
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিএনপির উদ্দেশে প্রশ্ন রেখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কোন দুঃখে পদত্যাগ করবেন?’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা আজিমপুরের গোরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি বলেছেন, বিরোধীদলের ও পতন হয়। ব্যর্থ আন্দোলন করতে করতে বিএনপি এখন পতনের দিকে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে ১৫০টি সেতু ও ১৪টি ওভার পাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের এই অগ্রগতি বিশ্বের বিস্ময়। যা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৃষ্টিশীল ও সৃজনশীল নেতৃত্বের কল্যাণে। কিন্তু একটি দল দেশের এই উন্নয়ন নিয়ে বিষোদগার করে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কী বডি ল্যাঙ্গুয়েজে সম্মান করে, এরা কি দেখে না? আমেরিকার প্রেসিডেন্ট তো আর কারও সাথে ছবি তোলেন নাই। জি-২০তে ছবি তোলেন (শেখ হাসিনার সঙ্গে), নিউইয়র্কেও তোলেন।’
তিনি বলেন, ‘এ দেশকে রক্ষা করতে চাইলে, দেশকে ভালোবাসলে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। শেখ হাসিনা (ক্ষমতায়) না এলে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাবে, গণতন্ত্র থাকবে না। শান্তির পথে, প্রগতির পথে, উন্নয়নের পথে আসুন।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম রওশন আরা মান্নান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিনুল্লাহ নুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মইনুল ইসলাম।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিএনপির উদ্দেশে প্রশ্ন রেখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কোন দুঃখে পদত্যাগ করবেন?’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা আজিমপুরের গোরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি বলেছেন, বিরোধীদলের ও পতন হয়। ব্যর্থ আন্দোলন করতে করতে বিএনপি এখন পতনের দিকে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে ১৫০টি সেতু ও ১৪টি ওভার পাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের এই অগ্রগতি বিশ্বের বিস্ময়। যা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৃষ্টিশীল ও সৃজনশীল নেতৃত্বের কল্যাণে। কিন্তু একটি দল দেশের এই উন্নয়ন নিয়ে বিষোদগার করে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কী বডি ল্যাঙ্গুয়েজে সম্মান করে, এরা কি দেখে না? আমেরিকার প্রেসিডেন্ট তো আর কারও সাথে ছবি তোলেন নাই। জি-২০তে ছবি তোলেন (শেখ হাসিনার সঙ্গে), নিউইয়র্কেও তোলেন।’
তিনি বলেন, ‘এ দেশকে রক্ষা করতে চাইলে, দেশকে ভালোবাসলে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। শেখ হাসিনা (ক্ষমতায়) না এলে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাবে, গণতন্ত্র থাকবে না। শান্তির পথে, প্রগতির পথে, উন্নয়নের পথে আসুন।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম রওশন আরা মান্নান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিনুল্লাহ নুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মইনুল ইসলাম।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে