
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, কিছুলোক রাতারাতি অস্বাভাবিক অর্থবিত্ত লুটে নেওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গরিব। এই দ্রব্যমূল্যের বাজারে তাদের খুব কষ্টে দিন পার করতে হচ্ছে। মুখচেনা কতিপয় বেপরোয়া ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কারণেই বাজারে চরম নৈরাজ্য, শ্রমজীবী স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষকে চরম অসহায় জীবন যাপন করতে হচ্ছে। মানুষের প্রকৃত আয় কমে গেছে । শ্রমজীবী পরিবারের এক বড় অংশের খাদ্যগ্রহণ কমে গেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সেগুনবাগিচায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি এই দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় শ্রমজীবী মেহনতী পরিবারগুলোকে মাসিক নগদ অর্থ প্রদান ও তাদের রেশনিং ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভারতে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের নৃশংস হত্যাকাণ্ড একদিকে খুব দুঃখজনক, আর অন্যদিকে এই ঘটনা দেশের ‘আন্ডার ওয়াল্ড’ এর অবিশ্বাস্য অপরাধমূলক তৎপরতা ও তাদের অপরাধ জগতের খণ্ডাংশ উন্মোচন করে দিয়েছে। এই ঘটনা দেশের আইন প্রণেতাদের একাংশ ও রাষ্ট্রীয় ছত্রছায়ায় থাকা ক্ষমতাবান ও বিত্তশালীরা চোরাকারবার থেকে শুরু করে কত ধরনের অপরাধের সঙ্গে যে যুক্ত সে সম্পর্কেও নতুন করে দেশবাসীকে খানিকটা ধারণা দিয়েছে।
তিনি এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের হত্যাকাণ্ডের বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত, সংশ্লিষ্ট সকল অপরাধীদের গ্রেপ্তার, বিচার এবং এই হত্যাকাণ্ডের সমগ্র বিষয় প্রকাশ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বিপ্লবী রিকশা শ্রমিক সংহতির সভাপতি জামাল সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, আবুল কালাম আজাদ, হাফিজুর রহমান রুবেল, রেজাউল করিম, শিপন আকন্দ,মোহাম্মদ হ্রদয়, আবদুল গাজী আমির হোসেন, শরীফুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় আগামী ৩১ মে বিপ্লবী রিকশা শ্রমিক সংহতির জাতীয় সম্মেলন সফল করতে সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, কিছুলোক রাতারাতি অস্বাভাবিক অর্থবিত্ত লুটে নেওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গরিব। এই দ্রব্যমূল্যের বাজারে তাদের খুব কষ্টে দিন পার করতে হচ্ছে। মুখচেনা কতিপয় বেপরোয়া ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কারণেই বাজারে চরম নৈরাজ্য, শ্রমজীবী স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষকে চরম অসহায় জীবন যাপন করতে হচ্ছে। মানুষের প্রকৃত আয় কমে গেছে । শ্রমজীবী পরিবারের এক বড় অংশের খাদ্যগ্রহণ কমে গেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সেগুনবাগিচায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি এই দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় শ্রমজীবী মেহনতী পরিবারগুলোকে মাসিক নগদ অর্থ প্রদান ও তাদের রেশনিং ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভারতে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের নৃশংস হত্যাকাণ্ড একদিকে খুব দুঃখজনক, আর অন্যদিকে এই ঘটনা দেশের ‘আন্ডার ওয়াল্ড’ এর অবিশ্বাস্য অপরাধমূলক তৎপরতা ও তাদের অপরাধ জগতের খণ্ডাংশ উন্মোচন করে দিয়েছে। এই ঘটনা দেশের আইন প্রণেতাদের একাংশ ও রাষ্ট্রীয় ছত্রছায়ায় থাকা ক্ষমতাবান ও বিত্তশালীরা চোরাকারবার থেকে শুরু করে কত ধরনের অপরাধের সঙ্গে যে যুক্ত সে সম্পর্কেও নতুন করে দেশবাসীকে খানিকটা ধারণা দিয়েছে।
তিনি এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের হত্যাকাণ্ডের বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত, সংশ্লিষ্ট সকল অপরাধীদের গ্রেপ্তার, বিচার এবং এই হত্যাকাণ্ডের সমগ্র বিষয় প্রকাশ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বিপ্লবী রিকশা শ্রমিক সংহতির সভাপতি জামাল সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, আবুল কালাম আজাদ, হাফিজুর রহমান রুবেল, রেজাউল করিম, শিপন আকন্দ,মোহাম্মদ হ্রদয়, আবদুল গাজী আমির হোসেন, শরীফুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় আগামী ৩১ মে বিপ্লবী রিকশা শ্রমিক সংহতির জাতীয় সম্মেলন সফল করতে সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে