
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত সিনিয়র লিডার ফেলোশিপ প্রোগ্রাম (এসএলএফপি) সফলভাবে সমাপ্ত করায় দেশের প্রধান তিন দলের ১৯ জন সিনিয়র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান করা হয়েছে।
ইউএসএআইডি -এর স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ প্রকল্পের আওতায় সম্প্রতি (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত উচ্চমানের এই ফেলোশিপ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির আট জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেন। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশন্যালের বহুদলীয় উচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষণ (এসএলএফপি) সম্পন্ন করা এটি নবম ব্যাচ।
এই প্রোগ্রামটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আসা সিনিয়র নেতাদের জন্য জনগুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় অন্বেষণ ও চিন্তাভাবনা একত্রিত করে দেয়ার একটি শিক্ষামূলক প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই ফেলোশিপ কার্যক্রমটি নেতাদের মধ্যে বন্ধুত্বের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে এবং দলগত শিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের মূল্যবোধ গড়ে তোলে এবং তা সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার করে।
গ্রাজুয়েশনকৃত ফেলোরা গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলসমূহের ভূমিকা, দলীয় অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, ক্যাম্পেইন ম্যানেজমেন্ট, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং রাজনীতিতে নারীদের অন্তর্ভুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিবিড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছেন। এ পর্যন্ত তিন দলের ২২০ জন সিনিয়র নেতা এই এসএলএফপি গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন।
নবম ব্যাচের ১৯ ফেলোদের হাতে সনদ ও ক্রেস তুলে দেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চিফ অফ পার্টি ডানা এল. ওল্ডস। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান ও প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর ড. আব্দুল আলীম।
সমাপনী বক্তব্যে, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের এস পি এল প্রকল্পের চীফ অফ পার্টি ডানা এল ওল্ডস বলেন, “এটি একটি বিশেষ ব্যাচ কারণ এই ব্যাচে জেলার তিন রাজনৈতিক দলের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকরা অংশগ্রহণ করেছিলেন যারা নিজ নিজ জেলার প্রধান নেতা।”
তিনি আশা করেন, এই ফেলোশিপ কর্মসূচির পর তারা তাদের জেলায় ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে।
তিনি আরও আশা করেন, অংশগ্রহণকারীরা নারী ও যুবদের ক্ষমতায়নের জন্য উদ্যোগ নেবেন এবং প্রশিক্ষণ থেকে গড়ে ওঠা সুসম্পর্ক অব্যাহত রাখবেন।

নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত সিনিয়র লিডার ফেলোশিপ প্রোগ্রাম (এসএলএফপি) সফলভাবে সমাপ্ত করায় দেশের প্রধান তিন দলের ১৯ জন সিনিয়র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান করা হয়েছে।
ইউএসএআইডি -এর স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ প্রকল্পের আওতায় সম্প্রতি (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত উচ্চমানের এই ফেলোশিপ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির আট জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেন। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশন্যালের বহুদলীয় উচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষণ (এসএলএফপি) সম্পন্ন করা এটি নবম ব্যাচ।
এই প্রোগ্রামটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আসা সিনিয়র নেতাদের জন্য জনগুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় অন্বেষণ ও চিন্তাভাবনা একত্রিত করে দেয়ার একটি শিক্ষামূলক প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই ফেলোশিপ কার্যক্রমটি নেতাদের মধ্যে বন্ধুত্বের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে এবং দলগত শিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের মূল্যবোধ গড়ে তোলে এবং তা সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার করে।
গ্রাজুয়েশনকৃত ফেলোরা গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলসমূহের ভূমিকা, দলীয় অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, ক্যাম্পেইন ম্যানেজমেন্ট, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং রাজনীতিতে নারীদের অন্তর্ভুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিবিড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছেন। এ পর্যন্ত তিন দলের ২২০ জন সিনিয়র নেতা এই এসএলএফপি গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন।
নবম ব্যাচের ১৯ ফেলোদের হাতে সনদ ও ক্রেস তুলে দেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চিফ অফ পার্টি ডানা এল. ওল্ডস। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান ও প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর ড. আব্দুল আলীম।
সমাপনী বক্তব্যে, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের এস পি এল প্রকল্পের চীফ অফ পার্টি ডানা এল ওল্ডস বলেন, “এটি একটি বিশেষ ব্যাচ কারণ এই ব্যাচে জেলার তিন রাজনৈতিক দলের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকরা অংশগ্রহণ করেছিলেন যারা নিজ নিজ জেলার প্রধান নেতা।”
তিনি আশা করেন, এই ফেলোশিপ কর্মসূচির পর তারা তাদের জেলায় ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে।
তিনি আরও আশা করেন, অংশগ্রহণকারীরা নারী ও যুবদের ক্ষমতায়নের জন্য উদ্যোগ নেবেন এবং প্রশিক্ষণ থেকে গড়ে ওঠা সুসম্পর্ক অব্যাহত রাখবেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
১৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
১৫ ঘণ্টা আগে