
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়। দেশ ও জাতির প্রয়োজন এবং স্বার্থে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাতে অন্য কারও শ্বাসকষ্টে ভোগার প্রয়োজন নেই।’
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান এ কথা লিখেছেন। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যখন বাংলাদেশে অংশগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা চলছে, তখন ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান জানালেন জামায়াতের আমির।
সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে অংশগ্রহণের বিষয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই চুক্তিতে বাংলাদেশকে যুক্ত করার প্রস্তাব এলে তা ‘ইতিবাচকভাবে’ বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ মক্কা চুক্তিতে যোগ দেবে কি না, তা নির্ভর করছে চুক্তিভুক্ত সদস্যদেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর। তারা বাংলাদেশকে এ চুক্তিতে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলে সরকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
এর আগে ২৪ আগস্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও বলেন, ‘মক্কা ডিফেন্স প্যাক্টে তো আমরা আগ্রহ প্রকাশ করছি। বললাম তো, বাংলাদেশ এখন ইজ আ কান্ট্রি অব রিকগনিশন (বাংলাদেশকে এখন সবাই গুরুত্ব দেয়) এবং একটা আগ্রহ আছে।’
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘মক্কা বাংলাদেশের হৃদয়ে, মানুষের হৃদয়ে। তো মানে ওখানে আমরা মিডল ইস্টে একটা মানে যদি হয় এমনও যে ইসলামিক নেশনসদের মধ্যে একটা সিকিউরিটি প্যাক্ট হয়, তাহলে ওখানে তো আর অস্বাভাবিক না যাওয়া। দেখা যাক কী হয়। আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছি।’
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কী?
গত কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে নানা সংকট চলছে। ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের পর ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এই পরিস্থিতিতে আরও জটিল করে তোলে।
এমন অবস্থায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সই হওয়া মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ভাবছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। কেননা এ চুক্তিতে বলা হয়েছে, জোটভুক্ত কোনো একটি দেশ সামরিক হামলার শিকার হলে তা সবগুলো দেশের ওপর হামলা বলে বিবেচিত হবে।
এই জোট গঠনের অন্যতম লক্ষ্য— চুক্তিতে সই করা কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশ তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে যাবে। অর্থাৎ এই চুক্তি বা জোটভুক্ত দেশগুলো একীভূত হয়ে তারা তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে একত্রে কাজে লাগবে।
এই চুক্তিতে সইয়ের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বলেছে, চুক্তিটি জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই চুক্তিতে একই সঙ্গে তিন দেশের সম্মিলিত নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ অঞ্চল ও তার বাইরের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে কোনো এক দেশ বিপদে পড়লে নির্দিষ্টসংখ্যক সেনা, যুদ্ধবিমান বা অস্ত্র মোতায়েনের বাধ্যবাধকতা কিংবা আক্রান্ত হলে কী ধরনের সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখাবে, সেটি নির্ধারিত হয়নি চুক্তিতে।
এক দেশ আক্রমণের শিকার হলে চুক্তিতে সই করা অন্য দেশের এগিয়ে আসার বিষয়টিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ন্যাটোর পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যৌথ প্রতিরক্ষা ধারার মতো ‘কার্যত একই’ বলে বর্ণনা করেছেন।
কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, যতক্ষণ না এটি বাস্তবে পরীক্ষিত হচ্ছে, যেমন— সৌদি আরবের ওপর যেকোনো আক্রমণের জবাবে পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে— ততক্ষণ পর্যন্ত এই চুক্তিকে একটি বাধ্যতামূলক ন্যাটো-ধাঁচের অঙ্গীকারের পরিবর্তে একটি ‘অভিপ্রায়ের ঘোষণা’ হিসেবে দেখা উচিত।
চলতি বছরের ১৯ মার্চ ইসলামি সম্মেলনের সময় সৌদি আরবের রিয়াদে তুরস্ক-পাকিস্তান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেন। সেখানে একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি কী রকম হতে পারে সেটি নিয়েও আলোচনা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগস্ট এই চুক্তিটি সই হয়েছে মক্কায়।
এই চুক্তি নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু এই তিনটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা নয়, বরং আরও বিস্তৃত হওয়া এবং সম্ভব হলে এমন একটি অবস্থা তৈরি করা, যেন একদিন এই অঞ্চলের সব দেশ এই ছাতার নিচে একত্রিত হতে পারে।

সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়। দেশ ও জাতির প্রয়োজন এবং স্বার্থে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাতে অন্য কারও শ্বাসকষ্টে ভোগার প্রয়োজন নেই।’
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান এ কথা লিখেছেন। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যখন বাংলাদেশে অংশগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা চলছে, তখন ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান জানালেন জামায়াতের আমির।
সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে অংশগ্রহণের বিষয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই চুক্তিতে বাংলাদেশকে যুক্ত করার প্রস্তাব এলে তা ‘ইতিবাচকভাবে’ বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ মক্কা চুক্তিতে যোগ দেবে কি না, তা নির্ভর করছে চুক্তিভুক্ত সদস্যদেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর। তারা বাংলাদেশকে এ চুক্তিতে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলে সরকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
এর আগে ২৪ আগস্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও বলেন, ‘মক্কা ডিফেন্স প্যাক্টে তো আমরা আগ্রহ প্রকাশ করছি। বললাম তো, বাংলাদেশ এখন ইজ আ কান্ট্রি অব রিকগনিশন (বাংলাদেশকে এখন সবাই গুরুত্ব দেয়) এবং একটা আগ্রহ আছে।’
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘মক্কা বাংলাদেশের হৃদয়ে, মানুষের হৃদয়ে। তো মানে ওখানে আমরা মিডল ইস্টে একটা মানে যদি হয় এমনও যে ইসলামিক নেশনসদের মধ্যে একটা সিকিউরিটি প্যাক্ট হয়, তাহলে ওখানে তো আর অস্বাভাবিক না যাওয়া। দেখা যাক কী হয়। আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছি।’
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কী?
গত কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে নানা সংকট চলছে। ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের পর ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এই পরিস্থিতিতে আরও জটিল করে তোলে।
এমন অবস্থায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সই হওয়া মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ভাবছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। কেননা এ চুক্তিতে বলা হয়েছে, জোটভুক্ত কোনো একটি দেশ সামরিক হামলার শিকার হলে তা সবগুলো দেশের ওপর হামলা বলে বিবেচিত হবে।
এই জোট গঠনের অন্যতম লক্ষ্য— চুক্তিতে সই করা কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশ তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে যাবে। অর্থাৎ এই চুক্তি বা জোটভুক্ত দেশগুলো একীভূত হয়ে তারা তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে একত্রে কাজে লাগবে।
এই চুক্তিতে সইয়ের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বলেছে, চুক্তিটি জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই চুক্তিতে একই সঙ্গে তিন দেশের সম্মিলিত নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ অঞ্চল ও তার বাইরের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে কোনো এক দেশ বিপদে পড়লে নির্দিষ্টসংখ্যক সেনা, যুদ্ধবিমান বা অস্ত্র মোতায়েনের বাধ্যবাধকতা কিংবা আক্রান্ত হলে কী ধরনের সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখাবে, সেটি নির্ধারিত হয়নি চুক্তিতে।
এক দেশ আক্রমণের শিকার হলে চুক্তিতে সই করা অন্য দেশের এগিয়ে আসার বিষয়টিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ন্যাটোর পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যৌথ প্রতিরক্ষা ধারার মতো ‘কার্যত একই’ বলে বর্ণনা করেছেন।
কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, যতক্ষণ না এটি বাস্তবে পরীক্ষিত হচ্ছে, যেমন— সৌদি আরবের ওপর যেকোনো আক্রমণের জবাবে পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে— ততক্ষণ পর্যন্ত এই চুক্তিকে একটি বাধ্যতামূলক ন্যাটো-ধাঁচের অঙ্গীকারের পরিবর্তে একটি ‘অভিপ্রায়ের ঘোষণা’ হিসেবে দেখা উচিত।
চলতি বছরের ১৯ মার্চ ইসলামি সম্মেলনের সময় সৌদি আরবের রিয়াদে তুরস্ক-পাকিস্তান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেন। সেখানে একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি কী রকম হতে পারে সেটি নিয়েও আলোচনা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগস্ট এই চুক্তিটি সই হয়েছে মক্কায়।
এই চুক্তি নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু এই তিনটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা নয়, বরং আরও বিস্তৃত হওয়া এবং সম্ভব হলে এমন একটি অবস্থা তৈরি করা, যেন একদিন এই অঞ্চলের সব দেশ এই ছাতার নিচে একত্রিত হতে পারে।

রাশেদ খান লিখেছেন, ‘বিরোধীদলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে। সাংগঠনিক সক্ষমতা না থাকার পরেও এনসিপিকে এতোগুলো আসন ও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দান করার মূলেই ছিলো জামায়াতের ৭১ এর অপরাধকে মোছার অপচেষ্টা করা। কিন্তু শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢা
১ দিন আগে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মূল স্লোগানই ছিল ‘রাষ্ট্র সংস্কার’ এবং একটি ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে’র সূচনা। আন্দোলন-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল, ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। সেই জাতী
১ দিন আগে
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রথমত, আইনে যেটা আছে, সেটা আছে। দ্বিতীয়ত, সরকার যেটা করেছে সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে (সংবিধানের) ব্যত্যয়ের কিছু ঘটেনি। সুতরাং আমরা যা করেছি, সাংবিধানিকভাবেই করেছি।’
২ দিন আগে
জনগণের গণরায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
২ দিন আগে