
জবি প্রতিনিধি

প্রথম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থীরা। এ নির্বাচনে ভিপি পদে জয় পেয়েছেন মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ ও এজিএস পদে মাসুদ রানা।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে জকসুর ৩৯টি কেন্দ্রের ফলাফল এক করার পর চূড়ান্তভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনাররা।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম পাঁচ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ-সমর্থিত প্যানেলের এ কে এম রাকিব পেয়েছেন চার হাজার ৬৮৮ ভোট।
জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ পাঁচ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন দুই হাজার ২০৩ ভোট।
এজিএস পদে ছাত্রশিবিরের মাসুদ রানা পাঁচ হাজার ২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এ পদে ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের বি এম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন তিন হাজার ৯৪৪ ভোট।
এর আগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১৬ হাজার ৬৪৫ জন। নির্বাচন কমিশন সূত্রমতে, নির্বাচনে হল সংসদে ৭৫ শতাংশ ও কেন্দ্রীয় সংসদে ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে।
মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে গণনা শুরু হলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে মাঝে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা গণনা বন্ধ থাকে। পরে পুনরায় গণনা শুরু হয় এবং এক দিন পর বুধবার দিবাগত মধ্যরাত পেরিয়ে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

প্রথম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থীরা। এ নির্বাচনে ভিপি পদে জয় পেয়েছেন মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ ও এজিএস পদে মাসুদ রানা।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে জকসুর ৩৯টি কেন্দ্রের ফলাফল এক করার পর চূড়ান্তভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনাররা।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম পাঁচ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ-সমর্থিত প্যানেলের এ কে এম রাকিব পেয়েছেন চার হাজার ৬৮৮ ভোট।
জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ পাঁচ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন দুই হাজার ২০৩ ভোট।
এজিএস পদে ছাত্রশিবিরের মাসুদ রানা পাঁচ হাজার ২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এ পদে ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের বি এম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন তিন হাজার ৯৪৪ ভোট।
এর আগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১৬ হাজার ৬৪৫ জন। নির্বাচন কমিশন সূত্রমতে, নির্বাচনে হল সংসদে ৭৫ শতাংশ ও কেন্দ্রীয় সংসদে ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে।
মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে গণনা শুরু হলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে মাঝে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা গণনা বন্ধ থাকে। পরে পুনরায় গণনা শুরু হয় এবং এক দিন পর বুধবার দিবাগত মধ্যরাত পেরিয়ে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

তিনি বলেন, ‘আজকেই নির্দেশনা দিয়েছি। বিশেষ করে ডিএমপিসহ অন্যান্য মেট্রো এলাকায় যারা এ রকম চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, তাদেরকে অতি শিগগির যদি আমরা হেফাজতে না নিতে পারি, আইনের আওতায় না আনতে পারি, তাহলে যারা যারা ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২ দিন আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে দাবি জানান ওবায়দুর।
২ দিন আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২-এর সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
২ দিন আগে
শুক্রবার মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হওয়া মন্ত্রীদের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও। তিনি মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ছয় মাসের যাত্রায় ‘পদোন্নতি’ পেলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি, একই মন্ত্রণালয়ে তাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দে
২ দিন আগে