
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলীয়ভাবে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, সে হিসাব তুলে ধরেছে দলটি।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয় বিবরণীতে জামায়াত জানায়, নির্বাচনে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ২২৭টি আসনে প্রার্থী দেয়। নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দুই শতাধিক আসনে প্রার্থী দিলে কোনো দল নির্বাচনে সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দলীয়ভাবে ইসিতে জমা দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীদের অনুদান দিয়েছে চার কোটি টাকা।
বাকি অর্থ ব্যয় হয়েছে নির্বাচনী ইশতেহার ছাপা, সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, আপ্যায়ন, কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্বাচনী সফর, বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন খাতে।
হিসাব বিবরণীতে বলা হয়, নির্বাচনী প্রচারণায় ২০ লাখ ৯০ হাজার ৮২৭ টাকা, পরিবহন খাতে আট হাজার ৭০০ টাকা, জনসভা ও সফর বাবদ ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৫৯৯ টাকা, স্টাফ খরচ দুই লাখ ৮৫ হাজার ৯০২ টাকা এবং আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯৪৪ টাকা ব্যয় করেছে দলটি। এছাড়া বিবিধ খরচ হিসেবে আরও দুই লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৮টি আসন পেয়েছিল, যা দলটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়া জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক এনসিপি ছয়টি আসন পায়।
রাজনীতি/এসআই
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলীয়ভাবে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, সে হিসাব তুলে ধরেছে দলটি।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয় বিবরণীতে জামায়াত জানায়, নির্বাচনে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ২২৭টি আসনে প্রার্থী দেয়। নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দুই শতাধিক আসনে প্রার্থী দিলে কোনো দল নির্বাচনে সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দলীয়ভাবে ইসিতে জমা দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীদের অনুদান দিয়েছে চার কোটি টাকা।
বাকি অর্থ ব্যয় হয়েছে নির্বাচনী ইশতেহার ছাপা, সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, আপ্যায়ন, কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্বাচনী সফর, বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন খাতে।
হিসাব বিবরণীতে বলা হয়, নির্বাচনী প্রচারণায় ২০ লাখ ৯০ হাজার ৮২৭ টাকা, পরিবহন খাতে আট হাজার ৭০০ টাকা, জনসভা ও সফর বাবদ ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৫৯৯ টাকা, স্টাফ খরচ দুই লাখ ৮৫ হাজার ৯০২ টাকা এবং আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯৪৪ টাকা ব্যয় করেছে দলটি। এছাড়া বিবিধ খরচ হিসেবে আরও দুই লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৮টি আসন পেয়েছিল, যা দলটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়া জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক এনসিপি ছয়টি আসন পায়।
রাজনীতি/এসআই

পরিবারের সদস্যদের আগ্রহ ঈদের আগে মির্জা আব্বাসকে দেশে নিয়ে আসা। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
১ দিন আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০৩৬ সালের মধ্যে জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকারি দল হওয়ার স্বপ্ন দেখে বলে জানিয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই জোটের আশায় বসে না থেকে এককভাবে দেশব্যাপী দলীয় সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
এই দুজনের প্রার্থিতা ঘিরে দুজনের দলের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা। আলোচনা চলছে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও। এনসিপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনলাইন-অফলাইনে কথার লড়াইও থেমে নেই। ফলে দুজনের প্রার্থিতা জোটবদ্ধ হয়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর সংসদের জোটবদ্ধ থাকা জামায়াত ও এনসিপির সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব
১ দিন আগে
ক্ষমতাসীন দল বিএনপির ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দাবি, ছাত্রশিবিরের মদতেই ‘ছাত্ররাজনীতি বন্ধে’র ইস্যু সামনে আনা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, শিবির-সমর্থকরা দলীয় পরিচয় আড়াল করে ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তারের কৌশল হিসেবে এ দাবি উসকে দিচ্ছে।
২ দিন আগে