
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যারা একাত্তর মানে না তাদের ভোটে দাঁড়ানোর যোগ্যতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে মশিউর রহমান যাদু মিয়া মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন কমিটি।
আলোচনা সভায় বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, বৈষম্যবিরোধী যারা দল গঠন করলেন, তারা হঠাৎ করে বক্তব্য দিয়ে উঠলেন, তারা সাতচল্লিশের পূর্ব অবস্থায় ফিরে যেতে চান। তারা একাত্তর মানেন না। যারা একাত্তর মানে না, যারা মহান মুক্তিযুদ্ধ মানে না, তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকেও মানে না। একাত্তর হলো আমাদের স্বাধীনতার মূল স্তম্ভ। একাত্তর হলো ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশ। অতএব একাত্তর যারা মানে না, আমি মনে করি, তাদের এদেশের মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার কোনো অধিকার নেই এবং তাদের ভোটে দাঁড়ানোর কোনো যোগ্যতা নেই।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ১৫ বছর এদেশের মানুষের গণতন্ত্র হরণ করেছেন। মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হারিয়েছেন। স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত কোনো জায়গায় মানুষ তাদের নিজস্ব প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারেনি। শেখ হাসিনা যাকে চেয়েছেন সেই নির্বাচিত হয়েছেন। শেখ হাসিনার চেয়ে শক্তিশালী কোনো ফ্যাসিস্ট সরকার এদেশে আর আসেনি। এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরানোর জন্য আমরা (বিএনপি) দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, মির্জা ফখরুল থেকে শুরু করে বিএনপির এমন কোনো নেতা নেই, যার বিরুদ্ধে মামলা হয়নি।
বরকত উল্লাহ বুলু আরও বলেন, ৫ আগস্টের পরে দেশের মানুষ ভেবেছিল, অতি শিগগিরই একটি নির্বাচন আসবে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারবে, একটি সরকার হবে। আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন, আমরা যদি ২৫০টি আসনও পাই, তারপরও বিএনপি এককভাবে কোনো সরকার গঠন করবে না। আমরা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করব। কারণ শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে যেখানে নিয়ে গেছেন, সেখান থেকে যদি এই দেশকে উদ্ধার করতে হয়, সংস্কার করতে হয়, মেরামত করতে হয়, তাহলে জাতীয় সরকার ছাড়া কোনো উপায় নেই।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, জাতীয়তাবাদী রাজনীতি, জিয়াউর রহমানের রাজনীতি ধারণ করতে পারলে বাংলাদেশ রক্ষা পাবে, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা পাবে। এই রাজনীতিকে ধারণ করতে হলে, যারা এই রাজনীতির রূপ প্রকল্পের প্রবক্তা, তাদের আমাদের স্মরণ রাখতে হবে।
ভাসানী স্মৃতি সংসদ ও মশিউর রহমান যাদু মিয়া মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভাপতি জিয়াউল হক মিলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ন্যান্সী রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম প্রমুখ।

যারা একাত্তর মানে না তাদের ভোটে দাঁড়ানোর যোগ্যতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে মশিউর রহমান যাদু মিয়া মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন কমিটি।
আলোচনা সভায় বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, বৈষম্যবিরোধী যারা দল গঠন করলেন, তারা হঠাৎ করে বক্তব্য দিয়ে উঠলেন, তারা সাতচল্লিশের পূর্ব অবস্থায় ফিরে যেতে চান। তারা একাত্তর মানেন না। যারা একাত্তর মানে না, যারা মহান মুক্তিযুদ্ধ মানে না, তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকেও মানে না। একাত্তর হলো আমাদের স্বাধীনতার মূল স্তম্ভ। একাত্তর হলো ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশ। অতএব একাত্তর যারা মানে না, আমি মনে করি, তাদের এদেশের মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার কোনো অধিকার নেই এবং তাদের ভোটে দাঁড়ানোর কোনো যোগ্যতা নেই।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ১৫ বছর এদেশের মানুষের গণতন্ত্র হরণ করেছেন। মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হারিয়েছেন। স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত কোনো জায়গায় মানুষ তাদের নিজস্ব প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারেনি। শেখ হাসিনা যাকে চেয়েছেন সেই নির্বাচিত হয়েছেন। শেখ হাসিনার চেয়ে শক্তিশালী কোনো ফ্যাসিস্ট সরকার এদেশে আর আসেনি। এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরানোর জন্য আমরা (বিএনপি) দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, মির্জা ফখরুল থেকে শুরু করে বিএনপির এমন কোনো নেতা নেই, যার বিরুদ্ধে মামলা হয়নি।
বরকত উল্লাহ বুলু আরও বলেন, ৫ আগস্টের পরে দেশের মানুষ ভেবেছিল, অতি শিগগিরই একটি নির্বাচন আসবে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারবে, একটি সরকার হবে। আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন, আমরা যদি ২৫০টি আসনও পাই, তারপরও বিএনপি এককভাবে কোনো সরকার গঠন করবে না। আমরা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করব। কারণ শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে যেখানে নিয়ে গেছেন, সেখান থেকে যদি এই দেশকে উদ্ধার করতে হয়, সংস্কার করতে হয়, মেরামত করতে হয়, তাহলে জাতীয় সরকার ছাড়া কোনো উপায় নেই।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, জাতীয়তাবাদী রাজনীতি, জিয়াউর রহমানের রাজনীতি ধারণ করতে পারলে বাংলাদেশ রক্ষা পাবে, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা পাবে। এই রাজনীতিকে ধারণ করতে হলে, যারা এই রাজনীতির রূপ প্রকল্পের প্রবক্তা, তাদের আমাদের স্মরণ রাখতে হবে।
ভাসানী স্মৃতি সংসদ ও মশিউর রহমান যাদু মিয়া মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভাপতি জিয়াউল হক মিলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ন্যান্সী রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম প্রমুখ।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে