
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেছেন, শুধুমাত্র একটি দলের ক্ষমতাকে রক্ষা করতে গিয়ে রাষ্ট্রকে মাংসের টুকরোর মতো ছিন্নভিন্ন করা হচ্ছে। রাষ্ট্রের এই অধঃপতন ৩০ লাখ মানুষের আত্মদানকে ন্যায্যতা দেয় না।
আজ শুক্রবার উন্নয়নের নামে ‘লুণ্ঠন’ এবং ‘দুঃশাসনের’ বিরুদ্ধে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সরকার দুর্নীতি ও লুণ্ঠনের পরিবেশ ও ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দিচ্ছে, আর তার বিনিময়ে প্রজাতন্ত্রের কিছু কর্মচারী অবৈধ নিষ্ঠুর ও নির্দয়প্রকৃতির স্বৈরশাসনকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের প্রশ্রয় এবং আস্কারা ছাড়া বেনজীরদের ন্যায় ফ্রানকেইনস্টাইনদের উত্থান কোনোক্রমেই সম্ভব নয়। সরকার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে গিয়ে রাষ্ট্রকে লুণ্ঠনজীবীদের হাতে তুলে দিয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দলীয় ও কায়েমি গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতে সরকার রাষ্ট্রকে হাস্যকর পর্যায়ে নিয়ে গেছে। সম্ভাব্য অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্ব এবং দুঃশাসনের যাতাকলে দেশের জনগণ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। হতাশায় জনগণের ক্ষোভ যেকোনো সময় ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে পারে। দুর্নীতিবাজ সরকার এবং দুর্নীতি ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা দুই টাকেই বিদায় করতে হবে; সুতরাং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত করতে পারলেই বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট নিরসন হতে পারে।’
দলের সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে অপব্যবহার করে যারা ব্যক্তিগত সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে সেই ভয়ঙ্কর অপরাধীদের দ্রুত বিচারে সোপর্দ করুন। কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রের চেয়ে বড় নয় এবং কেউ রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্যও নয়। রাষ্ট্র ও সমাজ এখন পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে।’
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সম্মুখে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দলের ঢাকা মহানগর সমন্বয়ক ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী। আরো বক্তব্য প্রদান করেন সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া, অ্যাডভোকেট কে এম জাবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাইনুর রহমান, মোশারফ হোসেন, মোশারফ হোসেন মন্টু, আব্দুল মান্নান মুন্সী, কামরুল আহসান অপু, আজম খান, আবুল কালাম, মো. শাহাবুদ্দিন, ফারজানা দিবা, ছাত্রলীগ নেতা মোসলেহ উদ্দিন বিজয়, নাহিদুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।
সভা সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনিরুজ্জামান মনির। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দৈনিক বাংলা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দও অংশগ্রহণ করেন।

জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেছেন, শুধুমাত্র একটি দলের ক্ষমতাকে রক্ষা করতে গিয়ে রাষ্ট্রকে মাংসের টুকরোর মতো ছিন্নভিন্ন করা হচ্ছে। রাষ্ট্রের এই অধঃপতন ৩০ লাখ মানুষের আত্মদানকে ন্যায্যতা দেয় না।
আজ শুক্রবার উন্নয়নের নামে ‘লুণ্ঠন’ এবং ‘দুঃশাসনের’ বিরুদ্ধে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সরকার দুর্নীতি ও লুণ্ঠনের পরিবেশ ও ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দিচ্ছে, আর তার বিনিময়ে প্রজাতন্ত্রের কিছু কর্মচারী অবৈধ নিষ্ঠুর ও নির্দয়প্রকৃতির স্বৈরশাসনকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের প্রশ্রয় এবং আস্কারা ছাড়া বেনজীরদের ন্যায় ফ্রানকেইনস্টাইনদের উত্থান কোনোক্রমেই সম্ভব নয়। সরকার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে গিয়ে রাষ্ট্রকে লুণ্ঠনজীবীদের হাতে তুলে দিয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দলীয় ও কায়েমি গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতে সরকার রাষ্ট্রকে হাস্যকর পর্যায়ে নিয়ে গেছে। সম্ভাব্য অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্ব এবং দুঃশাসনের যাতাকলে দেশের জনগণ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। হতাশায় জনগণের ক্ষোভ যেকোনো সময় ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে পারে। দুর্নীতিবাজ সরকার এবং দুর্নীতি ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা দুই টাকেই বিদায় করতে হবে; সুতরাং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত করতে পারলেই বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট নিরসন হতে পারে।’
দলের সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে অপব্যবহার করে যারা ব্যক্তিগত সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে সেই ভয়ঙ্কর অপরাধীদের দ্রুত বিচারে সোপর্দ করুন। কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রের চেয়ে বড় নয় এবং কেউ রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্যও নয়। রাষ্ট্র ও সমাজ এখন পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে।’
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সম্মুখে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দলের ঢাকা মহানগর সমন্বয়ক ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী। আরো বক্তব্য প্রদান করেন সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া, অ্যাডভোকেট কে এম জাবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাইনুর রহমান, মোশারফ হোসেন, মোশারফ হোসেন মন্টু, আব্দুল মান্নান মুন্সী, কামরুল আহসান অপু, আজম খান, আবুল কালাম, মো. শাহাবুদ্দিন, ফারজানা দিবা, ছাত্রলীগ নেতা মোসলেহ উদ্দিন বিজয়, নাহিদুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।
সভা সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনিরুজ্জামান মনির। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দৈনিক বাংলা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দও অংশগ্রহণ করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
১১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
১২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
১৩ ঘণ্টা আগে