
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড (দাসেরকান্দি) শাখার সভাপতি গাজী নাসির উদ্দিন, ব্যবসায়ী কাজী আক্তার হোসেন ও কাজী খালেদ হোসেনসহ ১০ জন নেতাকর্মী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। রাজধানীর খিলগাঁওয়ে এই যোগদান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মহানগর উত্তর জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারি ইমন আশরাফ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কবির আহমদ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খিলগাঁও পুর্ব থানা আমির মাওলানা মাহমুদুর রহমান।
এদিকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ১১ দলীয় জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বের হয়ে যাওয়ার পর জরুরি বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের পর জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াতে ইসলামী ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের বিষয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। ইসলামী আন্দোলন যদি না ফেরে, তাহলে বাকি ৪৭টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করবে অন্য দলগুলো।
তিনি আরও বলেন, আজকের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে নির্বাচনি সফর চূড়ান্ত করা হবে। এছাড়া নির্বাচনি নীতিনির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা চলছে। সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে ২০ জানুয়ারি।
সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল ওলি আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলারও নিন্দা জানান জুবায়ের। এ ছাড়া দ্রুত এই মামলাটি প্রত্যাহারের আহ্বানও জানান তিনি।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ২৫৩ আসনে সমঝোতার ঘোষণা দেয় জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১০ দল। এর মধ্যে নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসন থেকে লড়বে, এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি ও এলডিপি ৭টি আসনে লড়বে।
এ ছাড়া এই জোটের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে লড়বে।
এদিকে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে জামায়াতের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে ২৬৮ আসনে একক নির্বাচন করার ঘোষণা দেয় ইসলামী আন্দোলন। বাকি ৩২ আসনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি বাদে সমমনা দলগুলোর প্রার্থীদের সমর্থনের কথা জানায় দলটি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড (দাসেরকান্দি) শাখার সভাপতি গাজী নাসির উদ্দিন, ব্যবসায়ী কাজী আক্তার হোসেন ও কাজী খালেদ হোসেনসহ ১০ জন নেতাকর্মী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। রাজধানীর খিলগাঁওয়ে এই যোগদান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মহানগর উত্তর জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারি ইমন আশরাফ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কবির আহমদ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খিলগাঁও পুর্ব থানা আমির মাওলানা মাহমুদুর রহমান।
এদিকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ১১ দলীয় জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বের হয়ে যাওয়ার পর জরুরি বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের পর জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াতে ইসলামী ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের বিষয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। ইসলামী আন্দোলন যদি না ফেরে, তাহলে বাকি ৪৭টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করবে অন্য দলগুলো।
তিনি আরও বলেন, আজকের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে নির্বাচনি সফর চূড়ান্ত করা হবে। এছাড়া নির্বাচনি নীতিনির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা চলছে। সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে ২০ জানুয়ারি।
সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল ওলি আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলারও নিন্দা জানান জুবায়ের। এ ছাড়া দ্রুত এই মামলাটি প্রত্যাহারের আহ্বানও জানান তিনি।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ২৫৩ আসনে সমঝোতার ঘোষণা দেয় জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১০ দল। এর মধ্যে নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসন থেকে লড়বে, এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি ও এলডিপি ৭টি আসনে লড়বে।
এ ছাড়া এই জোটের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে লড়বে।
এদিকে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে জামায়াতের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে ২৬৮ আসনে একক নির্বাচন করার ঘোষণা দেয় ইসলামী আন্দোলন। বাকি ৩২ আসনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি বাদে সমমনা দলগুলোর প্রার্থীদের সমর্থনের কথা জানায় দলটি।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে