
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে আপসহীনভাবে লড়াই করেছেন। তিনি আজীবন সাধারণ মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় সংগ্রাম করে গেছেন।
তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের এক বিরল প্রতীক, যিনি গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়ে বহুমাত্রিক অবদানের মাধ্যমে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন।
আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (ডুয়া) উদ্যোগে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, বাংলাদেশে যখনই গণতন্ত্র, দেশপ্রেম এবং মানুষের কল্যাণে নিঃস্বার্থ কাজের প্রসঙ্গ আসবে, তখনই খালেদা জিয়াকে স্মরণ করতে হবে। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি রাজপথে সংগ্রাম করেছেন।
এ সময় সংগঠনের সদস্য সচিব এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী, সিনিয়র সদস্য সৈয়দ আমিনুর রহমান মাইকেল, কামাল উদ্দিন জসিম, ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, রশিদ আহমেদ মামুন, মো. বায়েজিদ বোস্তামি, মো. ত্বহা, ডা. মো. শরীফুল ইসলাম দুলু, গোপাল চন্দ্র দেবনাথ, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে আপসহীনভাবে লড়াই করেছেন। তিনি আজীবন সাধারণ মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় সংগ্রাম করে গেছেন।
তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের এক বিরল প্রতীক, যিনি গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়ে বহুমাত্রিক অবদানের মাধ্যমে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন।
আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (ডুয়া) উদ্যোগে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, বাংলাদেশে যখনই গণতন্ত্র, দেশপ্রেম এবং মানুষের কল্যাণে নিঃস্বার্থ কাজের প্রসঙ্গ আসবে, তখনই খালেদা জিয়াকে স্মরণ করতে হবে। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি রাজপথে সংগ্রাম করেছেন।
এ সময় সংগঠনের সদস্য সচিব এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী, সিনিয়র সদস্য সৈয়দ আমিনুর রহমান মাইকেল, কামাল উদ্দিন জসিম, ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, রশিদ আহমেদ মামুন, মো. বায়েজিদ বোস্তামি, মো. ত্বহা, ডা. মো. শরীফুল ইসলাম দুলু, গোপাল চন্দ্র দেবনাথ, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অধিকাংশ নেতা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। তবে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ঢাকায় অবস্থান করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
৫ দিন আগে
আমাদের মা-বোনেরা যারা অসহায়, যাদের স্বামী অসুস্থ, কাজ করতে পারে না বা স্বামী মারা গেছে প্রত্যেকটি পরিবারের মেয়েরা ফ্যামিলি কার্ড পাবে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রত্যেক মা-বোন মাসে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। ইতিমধ্যে তারেক রহমান সাহেব এটি উদ্বোধন করেছেন। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবক
৬ দিন আগে
বাস্তবতা হলো, আমার এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি সায়মা ম্যামের শ্রদ্ধেয় বাবা, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবের নামের অপব্যবহার করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে, ম্যামকে অবহিত করলে ম্যাম তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক সাড়া দেন। এমনকি ম্যাম আমাকে জানান, যারা তার বাবার নামের অপব্যবহার করে অনিয়ম করার চেষ্টা করছে, তাদের
৬ দিন আগে
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানরত কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন ডা. শফিকুর রহমান। এই আয়োজন তার সরকারি বাসভবন ২
৬ দিন আগে