী দেয় তৃণমূল বিএনপি। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চলাকালে দলের শীর্ষ নেতাদের অসহযোগিতার অভিযোগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ৬০ প্রার্থী। নির্বাচনের আগের দিন ও নির্বাচনের দিনেও দলটির কয়েকজন প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শমসের মবিন চৌধুরী ও বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান তৈমুর আলম খন্দকার। তারা দুজনই বিএনপির সাবেক নেতা। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করলেও তারা তৃনমূল বিএনপি নামে নতুন দলের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেয়। স্বপ্ন ছিল বিএনপি ভেঙে অনেক নেতা-কর্মী ভাগিয়ে এনে তৃণমূলকে শক্তিশালী করবেন। সংসদে প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসবেন তারা। তবে তাদের স্বপ্ন নির্বাচনে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
নির্বাচনে জয়ী হওয়া তো দূরের কথা, সামান্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাও গড়ে তুলতে পারেননি তারা। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের টপকে দ্বিতীয় ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। আর শমসের-তৈমুর হয়েছেন তৃতীয়।

রাশেদ খান লিখেছেন, ‘বিরোধীদলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে। সাংগঠনিক সক্ষমতা না থাকার পরেও এনসিপিকে এতোগুলো আসন ও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দান করার মূলেই ছিলো জামায়াতের ৭১ এর অপরাধকে মোছার অপচেষ্টা করা। কিন্তু শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢা
১ দিন আগে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মূল স্লোগানই ছিল ‘রাষ্ট্র সংস্কার’ এবং একটি ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে’র সূচনা। আন্দোলন-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল, ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। সেই জাতী
১ দিন আগে
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রথমত, আইনে যেটা আছে, সেটা আছে। দ্বিতীয়ত, সরকার যেটা করেছে সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে (সংবিধানের) ব্যত্যয়ের কিছু ঘটেনি। সুতরাং আমরা যা করেছি, সাংবিধানিকভাবেই করেছি।’
২ দিন আগে
জনগণের গণরায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
২ দিন আগে