
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আরও ৬০ দিন বাড়িয়েছে সরকার। আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত তারা এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
রোববার (১২ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-২ শাখা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নেওয়ার দেড় মাস পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রথম সেনাবাহিনীর সদস্যদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেয় সরকার। পরে নভেম্বরে সেই ক্ষমতা প্রয়োগের মেয়াদ ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো হয়েছিল। সেই মেয়াদ শেষ হতে না হতেই নতুন করে ৬০ দিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা পেলেন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা।
রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুর সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও এর চেয়ে উচ্চ সমপদমার্যাদার কমিশন্ড কর্মকর্তাদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী সারা দেশে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
১৪ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত এই ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা বলবৎ থাকবে উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সেনা কর্মকর্তারা বিভিন্ন অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারা প্রয়োগ করে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
এর আগে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সেনা কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। ১৩ দিন পর প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয় নৌ বাহিনী ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদেরও।
সেপ্টেম্বরে প্রথম ও নভেম্বরে দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনেও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ৬০ দিনের জন্য বিচারিক ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছিল। এবারও ৬০ দিনের জন্যই তারা বিচারিক ক্ষমতা পেলেন। তবে নভেম্বরের দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনের মতো এবারও প্রজ্ঞাপনে কেবল সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার কথাই বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আরও ৬০ দিন বাড়িয়েছে সরকার। আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত তারা এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
রোববার (১২ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-২ শাখা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নেওয়ার দেড় মাস পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রথম সেনাবাহিনীর সদস্যদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেয় সরকার। পরে নভেম্বরে সেই ক্ষমতা প্রয়োগের মেয়াদ ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো হয়েছিল। সেই মেয়াদ শেষ হতে না হতেই নতুন করে ৬০ দিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা পেলেন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা।
রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুর সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও এর চেয়ে উচ্চ সমপদমার্যাদার কমিশন্ড কর্মকর্তাদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী সারা দেশে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
১৪ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত এই ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা বলবৎ থাকবে উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সেনা কর্মকর্তারা বিভিন্ন অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারা প্রয়োগ করে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
এর আগে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সেনা কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। ১৩ দিন পর প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয় নৌ বাহিনী ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদেরও।
সেপ্টেম্বরে প্রথম ও নভেম্বরে দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনেও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ৬০ দিনের জন্য বিচারিক ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছিল। এবারও ৬০ দিনের জন্যই তারা বিচারিক ক্ষমতা পেলেন। তবে নভেম্বরের দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনের মতো এবারও প্রজ্ঞাপনে কেবল সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার কথাই বলা হয়েছে।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, আপনি বলেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, কাজ করি। আপনি বলেন নেটিজেন! তো মানে কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা, যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ?’
১ দিন আগে
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ‘দলের মধ্যে শৃঙ্খলা রক্ষা করাই আমার মূল দায়িত্ব। দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অনৈতিক কাজে জড়ালে এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১ দিন আগে
বিএনপি সরকার জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার কোনোটিই রক্ষা করতে পারেনি। সরকার গ্যাস ও জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ মোটা দাগে ২৯টি ক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থাপনার পরিচয় দিয়েছে।
১ দিন আগে
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন ‘সিন্ডিকেটে’র আশঙ্কার কথা জানিয়েছে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলগুলো বলছে, সরকারের একটি অসাধু চক্র দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। কোনো ধরনের সিন্ডিকেট গড়ে ওঠার সুযোগ যেন তৈরি না হয়, সে
২ দিন আগে