
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের বিজয় হলে ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরের ইসিবি চত্বরে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
তারেক রহমান জানান, যেহেতু এটি একটি নির্বাচনি পথসভা, তাই মানুষের চলাচলে ভোগান্তি এড়াতে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখবেন।
তিনি বলেন, ‘আমি এই এলাকারই সন্তান। শৈশব, কৈশোর ও পারিবারিক জীবনের বড় একটি সময় এই এলাকাতেই কেটেছে। আমার সন্তানের জন্মও এই এলাকায় হয়েছে।’ তার ও তার ভাইয়ের বিয়েও এখানেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনাদের দোয়া ও আল্লাহর রহমতে যদি ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে শুধু ঢাকা-১৭ আসন নয়, বরং সমগ্র ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে। এতে আমাদের সন্তানরা খোলা মাঠে খেলাধুলার সুযোগ পাবে এবং মুরুব্বি, মা-বোনেরা প্রয়োজন অনুযায়ী সময় মাঠে হাঁটাচলা করতে পারবেন।’
এলাকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘যে সড়কটি রয়েছে, তা দীর্ঘদিন ধরেই প্রশস্তকরণের দাবি রয়েছে।’ বিএনপি সরকার গঠন করলে মানুষের বসবাস ও নির্বিঘ্ন চলাচলের স্বার্থে ওই সড়কের প্রসার ঘটানো হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
পথসভার শেষ পর্যায়ে এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনাদের বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন সবার কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাবেন, ১২ তারিখ ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য। আমি এই এলাকার সন্তান, আপনাদেরই সন্তান। ছোটবেলা থেকে এই এলাকায় বড় হয়েছি। তাই এই এলাকার মানুষের সেবা করার সুযোগ আমাকে দিন।’
শেষে তিনি দেশবাসী ও এলাকাবাসীর কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, সুযোগ পেলে শুধু এই এলাকা নয়, সমগ্র বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করব।’

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের বিজয় হলে ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরের ইসিবি চত্বরে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
তারেক রহমান জানান, যেহেতু এটি একটি নির্বাচনি পথসভা, তাই মানুষের চলাচলে ভোগান্তি এড়াতে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখবেন।
তিনি বলেন, ‘আমি এই এলাকারই সন্তান। শৈশব, কৈশোর ও পারিবারিক জীবনের বড় একটি সময় এই এলাকাতেই কেটেছে। আমার সন্তানের জন্মও এই এলাকায় হয়েছে।’ তার ও তার ভাইয়ের বিয়েও এখানেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনাদের দোয়া ও আল্লাহর রহমতে যদি ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে শুধু ঢাকা-১৭ আসন নয়, বরং সমগ্র ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে। এতে আমাদের সন্তানরা খোলা মাঠে খেলাধুলার সুযোগ পাবে এবং মুরুব্বি, মা-বোনেরা প্রয়োজন অনুযায়ী সময় মাঠে হাঁটাচলা করতে পারবেন।’
এলাকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘যে সড়কটি রয়েছে, তা দীর্ঘদিন ধরেই প্রশস্তকরণের দাবি রয়েছে।’ বিএনপি সরকার গঠন করলে মানুষের বসবাস ও নির্বিঘ্ন চলাচলের স্বার্থে ওই সড়কের প্রসার ঘটানো হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
পথসভার শেষ পর্যায়ে এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনাদের বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন সবার কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাবেন, ১২ তারিখ ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য। আমি এই এলাকার সন্তান, আপনাদেরই সন্তান। ছোটবেলা থেকে এই এলাকায় বড় হয়েছি। তাই এই এলাকার মানুষের সেবা করার সুযোগ আমাকে দিন।’
শেষে তিনি দেশবাসী ও এলাকাবাসীর কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, সুযোগ পেলে শুধু এই এলাকা নয়, সমগ্র বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করব।’

জাইমা রহমান বলেন, ‘পলিসি লেভেলে নারীরা না থাকলে পলিসি প্রণয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে না। রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্ররাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতি পর্যন্ত নারী রাজনীতিবিদদের ধারাবাহিকতা না থাকা নারীরা হারিয়ে যায়। কাজেই নারী রাজনৈতিক কর্মী তৈরিতে পাইপলাইনের দিকে নজর দিতে হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১১ আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, এই অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা আমরা নিশ্চিত করব। যে সব মানুষ ভূমি হারিয়েছে, তাদের ভূমি আমরা ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, দেশ স্বাধীনের পর, দেশ স্বাধীনের আগে বিভিন্ন সময় তারা বিভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। এই বহুরূপ ধারণকারীরা আজ বিভিন্ন জায়গায় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, পুলিশের হামলায় কালের কণ্ঠ, আরটিএনএন, যুগান্তর, মাইটিভি ও জাগরণ নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের অন্তত ১৫ জন সাংবাদিক আহত হন, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রাখতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এ
২১ ঘণ্টা আগে