
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২৩তম রাষ্ট্রপতি পাওয়ার অপেক্ষায় দেশ। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি। এ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন দুজন—
ক্ষমতাসীন বিএনপি দল মনোনীত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলীয় জোট মনোনীত অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ।
এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ৩৫ বছর পর দেশে ব্যালটের রায়ে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি। এই সময়ের মধ্যে প্রতিবারই একক প্রার্থী থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোটের প্রয়োজন হয়নি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এ দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন সংসদ সদস্যরা। ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি পরদিন শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে শপথ নেবেন।
দুজন প্রার্থী থাকলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলামের জয়ই অনেকটাই নিশ্চিত। কেননা এই নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের ভোট দিতে হয়। আর সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিরোধী দলগুলোর চেয়ে প্রায় তিন গুণ। আবার সংবিধানে ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোটও দিতে পারেন না।
এ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলামের জয় আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। তারপরও দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ব্যালটের লড়াইকে গণতান্ত্রিক চর্চার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। চিফ হুইপ একে বলেছেন সরকার ও বিরোধী দল মিলিয়ে গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে সংসদকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করার ক্ষেত্রে এই নির্বাচন ভূমিকা রাখবে।
এর আগে রাষ্ট্রপতি পদে সবশেষ ভোট হয়েছিল ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট। ওই নির্বাচনে ৩৩০ সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৬৪ জন ভোট দিয়েছিলেন।
এরপর ১৯৯৬, ২০০১, ২০০২, ২০০৯, ২০১৩, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সুযোগ এলেও একাধিক প্রার্থী না থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। প্রতিবারই একক প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বিধান থাকলেও ৩৫ বছর ধরে সেই বিধানটি কার্যকরই করার প্রয়োজন হয়নি।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যরা সাধারণত যেখানে অধিবেশনে বসেন সেই প্ল্যানারি হলেই রাষ্ট্রপতি পদের ভোট নেওয়া হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোটের এই স্থান নির্ধারণ করেছেন। সেখানে প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে একটি করে ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। দুই প্রার্থীর মধ্যে যাকে ভোট দেবেন, নির্ধারিত স্থানে তার পক্ষে ভোট দিয়ে সই করে ব্যালট বাক্সে জমা দেবেন।
ভোটকেন্দ্রে তিনটি ব্যালট বাক্স রাখা হবে। সংসদ সদস্যদের সুবিধার জন্য পর্যায়ক্রমে ব্যালট পেপার দেওয়া হবে, যেন একসঙ্গে বেশি ভিড় না হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন।
চিফ হুইপ আরও জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে ভোটগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ভোটগ্রহণ শুরুর প্রথম ২০ মিনিট সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এ সময় রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা ও রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীর ভোট দেওয়ার দৃশ্য সরাসরি দেখানো হবে। ভোট শেষ হওয়ার পর ব্যালট বাক্স খোলা, ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণার কার্যক্রমও সরাসরি দেখানো হবে।
সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনসহ জাতীয় সংসদে মোট আসন ৩৫০। এর মধ্যে আদালতের নির্দেশের কারণে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। ফলে বর্তমানে মোট সংসদ সদস্য ৩৪৯ জন। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটারও ৩৪৯ জন।
সংসদ সদস্যদের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসন মিলিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য ২৪৭ জন। এ ছাড়া বিএনপির মিত্র ও শরিক দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণঅধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলনের একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের সংসদ সদস্য মোট ৯০ জন। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর ৭৭ জন, জামায়াতের সমর্থনে নির্বাচিত জাগপার একজন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আটজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিনজন ও খেলাফত মজলিসের একজন সদস্য রয়েছেন।
এর বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন এবং স্বতন্ত্র আটজন সংসদ সদস্য রয়েছেন। সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের কাছে ভোট চেয়েছে। আর ইসলামী আন্দোলনের সংসদ সদস্য ভোটদানে বিরত থাকতে পারেন।
এ ছাড়া বিএনপির সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে থাকায় তিনিও ভোট দিতে পারবেন না। চিফ হুইপ আশা করছেন, বাকি সংসদ সদস্যদের সবাই উপস্থিত হয়ে ভোট দেবেন।
গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচনের রিটার্নি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন খোদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
ওই দিন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন, অলি আহমদের দুটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে একটি বৈধ ঘোষণা করা হয়। মির্জা ফখরুলের একটি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এরপর ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ ছিল। কিন্তু দুই প্রার্থীর কেউই প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় আজ ভোট হচ্ছে তাদের মধ্যে।
চিফ হুইপ জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি শপথ নেবেন। শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশি প্রতিনিধি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

২৩তম রাষ্ট্রপতি পাওয়ার অপেক্ষায় দেশ। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি। এ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন দুজন—
ক্ষমতাসীন বিএনপি দল মনোনীত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলীয় জোট মনোনীত অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ।
এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ৩৫ বছর পর দেশে ব্যালটের রায়ে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি। এই সময়ের মধ্যে প্রতিবারই একক প্রার্থী থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোটের প্রয়োজন হয়নি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এ দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন সংসদ সদস্যরা। ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি পরদিন শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে শপথ নেবেন।
দুজন প্রার্থী থাকলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলামের জয়ই অনেকটাই নিশ্চিত। কেননা এই নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের ভোট দিতে হয়। আর সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিরোধী দলগুলোর চেয়ে প্রায় তিন গুণ। আবার সংবিধানে ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোটও দিতে পারেন না।
এ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলামের জয় আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। তারপরও দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ব্যালটের লড়াইকে গণতান্ত্রিক চর্চার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। চিফ হুইপ একে বলেছেন সরকার ও বিরোধী দল মিলিয়ে গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে সংসদকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করার ক্ষেত্রে এই নির্বাচন ভূমিকা রাখবে।
এর আগে রাষ্ট্রপতি পদে সবশেষ ভোট হয়েছিল ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট। ওই নির্বাচনে ৩৩০ সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৬৪ জন ভোট দিয়েছিলেন।
এরপর ১৯৯৬, ২০০১, ২০০২, ২০০৯, ২০১৩, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সুযোগ এলেও একাধিক প্রার্থী না থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। প্রতিবারই একক প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বিধান থাকলেও ৩৫ বছর ধরে সেই বিধানটি কার্যকরই করার প্রয়োজন হয়নি।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যরা সাধারণত যেখানে অধিবেশনে বসেন সেই প্ল্যানারি হলেই রাষ্ট্রপতি পদের ভোট নেওয়া হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোটের এই স্থান নির্ধারণ করেছেন। সেখানে প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে একটি করে ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। দুই প্রার্থীর মধ্যে যাকে ভোট দেবেন, নির্ধারিত স্থানে তার পক্ষে ভোট দিয়ে সই করে ব্যালট বাক্সে জমা দেবেন।
ভোটকেন্দ্রে তিনটি ব্যালট বাক্স রাখা হবে। সংসদ সদস্যদের সুবিধার জন্য পর্যায়ক্রমে ব্যালট পেপার দেওয়া হবে, যেন একসঙ্গে বেশি ভিড় না হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন।
চিফ হুইপ আরও জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে ভোটগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ভোটগ্রহণ শুরুর প্রথম ২০ মিনিট সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এ সময় রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা ও রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীর ভোট দেওয়ার দৃশ্য সরাসরি দেখানো হবে। ভোট শেষ হওয়ার পর ব্যালট বাক্স খোলা, ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণার কার্যক্রমও সরাসরি দেখানো হবে।
সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনসহ জাতীয় সংসদে মোট আসন ৩৫০। এর মধ্যে আদালতের নির্দেশের কারণে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। ফলে বর্তমানে মোট সংসদ সদস্য ৩৪৯ জন। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটারও ৩৪৯ জন।
সংসদ সদস্যদের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসন মিলিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য ২৪৭ জন। এ ছাড়া বিএনপির মিত্র ও শরিক দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণঅধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলনের একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের সংসদ সদস্য মোট ৯০ জন। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর ৭৭ জন, জামায়াতের সমর্থনে নির্বাচিত জাগপার একজন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আটজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিনজন ও খেলাফত মজলিসের একজন সদস্য রয়েছেন।
এর বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন এবং স্বতন্ত্র আটজন সংসদ সদস্য রয়েছেন। সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের কাছে ভোট চেয়েছে। আর ইসলামী আন্দোলনের সংসদ সদস্য ভোটদানে বিরত থাকতে পারেন।
এ ছাড়া বিএনপির সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে থাকায় তিনিও ভোট দিতে পারবেন না। চিফ হুইপ আশা করছেন, বাকি সংসদ সদস্যদের সবাই উপস্থিত হয়ে ভোট দেবেন।
গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচনের রিটার্নি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন খোদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
ওই দিন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন, অলি আহমদের দুটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে একটি বৈধ ঘোষণা করা হয়। মির্জা ফখরুলের একটি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এরপর ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ ছিল। কিন্তু দুই প্রার্থীর কেউই প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় আজ ভোট হচ্ছে তাদের মধ্যে।
চিফ হুইপ জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি শপথ নেবেন। শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশি প্রতিনিধি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্য হলেন— রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার ও ইসমাইল জবিহ উল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে তাদের সাক্ষাতের সময় দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
বিশ্লেষকরা বলছেন, কিছু কিছু খাতে সরকারের নানা উদ্যোগে সাফল্য মিললেও এখনো বহু পথ হাঁটার বাকি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন সিদ্দিকী যেমন রেমিট্যান্সের প্রভাবে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়া ও মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরকারকে সা
২ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণ করে। আজ ১৭ আগস্ট বিএনপি সরকারের ছয় মাস বা ১৮০ দিন পূর্ণ হলো। সরকারের এই প্রথম ১৮০ দিনের সাফল্য, বিভিন্ন উদ্যোগ, সংস্কার ও সীমাবদ্ধতার তথ্য তুলে
৩ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন।
৩ দিন আগে