
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দলীয় প্রতীক ছাড়া উপজেলা নির্বাচন উন্মুক্ত হলেও এবার নতুন সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলে। নির্বাচন থেকে সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনদের সরে দাঁড়াতে দেয়া দলীয় নির্দেশ মানেনি আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতারা। অন্যদিকে নির্বাচন বর্জনের ডাকে সাড়া দেয়নি বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।
দলীয় সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করে নির্বাচনে অংশ নেয়ায় এ পর্যন্ত ১৪২ জনকে বহিস্কার করেছে বিএনপি। প্রথম ধাপের নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে বহিস্কার হন ৮১ জন। দ্বিতীয়ধাপের নির্বাচনে অংশ নেয়ায় ৬১ জন বহিস্কার হয়েছেন।
অন্যদিকে দল থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো শাস্তি ঘোষণা করেনি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। প্রথম ধাপের নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনদের মাঝে অন্তত ৩০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।
বিভিন্ন রকমের অন্যায় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার আশায় শুধু সরকারি দলের লোকেরাই প্রার্থী হতে চান বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।
তিনি বলেন, ‘মানুষের নির্বাচনের ওপর আস্থা চলে গেছে। প্রার্থীদের, ভোটারদের সবারই। নির্বাচন যে নির্বাসনে চলে গেছে এইটা তারই প্রতিফলন। মানুষ প্রার্থী হতে চায় না।’
এদিকে নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে ৪৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপির স্বজনেরা যারা বাকি আছে তারা আস্তে আস্তে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক ওবায়দুল কাদের।
শনিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের কথা মাঠের কর্মীরা শোনে না।
এর আগে বিএনপির দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে অংশ নেয়ায় তৃণমূলের আরও ৬১ জন নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২১ মে অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির যেসব নেতা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ ও মহিলা) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাদের দলীয় গঠনতন্ত্র মোতাবেক বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কৃত ৬১ জনের মধ্যে সর্বমোট চেয়ারম্যান প্রার্থী ২৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ১৯ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ১৬ জন। প্রথম পর্বের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অন্তত ৮১ জনকে বহিষ্কার করে বিএনপি। সব মিলিয়ে তৃণমূলের ১৪২ জন নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করলো দলটি।

দলীয় প্রতীক ছাড়া উপজেলা নির্বাচন উন্মুক্ত হলেও এবার নতুন সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলে। নির্বাচন থেকে সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনদের সরে দাঁড়াতে দেয়া দলীয় নির্দেশ মানেনি আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতারা। অন্যদিকে নির্বাচন বর্জনের ডাকে সাড়া দেয়নি বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।
দলীয় সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করে নির্বাচনে অংশ নেয়ায় এ পর্যন্ত ১৪২ জনকে বহিস্কার করেছে বিএনপি। প্রথম ধাপের নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে বহিস্কার হন ৮১ জন। দ্বিতীয়ধাপের নির্বাচনে অংশ নেয়ায় ৬১ জন বহিস্কার হয়েছেন।
অন্যদিকে দল থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো শাস্তি ঘোষণা করেনি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। প্রথম ধাপের নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনদের মাঝে অন্তত ৩০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।
বিভিন্ন রকমের অন্যায় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার আশায় শুধু সরকারি দলের লোকেরাই প্রার্থী হতে চান বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।
তিনি বলেন, ‘মানুষের নির্বাচনের ওপর আস্থা চলে গেছে। প্রার্থীদের, ভোটারদের সবারই। নির্বাচন যে নির্বাসনে চলে গেছে এইটা তারই প্রতিফলন। মানুষ প্রার্থী হতে চায় না।’
এদিকে নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে ৪৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপির স্বজনেরা যারা বাকি আছে তারা আস্তে আস্তে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক ওবায়দুল কাদের।
শনিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের কথা মাঠের কর্মীরা শোনে না।
এর আগে বিএনপির দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে অংশ নেয়ায় তৃণমূলের আরও ৬১ জন নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২১ মে অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির যেসব নেতা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ ও মহিলা) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাদের দলীয় গঠনতন্ত্র মোতাবেক বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কৃত ৬১ জনের মধ্যে সর্বমোট চেয়ারম্যান প্রার্থী ২৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ১৯ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ১৬ জন। প্রথম পর্বের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অন্তত ৮১ জনকে বহিষ্কার করে বিএনপি। সব মিলিয়ে তৃণমূলের ১৪২ জন নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করলো দলটি।

আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (ডুয়া) উদ্যোগে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য দারুস-সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। ১২ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মুফতি গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল করিমসহ জোটের একাধিক শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারে আগামী ২৪ জানুয়ারি কুমিল্লায় আসছেন। তারেক রহমানের আগমন কুমিল্লার রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়াবে।
৫ ঘণ্টা আগে