
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনগণ ভোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে বলে মন্তব্য করে মঞ্চের নেতারা বলেছেন, সারাদেশে মানুষ ভোট দিতে যায়নি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নানা জোরজবরদস্তি, হুমকি-ধামকি দিয়েও ভোটকেন্দ্রে জনগণকে উপস্থিত করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন গণতন্ত্র আছে এটাই নাকি প্রমাণ করতে মানুষ ভোট দিতে আসবে! কিন্তু মানুষ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়ে দিয়েছে দেশে কোন নির্বাচন নাই, গণতন্ত্র নাই। জনগণ ভোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রোববার একতরফা নির্বাচন বর্জন করে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতারা এ সব কথা বলেন।
সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি'র সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন। সমাবেশ পরিচালনা করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমম্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু।
তারা বলেন, দেশের মানুষকে হুমকি ধমকি দিয়ে কিংবা প্রলোভন দেখিয়ে কিংবা হাতে-পায়ে ধরেও ভোট কেন্দ্রে আনতে পারেনি। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য দিয়েছেন, শতকরা ১ ভাগ ভোটার উপস্থিতি হলেও নির্বাচন আইনি বৈধতা পাবে! ফলে এর মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল নিজেই পরোক্ষভাবে স্বীকার করলেন ভোটাররা এই একতরফা, ডামি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি।
মঞ্চের নেতারা বলেন, ৭ জানুয়ারি যেমন ফেলানির লাশ কাটাটারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, তেমনি এই আওয়ামী লীগ সরকার ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশের জনগণকেও ঝুলিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু জনগণ এই সরকারের একতরফা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে নতুন গণ প্রতিরোধের সূচনা করেছেন। এই গণপ্রতিরোধের উপর দাঁড়িয়েই জনগণের আন্দোলনকে বিজয়ী করতে হবে।
তারা বলেন, নতুন করে বাংলাদেশের আইন, সংবিধান, বিচারব্যবস্থা সংস্কার করতে হবে। এই দেশকে স্বাধীন ও মর্যাদাবান নাগরিকের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এই ‘ভুয়া রাজনীত’, ‘ভুয়া সরকার’ এবং ‘মাফিয়াগোষ্ঠীর’ ক্ষমতা থেকে হঠিয়ে দিয়ে জনগণের দেশ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার রাজনীতিকে গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্র-সংবিধান, ক্ষমতাকাঠামো ইত্যাদির গণতান্ত্রিক সংস্কার করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপান্তরের লড়াইকেই সামনে আনতে হবে।
সমাবেশের পর একটি মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব হতে পল্টন হয়ে পুনরায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এসে শেষ হয়।

জনগণ ভোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে বলে মন্তব্য করে মঞ্চের নেতারা বলেছেন, সারাদেশে মানুষ ভোট দিতে যায়নি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নানা জোরজবরদস্তি, হুমকি-ধামকি দিয়েও ভোটকেন্দ্রে জনগণকে উপস্থিত করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন গণতন্ত্র আছে এটাই নাকি প্রমাণ করতে মানুষ ভোট দিতে আসবে! কিন্তু মানুষ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়ে দিয়েছে দেশে কোন নির্বাচন নাই, গণতন্ত্র নাই। জনগণ ভোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রোববার একতরফা নির্বাচন বর্জন করে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতারা এ সব কথা বলেন।
সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি'র সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন। সমাবেশ পরিচালনা করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমম্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু।
তারা বলেন, দেশের মানুষকে হুমকি ধমকি দিয়ে কিংবা প্রলোভন দেখিয়ে কিংবা হাতে-পায়ে ধরেও ভোট কেন্দ্রে আনতে পারেনি। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য দিয়েছেন, শতকরা ১ ভাগ ভোটার উপস্থিতি হলেও নির্বাচন আইনি বৈধতা পাবে! ফলে এর মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল নিজেই পরোক্ষভাবে স্বীকার করলেন ভোটাররা এই একতরফা, ডামি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি।
মঞ্চের নেতারা বলেন, ৭ জানুয়ারি যেমন ফেলানির লাশ কাটাটারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, তেমনি এই আওয়ামী লীগ সরকার ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশের জনগণকেও ঝুলিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু জনগণ এই সরকারের একতরফা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে নতুন গণ প্রতিরোধের সূচনা করেছেন। এই গণপ্রতিরোধের উপর দাঁড়িয়েই জনগণের আন্দোলনকে বিজয়ী করতে হবে।
তারা বলেন, নতুন করে বাংলাদেশের আইন, সংবিধান, বিচারব্যবস্থা সংস্কার করতে হবে। এই দেশকে স্বাধীন ও মর্যাদাবান নাগরিকের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এই ‘ভুয়া রাজনীত’, ‘ভুয়া সরকার’ এবং ‘মাফিয়াগোষ্ঠীর’ ক্ষমতা থেকে হঠিয়ে দিয়ে জনগণের দেশ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার রাজনীতিকে গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্র-সংবিধান, ক্ষমতাকাঠামো ইত্যাদির গণতান্ত্রিক সংস্কার করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপান্তরের লড়াইকেই সামনে আনতে হবে।
সমাবেশের পর একটি মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব হতে পল্টন হয়ে পুনরায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এসে শেষ হয়।

মানুষের মধ্যে হাম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলও হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।’
২১ ঘণ্টা আগে
এর আগে গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় ফরম বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। প্রার্থীরা ১২ এপ্রিলের মধ্যে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন বলে জানান তিনি।
২ দিন আগে
অর্থনীতি ও জ্বালানির বিকল্প হিসেবে ব্লু ইকোনমির কথা বলা হলেও, বাস্তবে কয়েকটি জাহাজ চলাচল ও মাছ আহরণের বাইরে এ খাতে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই।
২ দিন আগে
শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর ফটকে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ দাবি জানান দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
৩ দিন আগে