
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, কারণে-অকারণে অবরোধের নামে রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলনে যে জনদুর্ভোগ হয়, তাতে ব্যবস্থা নিতে গেলে সমালোচনার শিকার হয় আনশৃঙ্খলা বাহিনী। ধৈর্যের সীমা শেষ করলে জনগণই তাদের বিরুদ্ধে ‘ব্যবস্থা নেবে’।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানের নৌ পুলিশ সদরদফতর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে অনেককে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। বিদেশে যারা পালিয়ে আছে তাদেরকেও গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
বাকি আসামি গ্রেপ্তারের উদ্যোগের বিষয় জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে অনেককে আমরা ধরেছি। আসল জন (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশে নেই। আমরা তাকে কোথা থেকে ধরবো। যারা দেশে নেই তাদের তো পুলিশ গিয়ে ধরে আনতে পারে না। এটার এক্ষেত্রে আমরা চেষ্টা করছি। পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে একটি চুক্তি আছে, সেই ভাবে তাদের আনার কাজ চলছে।
নানা অজুহাতে রাস্তা অবরোধ করা হচ্ছে। এগুলো সরকারকে অস্থিতিশীল করতে করা হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আপনারা আপনাদের গণমাধ্যমে জনদুর্ভোগের বিষয় তুলে ধরেন। কারণে-অকারণে রাস্তাঘাট বন্ধ করা হচ্ছে। গণমাধ্যম ভালোভাবে প্রচার করলে জনগণ রুখে দেবে। ধৈর্যের সীমা শেষ করে দিচ্ছে। রাস্তা বন্ধ না করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ বলতে পারে। কর্তৃপক্ষ কাজ না করলে স্কুল বা কলেজের মাঠে আন্দোলন করতে পারে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কাজ যেন না করে।
সরকার পতনের পরে ছয় মাস পূরণ হয়েছে আপনারা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছেন? আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে খুশি কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি এটা জনগণ বলতে পারবে। গণমাধ্যমের সহকর্মীরা বলতে পারবেন। আমরা কেমন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়েছি। জনগণের আশা আমরা আস্তে আস্তে পূরণ করছি।
একই প্রশ্নের জবাবে পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের কিছু আসামিদের বিষয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশের অনুরোধ জানিয়েছি। আমার বিশ্বাস দ্রুতই ইন্টারপোলের নোটিশ জারি হবে। তখন সংশ্লিষ্ট দেশের পুলিশের একটি নৈতিক দায়িত্ব হবে এই আসামিদের গ্রেপ্তার করার। আমার বিশ্বাস তারা তাদের গ্রেপ্তার করবে।
থানা ও কারাগারে বারবার হামলার ঘটনা ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কীভাবে এটা মোকাবিলা করছে, হামলার প্রতিকার হচ্ছে না বলে এমন ঘটনা ঘটেছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিকার হচ্ছে। উত্তরার ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে, এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারাগারের ঘটনায়ও একইভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, কারণে-অকারণে অবরোধের নামে রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলনে যে জনদুর্ভোগ হয়, তাতে ব্যবস্থা নিতে গেলে সমালোচনার শিকার হয় আনশৃঙ্খলা বাহিনী। ধৈর্যের সীমা শেষ করলে জনগণই তাদের বিরুদ্ধে ‘ব্যবস্থা নেবে’।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানের নৌ পুলিশ সদরদফতর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে অনেককে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। বিদেশে যারা পালিয়ে আছে তাদেরকেও গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
বাকি আসামি গ্রেপ্তারের উদ্যোগের বিষয় জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে অনেককে আমরা ধরেছি। আসল জন (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশে নেই। আমরা তাকে কোথা থেকে ধরবো। যারা দেশে নেই তাদের তো পুলিশ গিয়ে ধরে আনতে পারে না। এটার এক্ষেত্রে আমরা চেষ্টা করছি। পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে একটি চুক্তি আছে, সেই ভাবে তাদের আনার কাজ চলছে।
নানা অজুহাতে রাস্তা অবরোধ করা হচ্ছে। এগুলো সরকারকে অস্থিতিশীল করতে করা হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আপনারা আপনাদের গণমাধ্যমে জনদুর্ভোগের বিষয় তুলে ধরেন। কারণে-অকারণে রাস্তাঘাট বন্ধ করা হচ্ছে। গণমাধ্যম ভালোভাবে প্রচার করলে জনগণ রুখে দেবে। ধৈর্যের সীমা শেষ করে দিচ্ছে। রাস্তা বন্ধ না করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ বলতে পারে। কর্তৃপক্ষ কাজ না করলে স্কুল বা কলেজের মাঠে আন্দোলন করতে পারে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কাজ যেন না করে।
সরকার পতনের পরে ছয় মাস পূরণ হয়েছে আপনারা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছেন? আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে খুশি কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি এটা জনগণ বলতে পারবে। গণমাধ্যমের সহকর্মীরা বলতে পারবেন। আমরা কেমন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়েছি। জনগণের আশা আমরা আস্তে আস্তে পূরণ করছি।
একই প্রশ্নের জবাবে পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের কিছু আসামিদের বিষয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশের অনুরোধ জানিয়েছি। আমার বিশ্বাস দ্রুতই ইন্টারপোলের নোটিশ জারি হবে। তখন সংশ্লিষ্ট দেশের পুলিশের একটি নৈতিক দায়িত্ব হবে এই আসামিদের গ্রেপ্তার করার। আমার বিশ্বাস তারা তাদের গ্রেপ্তার করবে।
থানা ও কারাগারে বারবার হামলার ঘটনা ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কীভাবে এটা মোকাবিলা করছে, হামলার প্রতিকার হচ্ছে না বলে এমন ঘটনা ঘটেছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিকার হচ্ছে। উত্তরার ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে, এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারাগারের ঘটনায়ও একইভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপি সরকার জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার কোনোটিই রক্ষা করতে পারেনি। সরকার গ্যাস ও জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ মোটা দাগে ২৯টি ক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থাপনার পরিচয় দিয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন ‘সিন্ডিকেটে’র আশঙ্কার কথা জানিয়েছে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলগুলো বলছে, সরকারের একটি অসাধু চক্র দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। কোনো ধরনের সিন্ডিকেট গড়ে ওঠার সুযোগ যেন তৈরি না হয়, সে
১ দিন আগে
সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে তারেক রহমানের প্রথম নিউইয়র্ক সফর। বিএনপি সরকার গঠনের পরও এটিই প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন।
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আজকেই নির্দেশনা দিয়েছি। বিশেষ করে ডিএমপিসহ অন্যান্য মেট্রো এলাকায় যারা এ রকম চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, তাদেরকে অতি শিগগির যদি আমরা হেফাজতে না নিতে পারি, আইনের আওতায় না আনতে পারি, তাহলে যারা যারা ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২ দিন আগে