
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বয়স হচ্ছে প্রায় তিন মাস। এই সরকারে রয়েছেন- ২১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার দুইজন বিশেষ সহকারী, একজন বিশেষ দূত এবং একজন মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি)। ইতোমধ্যে এ সরকারের পারফরম্যান্স নিয়ে চারদিকে নানা আলোচনা চলছে।
কেউ বলছেন, সরকার ধীরগতিতে এগোচ্ছে। আবার কারও কথা হচ্ছে অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে এমন হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। সরকার ধীরে ধীরে সবদিক সামলে নিচ্ছে।
ওদিকে এই পরিস্থিতিতে উপদেষ্টাদের পারফরম্যান্স যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। উপদেষ্টাদের কাছে তাদের পারফরম্যান্স সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। তাদের সম্পদের হিসাব সম্পর্কেও তথ্য দিতে বলা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার দূত, সহকারী এবং সংশ্লিষ্টরাও পড়বেন এর আওতায়।
গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ই আগস্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই সরকার গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়। শুরুতে একটি জাতীয় সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা হলেও পরে তা এগোয়নি। ৮ই আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। সরকারে এনজিও প্রতিনিধির আধিক্য নিয়ে অবশ্য কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন।
শুরুতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলা সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। পরবর্তীতে বন্যাসহ বিভিন্ন আন্দোলন সামাল দিতে হচ্ছে সরকারকে। এরইমধ্যে উপদেষ্টা পরিষদের আকার বাড়ানোর পরামর্শও আসে বিভিন্ন মহল থেকে। তবে সে ব্যাপারে আর অগ্রগতি হয়নি।
সরকারের কাছে বিভিন্ন মহলের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি নিয়ে গতকাল শনিবার (১ নভেম্বর) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
তিনি বলেছেন, ‘সবাই মনে করে যে আমাদের হাতে জাদুর চেরাগ আছে। আমরা চেরাগ ঘষে দিবো। ব্যাস, সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আসলে বিষয়টা এমন না। কারণ হচ্ছে, আমরা একটা কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছি।
যখন সরকারি কোষাগারে টাকা নাই, বৈদেশিক মুদ্রা নাই। এমন একটা পরিস্থিতিতে আমাদের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। আমাদের হাতে সময় বেশি নাই। রাজনীতিবিদরাও ক্ষমতায় আসার জন্য উশখুশ করছেন। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হচ্ছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বয়স হচ্ছে প্রায় তিন মাস। এই সরকারে রয়েছেন- ২১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার দুইজন বিশেষ সহকারী, একজন বিশেষ দূত এবং একজন মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি)। ইতোমধ্যে এ সরকারের পারফরম্যান্স নিয়ে চারদিকে নানা আলোচনা চলছে।
কেউ বলছেন, সরকার ধীরগতিতে এগোচ্ছে। আবার কারও কথা হচ্ছে অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে এমন হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। সরকার ধীরে ধীরে সবদিক সামলে নিচ্ছে।
ওদিকে এই পরিস্থিতিতে উপদেষ্টাদের পারফরম্যান্স যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। উপদেষ্টাদের কাছে তাদের পারফরম্যান্স সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। তাদের সম্পদের হিসাব সম্পর্কেও তথ্য দিতে বলা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার দূত, সহকারী এবং সংশ্লিষ্টরাও পড়বেন এর আওতায়।
গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ই আগস্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই সরকার গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়। শুরুতে একটি জাতীয় সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা হলেও পরে তা এগোয়নি। ৮ই আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। সরকারে এনজিও প্রতিনিধির আধিক্য নিয়ে অবশ্য কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন।
শুরুতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলা সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। পরবর্তীতে বন্যাসহ বিভিন্ন আন্দোলন সামাল দিতে হচ্ছে সরকারকে। এরইমধ্যে উপদেষ্টা পরিষদের আকার বাড়ানোর পরামর্শও আসে বিভিন্ন মহল থেকে। তবে সে ব্যাপারে আর অগ্রগতি হয়নি।
সরকারের কাছে বিভিন্ন মহলের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি নিয়ে গতকাল শনিবার (১ নভেম্বর) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
তিনি বলেছেন, ‘সবাই মনে করে যে আমাদের হাতে জাদুর চেরাগ আছে। আমরা চেরাগ ঘষে দিবো। ব্যাস, সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আসলে বিষয়টা এমন না। কারণ হচ্ছে, আমরা একটা কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছি।
যখন সরকারি কোষাগারে টাকা নাই, বৈদেশিক মুদ্রা নাই। এমন একটা পরিস্থিতিতে আমাদের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। আমাদের হাতে সময় বেশি নাই। রাজনীতিবিদরাও ক্ষমতায় আসার জন্য উশখুশ করছেন। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হচ্ছে।

অন্যদিকে জোটের তিন দলের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আসন চূড়ান্ত করা হয়নি, যার মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো এ জোটে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তাই কাটেনি। দলটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতও ছিল না।
১৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিল না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এই ইস্যুতে কাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন এই দলটি।
১৮ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।
১৯ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১৭৯ আসন, এনসিপিকে আসন দেওয়া হয়েছে ৩০টি। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে