
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য অধিকার আটকে রাখলেও ‘বাংলাদেশের শত্রু’ ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে ভারত রাজার হালে রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘ভারত সরকারকে স্পষ্টভাবে বলতে চাই— বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাইলে আগে তিস্তার পানি দেন। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করেন। তা যদি না দেন, আমরা লড়াই করে তিস্তার পানি আনব।
বিএনপির দুই দিনব্যাপী নদী রক্ষা আন্দোলনের প্রথম দিন সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে লালমনিরহাটে তিস্তার পারে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি। ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগানে লালমনিরহাট থেকে শুরু হয়ে এই কর্মসূচি শেষ হবে গাইবান্ধায় গিয়ে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ভারত আমাদের ন্যায্য পানি আটকে রেখেছে। অথচ বাংলাদেশের শত্রু শেখ হাসিনাকে রাজার হালে দিল্লিতে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। দাদাগিরি বন্ধ না করলে আর এ দেশের মানুষের সঙ্গে তাদের কোনো বন্ধুত্ব হবে না।
এ সময় দেশের স্থিতিশীলতায় সরকারের কাছে নির্বাচনের দাবি জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা কতবার ভোট দিতে পারেন নাই? আমরা ভোট দিতে চাই। ভোট দিয়ে মানুষের নেতৃত্ব চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওরা বলে, আমরা নাকি শুধু ভোট ভোট করি। ভোট ভোট করার কারণ একটাই— আমরা জনপ্রতিনিধি চাই। দেশে যে অশান্তি চলছে, নির্বাচিত সরকার এলে তা থাকবে না। দেশে শান্তি আসবে। একটা নতুন লড়াই শুরু হয়েছে, সেটা বাঁচা-মরার লড়াই।’
লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলুর সমন্বয়ে নদী রক্ষা আন্দোলন ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগান নিয়ে তিস্তা নদীর ১৩টি পয়েন্টে ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি টানা ৪৮ ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি পালন হচ্ছে। লালমনিরহাট, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারীসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের ১১টি স্থানে একযোগে দুই দিনব্যাপী চলবে ভিন্নধর্মী এ প্রতিবাদ।

তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য অধিকার আটকে রাখলেও ‘বাংলাদেশের শত্রু’ ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে ভারত রাজার হালে রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘ভারত সরকারকে স্পষ্টভাবে বলতে চাই— বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাইলে আগে তিস্তার পানি দেন। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করেন। তা যদি না দেন, আমরা লড়াই করে তিস্তার পানি আনব।
বিএনপির দুই দিনব্যাপী নদী রক্ষা আন্দোলনের প্রথম দিন সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে লালমনিরহাটে তিস্তার পারে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি। ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগানে লালমনিরহাট থেকে শুরু হয়ে এই কর্মসূচি শেষ হবে গাইবান্ধায় গিয়ে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ভারত আমাদের ন্যায্য পানি আটকে রেখেছে। অথচ বাংলাদেশের শত্রু শেখ হাসিনাকে রাজার হালে দিল্লিতে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। দাদাগিরি বন্ধ না করলে আর এ দেশের মানুষের সঙ্গে তাদের কোনো বন্ধুত্ব হবে না।
এ সময় দেশের স্থিতিশীলতায় সরকারের কাছে নির্বাচনের দাবি জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা কতবার ভোট দিতে পারেন নাই? আমরা ভোট দিতে চাই। ভোট দিয়ে মানুষের নেতৃত্ব চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওরা বলে, আমরা নাকি শুধু ভোট ভোট করি। ভোট ভোট করার কারণ একটাই— আমরা জনপ্রতিনিধি চাই। দেশে যে অশান্তি চলছে, নির্বাচিত সরকার এলে তা থাকবে না। দেশে শান্তি আসবে। একটা নতুন লড়াই শুরু হয়েছে, সেটা বাঁচা-মরার লড়াই।’
লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলুর সমন্বয়ে নদী রক্ষা আন্দোলন ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগান নিয়ে তিস্তা নদীর ১৩টি পয়েন্টে ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি টানা ৪৮ ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি পালন হচ্ছে। লালমনিরহাট, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারীসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের ১১টি স্থানে একযোগে দুই দিনব্যাপী চলবে ভিন্নধর্মী এ প্রতিবাদ।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে