
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও আওয়ামী লীগের প্রশ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘যে দলের প্রধানরা দেশের লাখ লাখ নেতাকর্মীদের ফেলে পালিয়ে যায়, তাদের এদেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।’
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে এনসিপি আয়োজিত এক পদযাত্রা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের সমালোচনা করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বেগমপাড়ায় আমাদের কোনো বাড়ি নেই, নেই কোনো গাড়ি। অথচ আমাদের মুরব্বিদের অনেকেরই সেখানে বাড়ি-গাড়ি রয়েছে। তাদের সন্তানরা বিদেশে পড়াশোনা করে, চিকিৎসা নিতে বিদেশে যায়। সাধারণ মানুষ দেশে চিকিৎসা নিলেও কিছু অসাধারণ মানুষ বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেয়। এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের যুবসমাজকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে হবে এবং সরকারি-বেসরকারি খাতে মেধাবীদের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এসএমই খাতকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে তিনি আগামী বাজেটে তরুণদের কর্মসংস্থান ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট দাবিগুলো অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।’
পুলিশ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও কথা বলেন এনসিপির এই নেতা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পুলিশকে ব্যবহার করে বিরোধী মতকে দমন করা হয়।
তিনি বলেন, ‘হাসিনার আমলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখার কারণে গ্রেপ্তার হতে হয়েছে। বর্তমান সময়েও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না।’
চৌদ্দগ্রাম সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় মাদক সমস্যাকে বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা দেশ ও জাতির শত্রু এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে। কিছু মাদক কারবারির সঙ্গে থানার অসাধু সদস্যদের সম্পর্ক রয়েছে, যা বন্ধে পুলিশ প্রশাসনকে আরও আধুনিক ও জবাবদিহিমূলক করার দাবি জানান তিনি।
জাতীয় যুব শক্তির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান রায়হানের সভাপতিত্বে এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন মজুমদারের সঞ্চালনায় আয়োজিত পদযাত্রায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাভীদ নওরোজ শাহ, জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী ইব্রাহিম খালেদ, নেতা মাসুমুল কাউছার, জাহিদুল তালুকদার, মো. হানিফ পাটোয়ারী ও আরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা।
রাজনীতি/একে

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও আওয়ামী লীগের প্রশ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘যে দলের প্রধানরা দেশের লাখ লাখ নেতাকর্মীদের ফেলে পালিয়ে যায়, তাদের এদেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।’
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে এনসিপি আয়োজিত এক পদযাত্রা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের সমালোচনা করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বেগমপাড়ায় আমাদের কোনো বাড়ি নেই, নেই কোনো গাড়ি। অথচ আমাদের মুরব্বিদের অনেকেরই সেখানে বাড়ি-গাড়ি রয়েছে। তাদের সন্তানরা বিদেশে পড়াশোনা করে, চিকিৎসা নিতে বিদেশে যায়। সাধারণ মানুষ দেশে চিকিৎসা নিলেও কিছু অসাধারণ মানুষ বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেয়। এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের যুবসমাজকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে হবে এবং সরকারি-বেসরকারি খাতে মেধাবীদের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এসএমই খাতকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে তিনি আগামী বাজেটে তরুণদের কর্মসংস্থান ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট দাবিগুলো অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।’
পুলিশ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও কথা বলেন এনসিপির এই নেতা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পুলিশকে ব্যবহার করে বিরোধী মতকে দমন করা হয়।
তিনি বলেন, ‘হাসিনার আমলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখার কারণে গ্রেপ্তার হতে হয়েছে। বর্তমান সময়েও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না।’
চৌদ্দগ্রাম সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় মাদক সমস্যাকে বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা দেশ ও জাতির শত্রু এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে। কিছু মাদক কারবারির সঙ্গে থানার অসাধু সদস্যদের সম্পর্ক রয়েছে, যা বন্ধে পুলিশ প্রশাসনকে আরও আধুনিক ও জবাবদিহিমূলক করার দাবি জানান তিনি।
জাতীয় যুব শক্তির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান রায়হানের সভাপতিত্বে এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন মজুমদারের সঞ্চালনায় আয়োজিত পদযাত্রায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাভীদ নওরোজ শাহ, জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী ইব্রাহিম খালেদ, নেতা মাসুমুল কাউছার, জাহিদুল তালুকদার, মো. হানিফ পাটোয়ারী ও আরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা।
রাজনীতি/একে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যে সকল কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এর প্রত্যেকটি কর্মসূচি হচ্ছে এই দেশের খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের স্বার্থে। আর এ লক্ষ্যেই আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে এ দেশ থেকে স্বৈরাচার হটিয়েছি। দেশের মানুষ এখন নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। এখন হচ্ছে আমাদের মানুষের ভাগ্য প
২ দিন আগে
বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেছেন, ‘আজকে জামায়াতের আমিরের বক্তব্য শুনে মনে হলো আমি গতকাল ঠিকই বলেছিলাম, জামায়াতে ইসলামী একটা অমানুষের দল!’
২ দিন আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন সংসদ থেকে রাজপথে ছড়িয়ে পড়বে।
২ দিন আগে
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, আমাদের বিচারব্যবস্থার প্রধান সমস্যা রাজনৈতিক প্রভাব ও হস্তক্ষেপ। উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে অনেক সময় রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করে বলে অনেক সময় বিচারের ক্ষেত্রে বিচারকেরা মনস্তাত্ত্বিক সংকটে ভোগেন। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে উপযুক্ত বিচ
৩ দিন আগে