
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রেশনিং চালু, টিসিবির পণ্য বিক্রি বাড়ানো ও সিন্ডিকেট ভেঙে দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতি থামানোর দাবিতে গণতন্ত্র মঞ্চের প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ।
আজ সোমবার (১৮ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তারা।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের মন্ত্রীরা বলছেন রাতারাতি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এই সরকারতো ২ মাস হলো ক্ষমতায় আসেনি। ১৫ বছর ধরে একটানা তারা ক্ষমতায় আছে। তাদের খুব কাছে থাকা বড় বড় ব্যবসায়ীগোষ্ঠী পুরো খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। সরকারের আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে থেকে সমস্ত আমদানি ও বিপনণের ওপর একক কতৃত্ব বজায় রাখে। তাদের তাদের লুটপাটের সুবিধার জন্যই সিন্ডিকেট ভাঙ্গার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ সরকার নেয় না।
তারা বলেন, সরকারের নিজস্ব আমদানি উদ্যোগের মাধ্যমে রেশনিং-এর ব্যবস্থা, টিসিবির মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যমূল্যে বিক্রি আওতা বাড়ানো, বেসরকারি পর্যায়ে উন্মুক্ত আমদানির পরিবেশ নিশ্চিত করা, পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ, শুল্ক কমানো ইত্যাদি পদক্ষেপে অপ্রতুলতা ও দীর্ঘসূত্রিতা চলতেই থাকে। এর সাথে আবার লুটপাটের অর্থ যোগান দেওয়ার জন্য গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির দাম বাড়িয়ে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে সরকার। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা।
বক্তারা আরো বলেন, জনগণ স্পষ্ট বুঝে গেছে সরকারি সিন্ডিকেটকে লালন পালন করছে। আর সে কারণে বিরোধীদের ওপর দায় চাপাতে সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলছেন সিন্ডিকেটের মধ্যে বিএনপির হাত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। আসলে সিন্ডিকেটকে কোলে বসিয়ে বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে সরকার। নতুন করে গণ বিক্ষোভ দমন করার জন্য ষড়যন্ত্রের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।
এ সময় বক্তারা সরকার ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে জনজীবনের সংকট নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
গণতন্ত্র মঞ্চের বর্তমান সমন্বয়ক এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি'র সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন। অবস্থান কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন,ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব আবু ইউসুফ সেলিম,জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী,গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া,রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাংগঠনিক সমম্বয়ক ইমরান ইমন এবং নাগরিক ঐক্যের দপ্তর সম্পাদক মহিদুজ্জামান মুহিদ। সভা পরিচালনা করেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য জুলহাসনাইন বাবু।

রেশনিং চালু, টিসিবির পণ্য বিক্রি বাড়ানো ও সিন্ডিকেট ভেঙে দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতি থামানোর দাবিতে গণতন্ত্র মঞ্চের প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ।
আজ সোমবার (১৮ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তারা।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের মন্ত্রীরা বলছেন রাতারাতি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এই সরকারতো ২ মাস হলো ক্ষমতায় আসেনি। ১৫ বছর ধরে একটানা তারা ক্ষমতায় আছে। তাদের খুব কাছে থাকা বড় বড় ব্যবসায়ীগোষ্ঠী পুরো খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। সরকারের আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে থেকে সমস্ত আমদানি ও বিপনণের ওপর একক কতৃত্ব বজায় রাখে। তাদের তাদের লুটপাটের সুবিধার জন্যই সিন্ডিকেট ভাঙ্গার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ সরকার নেয় না।
তারা বলেন, সরকারের নিজস্ব আমদানি উদ্যোগের মাধ্যমে রেশনিং-এর ব্যবস্থা, টিসিবির মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যমূল্যে বিক্রি আওতা বাড়ানো, বেসরকারি পর্যায়ে উন্মুক্ত আমদানির পরিবেশ নিশ্চিত করা, পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ, শুল্ক কমানো ইত্যাদি পদক্ষেপে অপ্রতুলতা ও দীর্ঘসূত্রিতা চলতেই থাকে। এর সাথে আবার লুটপাটের অর্থ যোগান দেওয়ার জন্য গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির দাম বাড়িয়ে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে সরকার। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা।
বক্তারা আরো বলেন, জনগণ স্পষ্ট বুঝে গেছে সরকারি সিন্ডিকেটকে লালন পালন করছে। আর সে কারণে বিরোধীদের ওপর দায় চাপাতে সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলছেন সিন্ডিকেটের মধ্যে বিএনপির হাত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। আসলে সিন্ডিকেটকে কোলে বসিয়ে বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে সরকার। নতুন করে গণ বিক্ষোভ দমন করার জন্য ষড়যন্ত্রের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।
এ সময় বক্তারা সরকার ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে জনজীবনের সংকট নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
গণতন্ত্র মঞ্চের বর্তমান সমন্বয়ক এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি'র সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন। অবস্থান কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন,ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব আবু ইউসুফ সেলিম,জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী,গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া,রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাংগঠনিক সমম্বয়ক ইমরান ইমন এবং নাগরিক ঐক্যের দপ্তর সম্পাদক মহিদুজ্জামান মুহিদ। সভা পরিচালনা করেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য জুলহাসনাইন বাবু।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
১৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
১৭ ঘণ্টা আগে