
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জামায়াত নেতাদের বিভিন্ন দেশের সাথে বৈঠকের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘জামায়াতের নেতৃবৃন্দ গোপনে আমেরিকা ও ভারতের সাথে বৈঠক করেছেন। এখন বৈঠক করবেন বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাস ও কূটনীতিকদের সঙ্গে। বৈঠক করেন কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু গোপনে কেন? এটা আমাদের চিন্তিত করেছে। নিশ্চয় এর মধ্যে ষড়যন্ত্র রয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) শেরপুর-৩ আসনে দলীয় প্রার্থী মুফতি আবু তালেব মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের সমর্থনে আয়োজিত শ্রীবরদী উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড মাঠে নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জোট ত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে রেজাউল করিম বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশে যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, সেটিকে আমরা ইসলামের একটি বাক্স মনে করেছিলাম। কিন্তু আজ জোট থেকে আমরা আলাদা হয়েছি, কারণ সেই ইসলামের বাক্সটি ছিনতাই করে নেওয়া হয়েছে।’ পশ্চিমা ধাঁচের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ‘আমরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চাই ইসলামী নিয়ম-আদর্শ অনুযায়ী। কিন্তু তারা যে নিয়মনীতি চালু করতে চায়, তা আমেরিকার নিয়মনীতি। এসব নীতিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয় না। এটি সম্পূর্ণ ধোঁকাবাজি। আমরা যে কারণে একসঙ্গে ছিলাম, সেই কারণেই জোট থেকে বেরিয়ে এসেছি।’ ইসলামী আন্দোলনের আমির দৃঢ়তার সঙ্গে জানান যে, তারা একা হয়ে যাননি বরং মহান আল্লাহ এবং দেশপ্রেমিক জনগণ তাদের পাশে রয়েছে।
উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি খন্দকার মাওলানা মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং মুফতি শহিদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বহু নেতাকর্মী বক্তব্য প্রদান করেন। চরমোনাই পীরের ভাষণ শেষে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী আবু তালেব মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিশাল পথমিছিল বের করা হয়, যা শ্রীবরদী বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলের মাধ্যমে হাতপাখা প্রতীকের সমর্থনে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে একটি প্রকৃত ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করার মাধ্যমেই সভার কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জামায়াত নেতাদের বিভিন্ন দেশের সাথে বৈঠকের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘জামায়াতের নেতৃবৃন্দ গোপনে আমেরিকা ও ভারতের সাথে বৈঠক করেছেন। এখন বৈঠক করবেন বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাস ও কূটনীতিকদের সঙ্গে। বৈঠক করেন কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু গোপনে কেন? এটা আমাদের চিন্তিত করেছে। নিশ্চয় এর মধ্যে ষড়যন্ত্র রয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) শেরপুর-৩ আসনে দলীয় প্রার্থী মুফতি আবু তালেব মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের সমর্থনে আয়োজিত শ্রীবরদী উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড মাঠে নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জোট ত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে রেজাউল করিম বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশে যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, সেটিকে আমরা ইসলামের একটি বাক্স মনে করেছিলাম। কিন্তু আজ জোট থেকে আমরা আলাদা হয়েছি, কারণ সেই ইসলামের বাক্সটি ছিনতাই করে নেওয়া হয়েছে।’ পশ্চিমা ধাঁচের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ‘আমরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চাই ইসলামী নিয়ম-আদর্শ অনুযায়ী। কিন্তু তারা যে নিয়মনীতি চালু করতে চায়, তা আমেরিকার নিয়মনীতি। এসব নীতিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয় না। এটি সম্পূর্ণ ধোঁকাবাজি। আমরা যে কারণে একসঙ্গে ছিলাম, সেই কারণেই জোট থেকে বেরিয়ে এসেছি।’ ইসলামী আন্দোলনের আমির দৃঢ়তার সঙ্গে জানান যে, তারা একা হয়ে যাননি বরং মহান আল্লাহ এবং দেশপ্রেমিক জনগণ তাদের পাশে রয়েছে।
উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি খন্দকার মাওলানা মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং মুফতি শহিদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বহু নেতাকর্মী বক্তব্য প্রদান করেন। চরমোনাই পীরের ভাষণ শেষে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী আবু তালেব মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিশাল পথমিছিল বের করা হয়, যা শ্রীবরদী বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলের মাধ্যমে হাতপাখা প্রতীকের সমর্থনে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে একটি প্রকৃত ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করার মাধ্যমেই সভার কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে