
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০২৪ সালে সংঘটিত জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশে ‘ইসলামপন্থিদের পুনরুত্থান’ ঘটেছে, যার নেতৃত্বে রয়েছে মূলত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। প্রভাবশালী ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ইসলামপন্থিরা এমন নানা উদ্যোগ ও কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যেগুলো সরাসরি ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
দ্য ইকোনমিস্টের গত বৃহস্পতিবারের (১২ মার্চ) সংখ্যায় এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যার শিরোনাম ছিল— ইসলামের বাইরে নানা ইস্যু সামনে এনে ইসলামপন্থিরা বাংলাদেশে সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ‘জেন জি’ বিপ্লব ২০২৪ তথা জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ থেকে সবচেয়ে বড় বিস্ময় হিসেবে সামনে এসেছে ‘ইসলামপন্থিদের পুনরুত্থান’। ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন সেই আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা; তার শাসনামলেই দেশের বৃহত্তম ইসলামপন্থি দল জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ ছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। এর দেড় বছর পরে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে বিএনপি জোট ২১২টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছে। অন্যদিকে জামায়াত জোট ৭৭টি আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসেছে।
জাতীয় নির্বাচনে একক দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। অন্যদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
দ্য ইকোনোমিস্ট বলছে, খুব কম মানুষই ধারণা করেছিলেন যে নির্বাচনে জামায়াত প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়ে ইতিহাস তৈরি করে দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হবে। জামায়াতের এই প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে দলের প্রচলিত রাজনৈতিক অবস্থানের বাইরে গিয়ে নতুন ইস্যু গ্রহণের মাধ্যমে। বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলটি ধর্মীয় শেকড়কে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের ‘অ্যান্টি-এস্টাবলিশমেন্ট’ বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াতের ইতিহাসও ‘বিতর্কমুক্ত’ নয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দলটি পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। অন্যদিকে, ৯০ শতাংশের বেশি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপন্থি ইসলামের চর্চা এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির ঐতিহ্য বিদ্যমান।
এই বাস্তবতায় জামায়াত নিজেকে পরিবর্তনমুখী, দুর্নীতিবিরোধী শক্তি এবং সুশাসনের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছে। এতে তারা দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তির বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে— যারা স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় পুরো সময় ক্ষমতার পালাবদল করেছে। একটি হলো নির্বাচনে জয় পাওয়া বিএনপি, অন্যটি শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ।
দ্য ইকোনমিস্টের মতে, জামায়াতের সবচেয়ে কৌশলী পদক্ষেপগুলোর একটি ছিল ক্যাম্পাস রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া। প্রতিবেদনের বলা হয়, দলটির ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পড়াশোনার সেশন আয়োজন করছে, কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, হলগুলোর নষ্ট বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি মেরামত করছে। সাম্প্রতিক এক ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হিজাব সমাবেশ’ আয়োজন করেছে— যেখানে ইসলামপন্থি নয় এমন অনেক নারীও অংশ নেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে জামায়াত জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীদের ‘নতুন ও অনভিজ্ঞ’ রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে নির্বাচনি জোটও গড়ে তোলে। এতে এনসিপির কিছু জনপ্রিয় প্রার্থী দল ছাড়েন। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে মাত্র ছয়জন এনসিপি নেতা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে জামায়াত রাজনৈতিকভাবে নতুন চেহারা পেয়েছে এবং গণআন্দোলনের বিজয়ী পক্ষের সঙ্গে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।
দ্য ইকোনমিস্টের মতে, জামায়াত এখন এমন এক রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে যাকে উপেক্ষা করা কঠিন। তবে বিএনপি সরকারের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছাড়াও দলের অনেকেই বলছেন, তারা এখনো নিশ্চিত নন যে জামায়াতের আদর্শ আসলে কী। জামায়াতের ভেতরেই মধ্যপন্থি ও কট্টরপন্থী দুই ধরনের ধারা রয়েছে। আর দলটির আমির নিজেও কখনো কখনো ‘অপ্রত্যাশিত’ বক্তব্য দেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জামায়াতের লক্ষ্য আগামী নির্বাচনে জয়ী হওয়া। সে ক্ষেত্রে তারা কী করবে— এমন প্রশ্নের উত্তরে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান বেশ ‘সাধারণ কেন্দ্র-ডানপন্থি নীতি’র কথা বলেন: ব্যবসায় সহায়তা করা, শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থা সাজানো এবং দুর্নীতিগ্রস্ত বা পক্ষপাতদুষ্ট আমলাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া।
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, জামায়াত তাত্ত্বিকভাবে শরিয়ার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা আসলে ‘ন্যায়বিচার, কল্যাণ এবং ক্ষমতার সংযম’ সম্পর্কিত। এমন ‘অস্পষ্ট নীতি’র বিরুদ্ধে যুক্তি তোলা কঠিন— এটাই হয়তো তাদের উদ্দেশ্য। তবে বাস্তবে জামায়াত কেমন বাংলাদেশ গড়তে চায়, তা হয়তো শুধু সৃষ্টিকর্তাই জানেন।

২০২৪ সালে সংঘটিত জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশে ‘ইসলামপন্থিদের পুনরুত্থান’ ঘটেছে, যার নেতৃত্বে রয়েছে মূলত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। প্রভাবশালী ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ইসলামপন্থিরা এমন নানা উদ্যোগ ও কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যেগুলো সরাসরি ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
দ্য ইকোনমিস্টের গত বৃহস্পতিবারের (১২ মার্চ) সংখ্যায় এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যার শিরোনাম ছিল— ইসলামের বাইরে নানা ইস্যু সামনে এনে ইসলামপন্থিরা বাংলাদেশে সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ‘জেন জি’ বিপ্লব ২০২৪ তথা জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ থেকে সবচেয়ে বড় বিস্ময় হিসেবে সামনে এসেছে ‘ইসলামপন্থিদের পুনরুত্থান’। ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন সেই আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা; তার শাসনামলেই দেশের বৃহত্তম ইসলামপন্থি দল জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ ছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। এর দেড় বছর পরে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে বিএনপি জোট ২১২টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছে। অন্যদিকে জামায়াত জোট ৭৭টি আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসেছে।
জাতীয় নির্বাচনে একক দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। অন্যদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
দ্য ইকোনোমিস্ট বলছে, খুব কম মানুষই ধারণা করেছিলেন যে নির্বাচনে জামায়াত প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়ে ইতিহাস তৈরি করে দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হবে। জামায়াতের এই প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে দলের প্রচলিত রাজনৈতিক অবস্থানের বাইরে গিয়ে নতুন ইস্যু গ্রহণের মাধ্যমে। বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলটি ধর্মীয় শেকড়কে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের ‘অ্যান্টি-এস্টাবলিশমেন্ট’ বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াতের ইতিহাসও ‘বিতর্কমুক্ত’ নয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দলটি পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। অন্যদিকে, ৯০ শতাংশের বেশি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপন্থি ইসলামের চর্চা এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির ঐতিহ্য বিদ্যমান।
এই বাস্তবতায় জামায়াত নিজেকে পরিবর্তনমুখী, দুর্নীতিবিরোধী শক্তি এবং সুশাসনের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছে। এতে তারা দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তির বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে— যারা স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় পুরো সময় ক্ষমতার পালাবদল করেছে। একটি হলো নির্বাচনে জয় পাওয়া বিএনপি, অন্যটি শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ।
দ্য ইকোনমিস্টের মতে, জামায়াতের সবচেয়ে কৌশলী পদক্ষেপগুলোর একটি ছিল ক্যাম্পাস রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া। প্রতিবেদনের বলা হয়, দলটির ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পড়াশোনার সেশন আয়োজন করছে, কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, হলগুলোর নষ্ট বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি মেরামত করছে। সাম্প্রতিক এক ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হিজাব সমাবেশ’ আয়োজন করেছে— যেখানে ইসলামপন্থি নয় এমন অনেক নারীও অংশ নেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে জামায়াত জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীদের ‘নতুন ও অনভিজ্ঞ’ রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে নির্বাচনি জোটও গড়ে তোলে। এতে এনসিপির কিছু জনপ্রিয় প্রার্থী দল ছাড়েন। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে মাত্র ছয়জন এনসিপি নেতা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে জামায়াত রাজনৈতিকভাবে নতুন চেহারা পেয়েছে এবং গণআন্দোলনের বিজয়ী পক্ষের সঙ্গে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।
দ্য ইকোনমিস্টের মতে, জামায়াত এখন এমন এক রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে যাকে উপেক্ষা করা কঠিন। তবে বিএনপি সরকারের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছাড়াও দলের অনেকেই বলছেন, তারা এখনো নিশ্চিত নন যে জামায়াতের আদর্শ আসলে কী। জামায়াতের ভেতরেই মধ্যপন্থি ও কট্টরপন্থী দুই ধরনের ধারা রয়েছে। আর দলটির আমির নিজেও কখনো কখনো ‘অপ্রত্যাশিত’ বক্তব্য দেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জামায়াতের লক্ষ্য আগামী নির্বাচনে জয়ী হওয়া। সে ক্ষেত্রে তারা কী করবে— এমন প্রশ্নের উত্তরে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান বেশ ‘সাধারণ কেন্দ্র-ডানপন্থি নীতি’র কথা বলেন: ব্যবসায় সহায়তা করা, শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থা সাজানো এবং দুর্নীতিগ্রস্ত বা পক্ষপাতদুষ্ট আমলাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া।
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, জামায়াত তাত্ত্বিকভাবে শরিয়ার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা আসলে ‘ন্যায়বিচার, কল্যাণ এবং ক্ষমতার সংযম’ সম্পর্কিত। এমন ‘অস্পষ্ট নীতি’র বিরুদ্ধে যুক্তি তোলা কঠিন— এটাই হয়তো তাদের উদ্দেশ্য। তবে বাস্তবে জামায়াত কেমন বাংলাদেশ গড়তে চায়, তা হয়তো শুধু সৃষ্টিকর্তাই জানেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গত ১৫ আগস্ট সংগঠনের সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসানের সঞ্চালনায় কেন্দ্রীয় কমিটির এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কেন্দ্রীয় ও দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১ দিন আগে
বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করছি। হরতাল, ভাঙচুর বা জ্বালাও-পোড়াওয়ের পথে না গিয়ে সংসদ ও সংসদের বাইরে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে সরকারকে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’
২ দিন আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্য হলেন— রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার ও ইসমাইল জবিহ উল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে তাদের সাক্ষাতের সময় দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
বিশ্লেষকরা বলছেন, কিছু কিছু খাতে সরকারের নানা উদ্যোগে সাফল্য মিললেও এখনো বহু পথ হাঁটার বাকি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন সিদ্দিকী যেমন রেমিট্যান্সের প্রভাবে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়া ও মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরকারকে সা
৩ দিন আগে