
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে সংঘটিত সহিংসতা ও হতাহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। শনিবার দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রাণহানি, অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনায় যারা যুক্ত তাদেরকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি বলেন, গত দুই দিনের ঘটনায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ তিন জেলার সাধারণ মানুষের জানমালের গুরুতর নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও আক্রান্ত হয়েছে।ভয় ও আতংকে জনজীবন অচল পড়েছে। বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল সাম্প্রদায়িক উসকানি সৃষ্টিরও অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। পাহাড়ে সহিংসতা চলতে দিলে তা দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
বিবৃতিতে সাইফুল হক বলেন, পার্বত্য তিন জেলার সংকটের কোন সামরিক সমাধান নেই; রাজনৈতিকভাবেই সংকটের সমাধান করতে হবে। আগেকার সরকারগুলোর জোর জবরদস্তি করে দমন করে শাসন করার নীতি কৌশল এখন পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি বলেন, পার্বত্য তিন জেলার পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও বাঙালীদের মধ্যকার অবিশ্বাস, অনাস্থা, অস্থিরতা ও বিরোধের রাজনৈতিক সমাধান বের করতে হবে। ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তি পাহাড়ে শান্তি আনতে পারেনি। গোটা শান্তিচুক্তির পর্যালোচনাও জরুরী হয়ে পড়েছে।
অনতিবিলম্বে পার্বত্য জেলাসমূহে সামরিক-বেসামরিক সকল ধরণের সহিংসতা বন্ধ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরী ভিত্তিতে কার্যকরি পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান সাইফুল হক।
একইসাথে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহের পুনর্বাসনেরও দাবি জানান তিনি।

খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে সংঘটিত সহিংসতা ও হতাহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। শনিবার দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রাণহানি, অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনায় যারা যুক্ত তাদেরকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি বলেন, গত দুই দিনের ঘটনায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ তিন জেলার সাধারণ মানুষের জানমালের গুরুতর নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও আক্রান্ত হয়েছে।ভয় ও আতংকে জনজীবন অচল পড়েছে। বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল সাম্প্রদায়িক উসকানি সৃষ্টিরও অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। পাহাড়ে সহিংসতা চলতে দিলে তা দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
বিবৃতিতে সাইফুল হক বলেন, পার্বত্য তিন জেলার সংকটের কোন সামরিক সমাধান নেই; রাজনৈতিকভাবেই সংকটের সমাধান করতে হবে। আগেকার সরকারগুলোর জোর জবরদস্তি করে দমন করে শাসন করার নীতি কৌশল এখন পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি বলেন, পার্বত্য তিন জেলার পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও বাঙালীদের মধ্যকার অবিশ্বাস, অনাস্থা, অস্থিরতা ও বিরোধের রাজনৈতিক সমাধান বের করতে হবে। ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তি পাহাড়ে শান্তি আনতে পারেনি। গোটা শান্তিচুক্তির পর্যালোচনাও জরুরী হয়ে পড়েছে।
অনতিবিলম্বে পার্বত্য জেলাসমূহে সামরিক-বেসামরিক সকল ধরণের সহিংসতা বন্ধ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরী ভিত্তিতে কার্যকরি পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান সাইফুল হক।
একইসাথে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহের পুনর্বাসনেরও দাবি জানান তিনি।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় ফরম বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। প্রার্থীরা ১২ এপ্রিলের মধ্যে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন বলে জানান তিনি।
১ দিন আগে
অর্থনীতি ও জ্বালানির বিকল্প হিসেবে ব্লু ইকোনমির কথা বলা হলেও, বাস্তবে কয়েকটি জাহাজ চলাচল ও মাছ আহরণের বাইরে এ খাতে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই।
১ দিন আগে
শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর ফটকে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ দাবি জানান দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
২ দিন আগে