
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি আছেন। সেখানে আরও ৩৬ ঘণ্টা তাকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে। এরপর তাকে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা।
শনিবার (৩০ আগস্ট) গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার সবশেষ হালনাগাদ এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নুরুল হক নুর যখন ব্রিফ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, এ সময় আচমকা পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে গিয়ে বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। এতে নুর গুরুতর আহত হন।
তাৎক্ষণিকভাবে নুরুল হক নুরকে কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে ঢামেক হাসপাতালে এনে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার রাত ৯টার দিকে দলের উচ্চ পরিষদের সদস্য আবু হানিফ বলেন, চিকিৎসকরা রাত ৮টায় জানিয়েছেন, আরও ৩৬ ঘণ্টা আইসিইউতে অবজারভেশনে থাকতে হবে তাকে। তারপর তার শারীরিক অবস্থা দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নুরুল হক নুরের শরীরে একাধিক জখম রয়েছে। তার নাকের হাড়ও ভেঙেছে। পার্টি অফিসের সামনে থেকে তাকে প্রায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। ছবি: ফোকাস বাংলা
এ ঘটনার পর শুক্রবার রাতেই সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছে গণঅধিকার পরিষদ। শনিবার সকালে থেকেও বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচি অব্যাহত ছিল। এর মধ্যে শনিবার সন্ধ্যার পর জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফের হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে, যার জন্য গণঅধিকার পরিষদকেই দায়ী করেছে জাতীয় পার্টি।
নুরুল হক নুরের ওপর এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রায় সব রাজনৈতিক দল। সরকারের পক্ষ থেকেও এ হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রয়োজনে নুরকে রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠিয়ে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া আলাদাভাবে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও খোঁজ নিয়েছেন নুরের।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, নুরের ওপর হামলার ঘটনাটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির মাধ্যমে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় বল প্রয়োগ নিয়ে শুক্রবার রাতেই এক বিবৃতিতে ব্যাখ্যা দিয়েছে আইএসপিআর। সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখার দায়িত্বে থাকা এ দপ্তরটি বলেছে, জননিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি আছেন। সেখানে আরও ৩৬ ঘণ্টা তাকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে। এরপর তাকে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা।
শনিবার (৩০ আগস্ট) গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার সবশেষ হালনাগাদ এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নুরুল হক নুর যখন ব্রিফ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, এ সময় আচমকা পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে গিয়ে বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। এতে নুর গুরুতর আহত হন।
তাৎক্ষণিকভাবে নুরুল হক নুরকে কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে ঢামেক হাসপাতালে এনে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার রাত ৯টার দিকে দলের উচ্চ পরিষদের সদস্য আবু হানিফ বলেন, চিকিৎসকরা রাত ৮টায় জানিয়েছেন, আরও ৩৬ ঘণ্টা আইসিইউতে অবজারভেশনে থাকতে হবে তাকে। তারপর তার শারীরিক অবস্থা দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নুরুল হক নুরের শরীরে একাধিক জখম রয়েছে। তার নাকের হাড়ও ভেঙেছে। পার্টি অফিসের সামনে থেকে তাকে প্রায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। ছবি: ফোকাস বাংলা
এ ঘটনার পর শুক্রবার রাতেই সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছে গণঅধিকার পরিষদ। শনিবার সকালে থেকেও বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচি অব্যাহত ছিল। এর মধ্যে শনিবার সন্ধ্যার পর জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফের হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে, যার জন্য গণঅধিকার পরিষদকেই দায়ী করেছে জাতীয় পার্টি।
নুরুল হক নুরের ওপর এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রায় সব রাজনৈতিক দল। সরকারের পক্ষ থেকেও এ হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রয়োজনে নুরকে রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠিয়ে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া আলাদাভাবে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও খোঁজ নিয়েছেন নুরের।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, নুরের ওপর হামলার ঘটনাটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির মাধ্যমে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় বল প্রয়োগ নিয়ে শুক্রবার রাতেই এক বিবৃতিতে ব্যাখ্যা দিয়েছে আইএসপিআর। সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখার দায়িত্বে থাকা এ দপ্তরটি বলেছে, জননিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।

বিরোধী দলের দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার ভালো কাজের উদ্যোগ নিলে জামায়াত সহযোগিতা করবে। তবে দেশের কোনো ক্ষতি হলে তারা নীরবে বসে থাকবে না, বরং প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
২ দিন আগে
নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৯ মে) দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপিসহ তিনটি সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। তারা এটাকে এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু জনগণের অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ এবং সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতেই সাংবিধানিক সংস্কার হতে হবে।’
২ দিন আগে
সফরকালে বিরোধীদলীয় নেতা গুরুতর আহতদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহতদের সর্বোচ্চ ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।
২ দিন আগে