
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বলেছেন, ভোট করলে সরকার থেকে সরে দাঁড়াবেন। তবে ভোট করলেও জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত এখনো নেননি বলেই জানান তিনি।
বুধবার (১৩ আগস্ট) বিবিসি বাংলাকে এসব কথা বলেন আসিফ। এর আগে মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ঠিকানা টিভির এক টক শোতে যুক্ত হয়েও নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন।
আসিফ মাহমুদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে আগ্রহ আছে। কীভাবে করব বা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, সেটার নিশ্চয়তা নেই। তবে নির্বাচন করলে বর্তমান দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করব।’
তফসিলের আগে নাকি পরে পদত্যাগ করবেন, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ। তবে ঠিকানা টিভির অনুষ্ঠানে তিনি জানিয়েছিলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই সরকার থেকে সরে দাঁড়াবেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ গত বছরের জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতৃত্বস্থানীয় একজন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ছিলেন তিনি। পরে ওই আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারে সরকারে যে দুজন ছাত্র উপদেষ্টা ছিলেন তাদের একজন আসিফ।
শুরুতে সরকারে আরেকজন ছাত্র উপদেষ্টা ছিলেন নাহিদ ইসলাম। পরে তিনি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেন। নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির অন্য নেতাদের সঙ্গেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাজনীতি করেছেন আসিফও।
গুঞ্জন রয়েছে, সরকার থেকে পদত্যাগ করলে এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন আসিফ। জাতীয় নির্বাচনেও ছাত্র-আন্দোলনের হাত ধরে গড়ে ওঠা এই দলেরই প্রার্থী হতে পারেন।
ঠিকানার টকশোতে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো জবাব দেননি আসিফ মাহমুদ। বিবিসিকে দেওয়া তার বক্তব্যেও এ বিষয়ে স্পষ্ট জবাব মেলেনি। আসিফ বলেন, ‘(জাতীয় নির্বাচনে) কার হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব, এনসিপির হয়ে বা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব কি না— এসব বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’
নির্বাচন বা রাজনীতি করার ইচ্ছা থাকলে সরকারে থাকা অন্য উপদেষ্টাদেরও পদত্যাগ করা উচিত বলে মনে করেন আসিফ মাহমুদ।
তিনি বলেন, যারাই নির্বাচন করবে বা রাজনীতি করার ইচ্ছা যাদের আছে, তাদের কারওই নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিত না। এটা যে কেবল আমি বা মাহফুজ আলম— এ রকম না ইস্যুটা। আরও অনেকেই আছেন, যাদের রাজনৈতিক পদ-পদবীও ছিল। আমার মনে হয় যে তাদের কারও নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিত না।

ফের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বলেছেন, ভোট করলে সরকার থেকে সরে দাঁড়াবেন। তবে ভোট করলেও জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত এখনো নেননি বলেই জানান তিনি।
বুধবার (১৩ আগস্ট) বিবিসি বাংলাকে এসব কথা বলেন আসিফ। এর আগে মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ঠিকানা টিভির এক টক শোতে যুক্ত হয়েও নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন।
আসিফ মাহমুদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে আগ্রহ আছে। কীভাবে করব বা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, সেটার নিশ্চয়তা নেই। তবে নির্বাচন করলে বর্তমান দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করব।’
তফসিলের আগে নাকি পরে পদত্যাগ করবেন, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ। তবে ঠিকানা টিভির অনুষ্ঠানে তিনি জানিয়েছিলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই সরকার থেকে সরে দাঁড়াবেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ গত বছরের জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতৃত্বস্থানীয় একজন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ছিলেন তিনি। পরে ওই আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারে সরকারে যে দুজন ছাত্র উপদেষ্টা ছিলেন তাদের একজন আসিফ।
শুরুতে সরকারে আরেকজন ছাত্র উপদেষ্টা ছিলেন নাহিদ ইসলাম। পরে তিনি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেন। নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির অন্য নেতাদের সঙ্গেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাজনীতি করেছেন আসিফও।
গুঞ্জন রয়েছে, সরকার থেকে পদত্যাগ করলে এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন আসিফ। জাতীয় নির্বাচনেও ছাত্র-আন্দোলনের হাত ধরে গড়ে ওঠা এই দলেরই প্রার্থী হতে পারেন।
ঠিকানার টকশোতে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো জবাব দেননি আসিফ মাহমুদ। বিবিসিকে দেওয়া তার বক্তব্যেও এ বিষয়ে স্পষ্ট জবাব মেলেনি। আসিফ বলেন, ‘(জাতীয় নির্বাচনে) কার হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব, এনসিপির হয়ে বা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব কি না— এসব বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’
নির্বাচন বা রাজনীতি করার ইচ্ছা থাকলে সরকারে থাকা অন্য উপদেষ্টাদেরও পদত্যাগ করা উচিত বলে মনে করেন আসিফ মাহমুদ।
তিনি বলেন, যারাই নির্বাচন করবে বা রাজনীতি করার ইচ্ছা যাদের আছে, তাদের কারওই নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিত না। এটা যে কেবল আমি বা মাহফুজ আলম— এ রকম না ইস্যুটা। আরও অনেকেই আছেন, যাদের রাজনৈতিক পদ-পদবীও ছিল। আমার মনে হয় যে তাদের কারও নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিত না।

জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
২ দিন আগে