
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এই তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের ইসি কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য মনোনীতদের জন্য নমিনেশন পেপার সাবমিট করা হবে।’
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়ছে। এ হিসেবে জোটটি ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে। প্রাপ্ত আসন অনুপাতে ৬৮টি আসনের বিপরীতে এককভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১২টি এবং এনসিপির একটি আসনে প্রার্থী মনোনীত করার কথা ছিল।
তবে জামায়াতের ১২ আসন থেকে তিনটি শরিকদের ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আব্দুল হালিম এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘জোটসঙ্গীদের ত্যাগ ও নিষ্ঠার মূল্যায়নে ১২টি আসনের মধ্যে জোটের শরিক এনসিপি, জাগপা এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে তিনটি আসন দেওয়া হয়েছে। জামায়াত ৯টি আসন নেবে।’
১১ দলীয় ঐক্যের চূড়ান্ত তালিকায় থাকা জামায়াতের ৯ নারী হলেন— মহিলা জামায়াত সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, আইন ও মানবসম্পদ বিভাগীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী, প্রচার ও সাহিত্য-সংস্কৃতিবিষয়ক সেক্রেটারি নাজমুন নাহার নিলু, কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও বগুড়া অঞ্চল পরিচারিকা সাজেদা সামাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলা উত্তর সেক্রেটারি শামসুন্নাহার বেগম এবং নারী অধিকার অন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ। এ ছাড়া ‘জুলাই শহিদ’ জাবির ইব্রাহীমের মা রোকেয়া বেগমকেও জামায়াতের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের তালিকায় রাখা হয়েছে।
অপরদিকে জামায়াতের ছেড়ে দেওয়া তিনটি আসনে এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু, জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে প্রকৌশলী মাহবুবা হাকিমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
এর আগে জামায়াতের দলীয় সূত্র জানিয়েছিল, সরাসরি নির্বাচিত এমপিদের পরিবারের কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না, সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় ও যোগ্য নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ ছাড়া যেসব এলাকায় দলের পুরুষ প্রার্থীরা জয়ী হতে পারেননি, রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সেসব এলাকার যোগ্য নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
প্রার্থী চূড়ান্ত করার পরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সূত্র বলছে, সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে অনেক যাচাই-বাছাই ও আলোচনা করা হয়েছে, কোনো নেতার কোটা রাখা হয়নি। দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রীর নামও আলোচনায় ছিল, কিন্তু তাকেও চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এই তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের ইসি কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য মনোনীতদের জন্য নমিনেশন পেপার সাবমিট করা হবে।’
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়ছে। এ হিসেবে জোটটি ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে। প্রাপ্ত আসন অনুপাতে ৬৮টি আসনের বিপরীতে এককভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১২টি এবং এনসিপির একটি আসনে প্রার্থী মনোনীত করার কথা ছিল।
তবে জামায়াতের ১২ আসন থেকে তিনটি শরিকদের ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আব্দুল হালিম এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘জোটসঙ্গীদের ত্যাগ ও নিষ্ঠার মূল্যায়নে ১২টি আসনের মধ্যে জোটের শরিক এনসিপি, জাগপা এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে তিনটি আসন দেওয়া হয়েছে। জামায়াত ৯টি আসন নেবে।’
১১ দলীয় ঐক্যের চূড়ান্ত তালিকায় থাকা জামায়াতের ৯ নারী হলেন— মহিলা জামায়াত সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, আইন ও মানবসম্পদ বিভাগীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী, প্রচার ও সাহিত্য-সংস্কৃতিবিষয়ক সেক্রেটারি নাজমুন নাহার নিলু, কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও বগুড়া অঞ্চল পরিচারিকা সাজেদা সামাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলা উত্তর সেক্রেটারি শামসুন্নাহার বেগম এবং নারী অধিকার অন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ। এ ছাড়া ‘জুলাই শহিদ’ জাবির ইব্রাহীমের মা রোকেয়া বেগমকেও জামায়াতের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের তালিকায় রাখা হয়েছে।
অপরদিকে জামায়াতের ছেড়ে দেওয়া তিনটি আসনে এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু, জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে প্রকৌশলী মাহবুবা হাকিমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
এর আগে জামায়াতের দলীয় সূত্র জানিয়েছিল, সরাসরি নির্বাচিত এমপিদের পরিবারের কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না, সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় ও যোগ্য নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ ছাড়া যেসব এলাকায় দলের পুরুষ প্রার্থীরা জয়ী হতে পারেননি, রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সেসব এলাকার যোগ্য নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
প্রার্থী চূড়ান্ত করার পরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সূত্র বলছে, সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে অনেক যাচাই-বাছাই ও আলোচনা করা হয়েছে, কোনো নেতার কোটা রাখা হয়নি। দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রীর নামও আলোচনায় ছিল, কিন্তু তাকেও চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়নি।

দেশে আর কোনো দিন মব হবে না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের এমন ঘোষণা দেওয়ার পরেও একটির পর একটি মবের ঘটনা ঘটে চলেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
৩ ঘণ্টা আগে
মনোনয়ন তালিকায় একঝাঁক নতুন ও ত্যাগী নেত্রীর স্থান মিললেও বাদ পড়েছেন রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত একাধিক হেভিওয়েট নেত্রী ও তারকা প্রার্থী। এ নিয়ে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন, নানা আলোচনা-সমালোচনা।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মনোনয়ন পাওয়া তালিকায় রয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী মানছুরা আক্তার।
৭ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগী ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেত্রীদের পাশাপাশি একঝাঁক নতুন মুখকেও এবারের মনোনয়ন তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে