
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি ও ফানুস উড়ানো নিষেধ। থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আমরা ফানুস উড়াতে নিষেধ করা হচ্ছে। একইসাথে, আতশবাজি ফোটানোও নিষেধ করা হচ্ছে।
রোববার (৮ ডিসেম্বর) বড়দিন ও থার্টি-ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, থার্টি-ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে অনেক সময় আমাদের তরুণদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। অনেক সময় তারা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের পানি-টানি খায়। এ বিষয়ে আপনারা তাদেরকে নিষেধ করতে পারেন। তাহলে তারা সাবধান হবে। থার্টি-ফার্স্ট নাইটে যে নরমাল বারগুলোর আছে আমরা সেগুলো বন্ধ রাখবো।
তরুণদের পানি খাওয়ার (মদ্যপান) বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, কনফাইন্ড (ঘরের মধ্যে বসে খেতে হবে), রাস্তাঘাটে যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি ও ফানুস উড়ানো নিষেধ। থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আমরা ফানুস উড়াতে নিষেধ করা হচ্ছে। একইসাথে, আতশবাজি ফোটানোও নিষেধ করা হচ্ছে।
রোববার (৮ ডিসেম্বর) বড়দিন ও থার্টি-ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, থার্টি-ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে অনেক সময় আমাদের তরুণদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। অনেক সময় তারা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের পানি-টানি খায়। এ বিষয়ে আপনারা তাদেরকে নিষেধ করতে পারেন। তাহলে তারা সাবধান হবে। থার্টি-ফার্স্ট নাইটে যে নরমাল বারগুলোর আছে আমরা সেগুলো বন্ধ রাখবো।
তরুণদের পানি খাওয়ার (মদ্যপান) বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, কনফাইন্ড (ঘরের মধ্যে বসে খেতে হবে), রাস্তাঘাটে যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
২ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
৩ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
৩ দিন আগে