
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি তানিয়া রব বলেন, “সরকার বাস্তবতা বিবর্জিত একতরফা ‘বর্ডার বিহীন রাষ্ট্রের’ কথা বলে মূলত জাতি রাষ্ট্রের সীমানা অস্বীকার করে অন্যদেশের দখলদারিত্বকে উসকে দিচ্ছে- যা আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে চরমভাবে সাংঘর্ষিক।”
শুক্রবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ও নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টিকারী সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রতিবাদে পুরানা পল্টন মোড়ে ঢাকা মহানগর আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তানিয়া রব বলেন, “সরকার ভারতের সঙ্গে অসম সমঝোতা করে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকিতে ফেলছে। ক্ষমতাতৃষ্ণায় রাষ্ট্রকে অনিরাপদ করে সরকার নিজের ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে গিয়ে জাতীয় স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে। সীমাহীন ‘ক্ষমতাতৃষ্ণা’ এবং ‘ধনক্ষুধায়’ বুভুক্ষু সরকার উম্মাদ হয়ে পড়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ‘বিরাজিত অবস্থায় মুক্তি সংগ্রামের আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকারকে অবিলম্বে সকল ধরনের অপ্রয়োজনীয়, অনাবশ্যক ও অসম সমঝোতা স্মারক এবং চুক্তি বাতিল করে পারস্পরিক স্বার্থ ও মর্যাদার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে হবে।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মহানগর সমন্বয়ক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী। বক্তব্য রাখেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য এডভোকেট কেএম জাবির, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট সভাপতি মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জেএসডি) কেন্দ্রীয় সভাপতি তৌফিক উজ জামান পীরাচা প্রমুখ। উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে পরিচালনা করেন জেএসডির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক কামরুল আহসান অপু।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি তানিয়া রব বলেন, “সরকার বাস্তবতা বিবর্জিত একতরফা ‘বর্ডার বিহীন রাষ্ট্রের’ কথা বলে মূলত জাতি রাষ্ট্রের সীমানা অস্বীকার করে অন্যদেশের দখলদারিত্বকে উসকে দিচ্ছে- যা আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে চরমভাবে সাংঘর্ষিক।”
শুক্রবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ও নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টিকারী সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রতিবাদে পুরানা পল্টন মোড়ে ঢাকা মহানগর আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তানিয়া রব বলেন, “সরকার ভারতের সঙ্গে অসম সমঝোতা করে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকিতে ফেলছে। ক্ষমতাতৃষ্ণায় রাষ্ট্রকে অনিরাপদ করে সরকার নিজের ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে গিয়ে জাতীয় স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে। সীমাহীন ‘ক্ষমতাতৃষ্ণা’ এবং ‘ধনক্ষুধায়’ বুভুক্ষু সরকার উম্মাদ হয়ে পড়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ‘বিরাজিত অবস্থায় মুক্তি সংগ্রামের আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকারকে অবিলম্বে সকল ধরনের অপ্রয়োজনীয়, অনাবশ্যক ও অসম সমঝোতা স্মারক এবং চুক্তি বাতিল করে পারস্পরিক স্বার্থ ও মর্যাদার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে হবে।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মহানগর সমন্বয়ক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী। বক্তব্য রাখেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য এডভোকেট কেএম জাবির, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট সভাপতি মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জেএসডি) কেন্দ্রীয় সভাপতি তৌফিক উজ জামান পীরাচা প্রমুখ। উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে পরিচালনা করেন জেএসডির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক কামরুল আহসান অপু।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
৯ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
১১ ঘণ্টা আগে