
রাজশাহী ব্যুরো

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, বিএনপির উদারতার কারণে জামায়াত এদেশে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে। স্বাধীনতার পর শেখ মুজিব জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু আমরা বারবার দেখেছি তারা একটি জিনিস করতে পারে, সেটা হলো মুনাফেকি।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি শহীদ অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহেদ মন্ডলের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব বলেন। তাহেরপুর হাইস্কুল মাঠে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
আওয়ামী লীগের ১৬-১৭ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি, খুন-গুম, লুটপাটের চিত্র তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণ শেখ হাসিনার নাম দিয়েছিল ‘মাফিয়া হাসিনা’। শেখ হাসিনা নিজের ও আত্মীয়-স্বজনদের নামে প্লট নিয়েছেন। তাদের পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে এখন তদন্ত হচ্ছে। বিদেশে টিউলিপের দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত শেখ হাসিনাসহ তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা। শেখ হাসিনা উন্নয়নের নামে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল করেছেন শুধু টাকা মারার জন্য।
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, ‘ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে পাহারা দিতে পারলো না। শেখ হাসিনা অবৈধ, তার পাসপোর্টের বৈধতা নেই, তারপরও শেখ হাসিনাকে বৈধতা দিচ্ছে।’
তাহেরপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলিম বাবুর সঞ্চালনায় এবং তাহেরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আ ন ম সামসুর রহমান মিন্টুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম, জাতীয় নির্বাহী কমিটি রাজশাহী বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল সাঈদ চাঁদ, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল প্রমুখ।

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, বিএনপির উদারতার কারণে জামায়াত এদেশে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে। স্বাধীনতার পর শেখ মুজিব জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু আমরা বারবার দেখেছি তারা একটি জিনিস করতে পারে, সেটা হলো মুনাফেকি।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি শহীদ অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহেদ মন্ডলের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব বলেন। তাহেরপুর হাইস্কুল মাঠে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
আওয়ামী লীগের ১৬-১৭ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি, খুন-গুম, লুটপাটের চিত্র তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণ শেখ হাসিনার নাম দিয়েছিল ‘মাফিয়া হাসিনা’। শেখ হাসিনা নিজের ও আত্মীয়-স্বজনদের নামে প্লট নিয়েছেন। তাদের পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে এখন তদন্ত হচ্ছে। বিদেশে টিউলিপের দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত শেখ হাসিনাসহ তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা। শেখ হাসিনা উন্নয়নের নামে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল করেছেন শুধু টাকা মারার জন্য।
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, ‘ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে পাহারা দিতে পারলো না। শেখ হাসিনা অবৈধ, তার পাসপোর্টের বৈধতা নেই, তারপরও শেখ হাসিনাকে বৈধতা দিচ্ছে।’
তাহেরপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলিম বাবুর সঞ্চালনায় এবং তাহেরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আ ন ম সামসুর রহমান মিন্টুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম, জাতীয় নির্বাহী কমিটি রাজশাহী বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল সাঈদ চাঁদ, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল প্রমুখ।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে