
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই সনদ নিয়ে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সংসদের পাশাপাশি ও সংসদের বাইরেও আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব কণ্ঠাভোটে পাস হলে অধিবেশন থেকে জামায়াতে ইসলামী ওয়াকআউট করার পর গণমাধ্যমে এ কথা বলেন তিনি।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, যারা এখন সংসদে আছেন তারা সবাই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুটি করে ভোট (সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের গণভোট) দিয়েছেন। যারা সরকারে আছেন তারাও দিয়েছেন। তারা বলেছিলেন, ক্ষমতায় এলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু এখন তারা, সেটি মানছেন না।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করব না। আমার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তা বাস্তবায়ন করব। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সংসদ ও সংসদের বাইরে আমাদের আন্দোলন চলবে। আমরা চাই সরকারি দল প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গণভোটের রায় বস্তবায়ন করুক।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে এ কমিটিতে বিএনপি, গণসংহতি আন্দোলন, বিজেপি, গণঅধিকার পরিষদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ১১ জনকে সদস্য করা হয়েছে।
চিফ হুইপ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন, বিরোধী দল থেকে এ কমিটিতে পাঁচজনকে রাখা হবে। তাদের নাম বিরোধী দলকে প্রস্তাব করতে বলেন তিনি। পরে প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে পাস হলে কমিটিতে নাম দেবে না জানিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।

জুলাই সনদ নিয়ে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সংসদের পাশাপাশি ও সংসদের বাইরেও আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব কণ্ঠাভোটে পাস হলে অধিবেশন থেকে জামায়াতে ইসলামী ওয়াকআউট করার পর গণমাধ্যমে এ কথা বলেন তিনি।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, যারা এখন সংসদে আছেন তারা সবাই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুটি করে ভোট (সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের গণভোট) দিয়েছেন। যারা সরকারে আছেন তারাও দিয়েছেন। তারা বলেছিলেন, ক্ষমতায় এলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু এখন তারা, সেটি মানছেন না।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করব না। আমার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তা বাস্তবায়ন করব। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সংসদ ও সংসদের বাইরে আমাদের আন্দোলন চলবে। আমরা চাই সরকারি দল প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গণভোটের রায় বস্তবায়ন করুক।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে এ কমিটিতে বিএনপি, গণসংহতি আন্দোলন, বিজেপি, গণঅধিকার পরিষদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ১১ জনকে সদস্য করা হয়েছে।
চিফ হুইপ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন, বিরোধী দল থেকে এ কমিটিতে পাঁচজনকে রাখা হবে। তাদের নাম বিরোধী দলকে প্রস্তাব করতে বলেন তিনি। পরে প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে পাস হলে কমিটিতে নাম দেবে না জানিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।

বার্তায় জানানো হয়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় এবং সন্ধ্যা ৬টায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তী পদযাত্রা চলমান থাকবে।
৩ দিন আগে
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নহিদ বলেন, বাংলাদেশে রায় হয়ে গেছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।
৩ দিন আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পথ চলব। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’
৩ দিন আগে
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
৪ দিন আগে