
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করলে খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ৫০ শতাংশ ভোটার হচ্ছেন নারী। এই মায়েদের ভোটে খালেদা জিয়া ৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ভোটে এই মা-বোনরাই ভোট দিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করবেন। ইনশাআল্লাহ খালেদা জিয়া বেঁচে থাকবেন এবং এই ভোটের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হবেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। এটাই হলো আগামী দিনের বাংলাদেশ। এর বাইরে যদি কিছু হয় এই বাংলাদেশ থাকবে না।’
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ভাসানী ভবনে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে জিয়া মঞ্চ আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও কোরআন খতম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বুলু বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আজ অসুস্থ। কিন্তু দেশ ও দেশের মানুষের জন্য তার বেঁচে থাকা প্রয়োজন।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র চলছে এবং দেশের অস্তিত্বকেও ঝুঁকির মুখে ফেলা হচ্ছে।
বুলু বলেন, দেশকে এই ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত করতে জাতীয়তাবাদী শক্তির এখন ঐক্য প্রয়োজন। বেগম খালেদা জিয়া সেই ঐক্যের প্রতীক। আসুন, সবাই তার জন্য দোয়া করি। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে যেন আগের মতোই আমাদের মাঝে ফিরে কাজ করতে পারেন। তিনি আমাদের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অনুপ্রেরণার উৎস।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠায় শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন দল ও শ্রেণিপেশার মানুষ একত্র হলেও এটিকে পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দলে রূপ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। ৯ বছর ধরে সারা দেশে ঘুরে তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে বিএনপিকে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন এবং দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত করেছেন খালেদা জিয়া।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ৩১ দফা বাংলাদেশের আগামী ১০০ বছরের মুক্তির সনদ। এর বাইরে গিয়ে কেউ কোনো নতুন সংস্কারের রূপরেখা দিতে পারবে না। আর সংস্কার একটি চলমান রূপরেখা। পৃথিবীর সৃষ্টি থেকে কেয়ামত পর্যন্ত সংস্কার চলতেই থাকবে। এটার কোনো শেষ নেই।
এ সময় ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারকারীদেরও সমালোচনা করেন বুলু। তিনি বলেন, জাতি এখন কঠিন প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। অনেকে ধর্ম ব্যবহার করে ব্যবসা করছে, ইসলামের নাম ভাঙিয়ে করছে রাজনীতি।
দেশবাসীকে সতর্ক করে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে তাদের হাত থেকে, যারা এটিকে আফগানিস্তান, সিরিয়া বা ইরাকের মতো বানাতে চায়।
এ সময় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক সুস্থতা কামনা করে দোয়া এবং কোরআন খতম দেওয়া হয়।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করলে খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ৫০ শতাংশ ভোটার হচ্ছেন নারী। এই মায়েদের ভোটে খালেদা জিয়া ৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ভোটে এই মা-বোনরাই ভোট দিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করবেন। ইনশাআল্লাহ খালেদা জিয়া বেঁচে থাকবেন এবং এই ভোটের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হবেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। এটাই হলো আগামী দিনের বাংলাদেশ। এর বাইরে যদি কিছু হয় এই বাংলাদেশ থাকবে না।’
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ভাসানী ভবনে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে জিয়া মঞ্চ আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও কোরআন খতম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বুলু বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আজ অসুস্থ। কিন্তু দেশ ও দেশের মানুষের জন্য তার বেঁচে থাকা প্রয়োজন।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র চলছে এবং দেশের অস্তিত্বকেও ঝুঁকির মুখে ফেলা হচ্ছে।
বুলু বলেন, দেশকে এই ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত করতে জাতীয়তাবাদী শক্তির এখন ঐক্য প্রয়োজন। বেগম খালেদা জিয়া সেই ঐক্যের প্রতীক। আসুন, সবাই তার জন্য দোয়া করি। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে যেন আগের মতোই আমাদের মাঝে ফিরে কাজ করতে পারেন। তিনি আমাদের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অনুপ্রেরণার উৎস।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠায় শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন দল ও শ্রেণিপেশার মানুষ একত্র হলেও এটিকে পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দলে রূপ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। ৯ বছর ধরে সারা দেশে ঘুরে তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে বিএনপিকে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন এবং দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত করেছেন খালেদা জিয়া।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ৩১ দফা বাংলাদেশের আগামী ১০০ বছরের মুক্তির সনদ। এর বাইরে গিয়ে কেউ কোনো নতুন সংস্কারের রূপরেখা দিতে পারবে না। আর সংস্কার একটি চলমান রূপরেখা। পৃথিবীর সৃষ্টি থেকে কেয়ামত পর্যন্ত সংস্কার চলতেই থাকবে। এটার কোনো শেষ নেই।
এ সময় ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারকারীদেরও সমালোচনা করেন বুলু। তিনি বলেন, জাতি এখন কঠিন প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। অনেকে ধর্ম ব্যবহার করে ব্যবসা করছে, ইসলামের নাম ভাঙিয়ে করছে রাজনীতি।
দেশবাসীকে সতর্ক করে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে তাদের হাত থেকে, যারা এটিকে আফগানিস্তান, সিরিয়া বা ইরাকের মতো বানাতে চায়।
এ সময় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক সুস্থতা কামনা করে দোয়া এবং কোরআন খতম দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
১ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
১ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
১ দিন আগে