
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আবারও জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল। রোববার (২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বৈঠকে বসেছে।
বৈঠক শুরুতে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গতবারের ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়গুলো বিএনপির দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়েছে। আজকের আলোচনা পর বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।
বিএনপির প্রতিনিধিদলে আরও আছেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিহউল্লাহ ও নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান, সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের সভাপতিত্বে বৈঠকে রয়েছেন- কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার বিএনপি ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল।
পাঁচটি সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো জমা দেওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০ মার্চ থেকে সংসদ ভবনের এলডি হলে আলী রীয়াজের নেতৃত্বে কমিশন আলাদা আলাদাভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছে।
প্রথম পর্যায়ে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রণীত সুপারিশসমূহ রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৩৪টি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে তাদের মতামত পেয়েছে।

আবারও জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল। রোববার (২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বৈঠকে বসেছে।
বৈঠক শুরুতে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গতবারের ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়গুলো বিএনপির দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়েছে। আজকের আলোচনা পর বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।
বিএনপির প্রতিনিধিদলে আরও আছেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিহউল্লাহ ও নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান, সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের সভাপতিত্বে বৈঠকে রয়েছেন- কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার বিএনপি ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল।
পাঁচটি সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো জমা দেওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০ মার্চ থেকে সংসদ ভবনের এলডি হলে আলী রীয়াজের নেতৃত্বে কমিশন আলাদা আলাদাভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছে।
প্রথম পর্যায়ে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রণীত সুপারিশসমূহ রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৩৪টি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে তাদের মতামত পেয়েছে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে