
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতে শেখ হাসিনার যুগান্তকারী উন্নয়নের কারণে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশেরপ্রায় ১৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ প্রায় ২১ লাখ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
সেলিম মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত নিয়ে মহল বিশেষ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। অথচ সারা বিশ্বে প্রশংসিত শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রথম স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে তাঁর যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বঙ্গবন্ধু কন্যা জানতেন, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে ১% জিডিপি প্রবৃদ্ধির জন্য প্রায় ২% জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি প্রয়োজন। সেই কঠিন কাজটিই শেখ হাসিনা করেছেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর কারণে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালপর্যন্ত প্রায় ১৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ ২১ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।মাল্টিলেটারেল এজেন্সিগুলো এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন, বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে দিনে গড়ে ১২-১৪ ঘন্টা লোডশেডিং থাকলে ন্যূনতম ৪% জিডিপি লস হয়।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত সরকার এবং পরবর্তীতে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় প্রতিদিন গড়ে ১৪-১৫ ঘন্টা লোডশেডিং থাকতো। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে শেখ হাসিনার সরকারের যুগান্তকারী উন্নয়নের ফলে এই লোডশেডিং থেকে জাতি মুক্তি পায়। সেই হিসেবে ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে জিডিপির বার্ষিক নূন্যতম ৪% লস ধরলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশী টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ২১ লক্ষ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতে শেখ হাসিনার যুগান্তকারী উন্নয়নের কারণে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশেরপ্রায় ১৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ প্রায় ২১ লাখ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
সেলিম মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত নিয়ে মহল বিশেষ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। অথচ সারা বিশ্বে প্রশংসিত শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রথম স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে তাঁর যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বঙ্গবন্ধু কন্যা জানতেন, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে ১% জিডিপি প্রবৃদ্ধির জন্য প্রায় ২% জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি প্রয়োজন। সেই কঠিন কাজটিই শেখ হাসিনা করেছেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর কারণে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালপর্যন্ত প্রায় ১৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ ২১ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।মাল্টিলেটারেল এজেন্সিগুলো এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন, বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে দিনে গড়ে ১২-১৪ ঘন্টা লোডশেডিং থাকলে ন্যূনতম ৪% জিডিপি লস হয়।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত সরকার এবং পরবর্তীতে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় প্রতিদিন গড়ে ১৪-১৫ ঘন্টা লোডশেডিং থাকতো। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে শেখ হাসিনার সরকারের যুগান্তকারী উন্নয়নের ফলে এই লোডশেডিং থেকে জাতি মুক্তি পায়। সেই হিসেবে ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে জিডিপির বার্ষিক নূন্যতম ৪% লস ধরলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশী টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ২১ লক্ষ কোটি টাকা।

ছোট রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে গিয়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দেওয়ায় ক্ষমা চেয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
১৬ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
১৭ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
১৮ ঘণ্টা আগে