
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিভিন্ন দল নির্বাচনি আচরণবিধি ভাঙলেও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে এসব ঘটনায় ‘নির্লিপ্ত ও নিশ্চুপ’ থাকার অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটি বলছে, ইসি কর্মকর্তাদের এ ধরনের আচরণের ফলে নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নষ্ট হচ্ছে, সুষ্ঠু পরিবে নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় ইসি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান দলের এমন অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে দলের নির্বাচনি কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা চাই, নির্বাচন যথাসময়ে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখেই হোক। আমরা এটাও চাই, সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। আমাদের কোনো কাজে কোনো কনফিউশন যেন না হয় সে জন্য আমাদের চেয়ারম্যান তার উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত করেছেন। আমরা যেখানে নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখার জন্য এত উদ্যোগী, সেখানে আমরা তো আশা করতেই পারি যে অন্য সবাই নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে শান্তিশৃঙ্খলা ও নির্বাচনি পরিবেশ অটুট রাখার জন্য কাজ করবেন।
অন্য দলগুলোর কাছ থেকে নির্বাচনি পরিবেশ অটুট রাখার উদ্যোগ দেখতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা। এ সময় তিনি কিছু আলোকচিত্র দেখান, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধানদের পর্যন্ত নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো বক্তব্য দিতে বা কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা গেছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তারা সাধারণ প্রার্থীদের প্রতি যেমন কঠোর আইন পালন করার ব্যাপারে আগ্রহী, আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারেও তেমনি আইন অনুযায়ী আচরণ করবেন। আমরা ইসিতে বলে এসেছি, এখন আপনাদের মাধ্যমেও বলছি— ইসির এই নির্লিপ্ততা বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নিশ্চুপতা সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে বাধা দিচ্ছে। এটা অনুচিত হলে আমরা মনে করি।
সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, সব রাজনৈতিক দলের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে— তারা নিজ দায়িত্বেই যেন এই কাজগুলো থেকে বিরত থাকেন। আমরা আশা করব, আরও যারা রাজনৈতিক নেতা আছেন, তারাও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন এবং সুষ্ঠ নির্বাচনের পথে বাধার কারণ হবেন না।
এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তাদের যার যা দায়িত্ব, যার যা ভূমিকা, যার যার ক্ষমতা, তারা সবাই সেটি প্রয়োগ করবেন বলেও বিএনপি আশা করছে বলে জানান নজরুল ইসলাম খান। এই নির্বাচন সফল করতে বিএনপি তাদের ভূমিকা পালনের চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বাকি সবাইকেও ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে সচেষ্টা থাকার আহ্বান জানান।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা বারবার বলে এসেছি, আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই। সবার জন্য সমান সুযোগ। দল বড় হোক বা ছোট, ব্যক্তি ক্ষমতাবান হোন বা না হোন, পদবীধারী হোন বা সাধারণ নাগরিক হোন— সবার জন্য নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকা দরকার।
এ সময় নির্বাচন কমিশনের কিছু কার্যক্রমের সমালোচনা করেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত এই নেতা। তিনি জানান, একটু কম বোঝেন— দলের এমন দুয়েকজন নেতা হয়তো আলোচনা সভা বা দোয়া মাহফিলে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়েছেন। সে কারণে তাদের শোকজ করা হয়েছে। এক প্রার্থীর মেয়ের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে প্রার্থী ও তার মেয়েকে শোকজ করা হয়েছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা এটা মেনে নিতে পারি, যদি দেখি যে নির্বাচন কমিশন বা নির্বাচনি কর্মকর্তারা সবার জন্য একই আচরণ করছেন। কিন্তু আপনারা দেখতে পাবেন যে অন্য দলগুলো একই আচরণ করছে না। অন্য দলগুলোরি উল্লেখযোগ্য নেতা, এমনকি প্রধান নেতা পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তাদের চোখের সামনে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
এ সময় ইসির অনুরোধে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিতের কথা তুলে ধরেন নজরুল ইসলাম খান। বলেন, পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছিল— এটি কোনো নির্বাচনি সফর না, রাজনৈতিক সফরও না। তিনি কোথাও কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দেবেন না, কোনো নির্বাচনি সমাবেশেও বক্তব্য রাখবেন না।
‘তারপরও এ নিয়ে কিছু উদ্বেগ, কিছু উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে অনেকেই। এর জন্য নির্বাচন কমিশন আমাদের অনুরোধ করেছিল যে আমরা যেন এই সফর ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত রাখি। আমরা সেটি মেনেছি, আমাদের চেয়ারম্যান সফর স্থগিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ইসমাইল জবিহউল্লাহসহ অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন দল নির্বাচনি আচরণবিধি ভাঙলেও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে এসব ঘটনায় ‘নির্লিপ্ত ও নিশ্চুপ’ থাকার অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটি বলছে, ইসি কর্মকর্তাদের এ ধরনের আচরণের ফলে নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নষ্ট হচ্ছে, সুষ্ঠু পরিবে নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় ইসি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান দলের এমন অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে দলের নির্বাচনি কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা চাই, নির্বাচন যথাসময়ে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখেই হোক। আমরা এটাও চাই, সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। আমাদের কোনো কাজে কোনো কনফিউশন যেন না হয় সে জন্য আমাদের চেয়ারম্যান তার উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত করেছেন। আমরা যেখানে নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখার জন্য এত উদ্যোগী, সেখানে আমরা তো আশা করতেই পারি যে অন্য সবাই নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে শান্তিশৃঙ্খলা ও নির্বাচনি পরিবেশ অটুট রাখার জন্য কাজ করবেন।
অন্য দলগুলোর কাছ থেকে নির্বাচনি পরিবেশ অটুট রাখার উদ্যোগ দেখতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা। এ সময় তিনি কিছু আলোকচিত্র দেখান, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধানদের পর্যন্ত নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো বক্তব্য দিতে বা কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা গেছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তারা সাধারণ প্রার্থীদের প্রতি যেমন কঠোর আইন পালন করার ব্যাপারে আগ্রহী, আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারেও তেমনি আইন অনুযায়ী আচরণ করবেন। আমরা ইসিতে বলে এসেছি, এখন আপনাদের মাধ্যমেও বলছি— ইসির এই নির্লিপ্ততা বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নিশ্চুপতা সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে বাধা দিচ্ছে। এটা অনুচিত হলে আমরা মনে করি।
সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, সব রাজনৈতিক দলের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে— তারা নিজ দায়িত্বেই যেন এই কাজগুলো থেকে বিরত থাকেন। আমরা আশা করব, আরও যারা রাজনৈতিক নেতা আছেন, তারাও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন এবং সুষ্ঠ নির্বাচনের পথে বাধার কারণ হবেন না।
এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তাদের যার যা দায়িত্ব, যার যা ভূমিকা, যার যার ক্ষমতা, তারা সবাই সেটি প্রয়োগ করবেন বলেও বিএনপি আশা করছে বলে জানান নজরুল ইসলাম খান। এই নির্বাচন সফল করতে বিএনপি তাদের ভূমিকা পালনের চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বাকি সবাইকেও ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে সচেষ্টা থাকার আহ্বান জানান।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা বারবার বলে এসেছি, আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই। সবার জন্য সমান সুযোগ। দল বড় হোক বা ছোট, ব্যক্তি ক্ষমতাবান হোন বা না হোন, পদবীধারী হোন বা সাধারণ নাগরিক হোন— সবার জন্য নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকা দরকার।
এ সময় নির্বাচন কমিশনের কিছু কার্যক্রমের সমালোচনা করেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত এই নেতা। তিনি জানান, একটু কম বোঝেন— দলের এমন দুয়েকজন নেতা হয়তো আলোচনা সভা বা দোয়া মাহফিলে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়েছেন। সে কারণে তাদের শোকজ করা হয়েছে। এক প্রার্থীর মেয়ের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে প্রার্থী ও তার মেয়েকে শোকজ করা হয়েছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা এটা মেনে নিতে পারি, যদি দেখি যে নির্বাচন কমিশন বা নির্বাচনি কর্মকর্তারা সবার জন্য একই আচরণ করছেন। কিন্তু আপনারা দেখতে পাবেন যে অন্য দলগুলো একই আচরণ করছে না। অন্য দলগুলোরি উল্লেখযোগ্য নেতা, এমনকি প্রধান নেতা পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তাদের চোখের সামনে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
এ সময় ইসির অনুরোধে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিতের কথা তুলে ধরেন নজরুল ইসলাম খান। বলেন, পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছিল— এটি কোনো নির্বাচনি সফর না, রাজনৈতিক সফরও না। তিনি কোথাও কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দেবেন না, কোনো নির্বাচনি সমাবেশেও বক্তব্য রাখবেন না।
‘তারপরও এ নিয়ে কিছু উদ্বেগ, কিছু উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে অনেকেই। এর জন্য নির্বাচন কমিশন আমাদের অনুরোধ করেছিল যে আমরা যেন এই সফর ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত রাখি। আমরা সেটি মেনেছি, আমাদের চেয়ারম্যান সফর স্থগিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ইসমাইল জবিহউল্লাহসহ অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য দারুস-সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। ১২ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মুফতি গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল করিমসহ জোটের একাধিক শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারে আগামী ২৪ জানুয়ারি কুমিল্লায় আসছেন। তারেক রহমানের আগমন কুমিল্লার রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়াবে।
৪ ঘণ্টা আগে
এ সিদ্ধান্তের ফলে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ভুট্টো এবং সিলেট জেলা মহিলা দলের সাবেক সহসভাপতি খোদেজা রহিম কলি আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেলেন। এ ছাড়া রংপুরের পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মো. ফরহাদ হোসেন অনুও তার হারানো পদ ফ
৫ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিভিন্ন দল নির্বাচনি আচরণবিধি ভাঙলেও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে এসব ঘটনায় ‘নির্লিপ্ত ও নিশ্চুপ’ থাকার অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটি বলছে, ইসি কর্মকর্তাদের এ ধরনের আচরণের ফলে নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নষ্ট হচ্ছে, সুষ্ঠু পরিবে নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় ইসি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান দলের এমন অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে দলের নির্বাচনি কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা চাই, নির্বাচন যথাসময়ে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখেই হোক। আমরা এটাও চাই, সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। আমাদের কোনো কাজে কোনো কনফিউশন যেন না হয় সে জন্য আমাদের চেয়ারম্যান তার উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত করেছেন। আমরা যেখানে নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখার জন্য এত উদ্যোগী, সেখানে আমরা তো আশা করতেই পারি যে অন্য সবাই নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে শান্তিশৃঙ্খলা ও নির্বাচনি পরিবেশ অটুট রাখার জন্য কাজ করবেন।
অন্য দলগুলোর কাছ থেকে নির্বাচনি পরিবেশ অটুট রাখার উদ্যোগ দেখতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা। এ সময় তিনি কিছু আলোকচিত্র দেখান, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধানদের পর্যন্ত নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো বক্তব্য দিতে বা কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা গেছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তারা সাধারণ প্রার্থীদের প্রতি যেমন কঠোর আইন পালন করার ব্যাপারে আগ্রহী, আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারেও তেমনি আইন অনুযায়ী আচরণ করবেন। আমরা ইসিতে বলে এসেছি, এখন আপনাদের মাধ্যমেও বলছি— ইসির এই নির্লিপ্ততা বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নিশ্চুপতা সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে বাধা দিচ্ছে। এটা অনুচিত হলে আমরা মনে করি।
সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, সব রাজনৈতিক দলের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে— তারা নিজ দায়িত্বেই যেন এই কাজগুলো থেকে বিরত থাকেন। আমরা আশা করব, আরও যারা রাজনৈতিক নেতা আছেন, তারাও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন এবং সুষ্ঠ নির্বাচনের পথে বাধার কারণ হবেন না।
এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তাদের যার যা দায়িত্ব, যার যা ভূমিকা, যার যার ক্ষমতা, তারা সবাই সেটি প্রয়োগ করবেন বলেও বিএনপি আশা করছে বলে জানান নজরুল ইসলাম খান। এই নির্বাচন সফল করতে বিএনপি তাদের ভূমিকা পালনের চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বাকি সবাইকেও ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে সচেষ্টা থাকার আহ্বান জানান।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা বারবার বলে এসেছি, আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই। সবার জন্য সমান সুযোগ। দল বড় হোক বা ছোট, ব্যক্তি ক্ষমতাবান হোন বা না হোন, পদবীধারী হোন বা সাধারণ নাগরিক হোন— সবার জন্য নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকা দরকার।
এ সময় নির্বাচন কমিশনের কিছু কার্যক্রমের সমালোচনা করেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত এই নেতা। তিনি জানান, একটু কম বোঝেন— দলের এমন দুয়েকজন নেতা হয়তো আলোচনা সভা বা দোয়া মাহফিলে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়েছেন। সে কারণে তাদের শোকজ করা হয়েছে। এক প্রার্থীর মেয়ের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে প্রার্থী ও তার মেয়েকে শোকজ করা হয়েছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা এটা মেনে নিতে পারি, যদি দেখি যে নির্বাচন কমিশন বা নির্বাচনি কর্মকর্তারা সবার জন্য একই আচরণ করছেন। কিন্তু আপনারা দেখতে পাবেন যে অন্য দলগুলো একই আচরণ করছে না। অন্য দলগুলোরি উল্লেখযোগ্য নেতা, এমনকি প্রধান নেতা পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তাদের চোখের সামনে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
এ সময় ইসির অনুরোধে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিতের কথা তুলে ধরেন নজরুল ইসলাম খান। বলেন, পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছিল— এটি কোনো নির্বাচনি সফর না, রাজনৈতিক সফরও না। তিনি কোথাও কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দেবেন না, কোনো নির্বাচনি সমাবেশেও বক্তব্য রাখবেন না।
‘তারপরও এ নিয়ে কিছু উদ্বেগ, কিছু উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে অনেকেই। এর জন্য নির্বাচন কমিশন আমাদের অনুরোধ করেছিল যে আমরা যেন এই সফর ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত রাখি। আমরা সেটি মেনেছি, আমাদের চেয়ারম্যান সফর স্থগিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ইসমাইল জবিহউল্লাহসহ অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।