
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের জন্য এখন স্থিতিশীলতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন উল্লেখ করে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। নাগরিক আন্দোলনকে ‘মব সন্ত্রাস’ বা ‘মব জাস্টিসে’র দিকে যাওয়া প্রতিহত করার ক্ষেত্রেও সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান। ওই পোস্টেই একজনের মন্তব্যের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, নারী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সহিংসতার ক্ষেত্রে সরকার পদক্ষেপ নেবে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে ধর্ষণবিরোধী এক প্রতিবাদী প্ল্যাটফর্ম থেকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে অপসারণসহ ৯ দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিতে যাওয়ার সময় ঢাকার শাহবাগে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনের মোড়ে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশ ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে আন্দোলনকারীদের বেধড়ক মারধর করেছে। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশ অবশ্য এক বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেছে, আন্দোলনকারীরাই তাদের মারধর করেছে। এ ঘটনা অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা জন্ম দেয়।
উপদেষ্টা মাহফুজ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, গত কয়েকদিন পুলিশই নারীবিদ্বেষী ও ধর্ষণের মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সক্রিয় (অ্যাক্টিটভ) হয়েছে বলেই বনানীর ছিনতাইয়ের হামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করা গেছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মাঠে আছেন। কিন্তু তারাও পুলিশ ছাড়া একা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে পারবেন না। পুলিশ পুরোপুরি সক্রিয় না হলে নাগরিক সেবা ও নিরাপত্তা পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়ে যায়।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ নৈতিকভাবে ভেঙে পড়েছিল উল্লেখ করে মাহফুজ লিখেছেন, পুলিশের নৈতিক অবস্থান (মোরাল) একেবারেই ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু জনগণের পক্ষে পুলিশিং করতে যতটুকু সংস্কার ও সময় দরকার, তা না থাকলে পুলিশ সেরে উঠতে পারবে না। রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সেরে ওঠার ও সংস্কারের সময় দিতে হবে। এ নিয়ে তাড়াহুড়ার ফল বিরূপ হতে বাধ্য।
সংস্কারে সবার অংশগ্রহণ চেয়ে তিনি বলেন, আর হ্যাঁ, আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই স্বল্পমেয়াদি কিছু সংস্কার হবে। আপনারাও কীভাবে নাগরিকবান্ধব পুলিশ গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে স্পষ্ট রূপরেখা নিয়ে আসুন।
ফাঁদে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। আর কী কী উদ্যোগ নেওয়া যায় সেজন্য সরকার আন্তরিক। কিন্তু একটি নাগরিক আন্দোলন যেন অভ্যুত্থানবিরোধী কুচক্রীদের অভয়ারণ্যে পরিণত না হয়, সে দায়িত্ব অভ্যুত্থানের পক্ষশক্তির ওপর বর্তায়। কোনো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না এবং অস্থিতিশীলতা বা মব তৈরির প্রচেষ্টা চলতে দেওয়া যাবে না।
স্ট্যাটাসে মাহফুজ আরও লিখেছেন, সরকার আন্তরিক, উদ্যোগী ও নাগরিকদের দাবি প্রতি সহানুভূতিশীল। কিন্তু মব মানসিকতা থেকে বের হতে না পারলে এবং পুলিশকে কাজ না করতে দেওয়ার শর্ত তৈরি করলে এ সব অস্থিতিশীলতার দায় স্যাবোটেজকারীদের নিতে হবে।
সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে মাহফুজ বলেন, মনে রাখবেন— Justice Hurried, Justice Burried। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে মবের বিচারের মানসিকতা আমাদের পরিত্যাগ করা উচিত। অভ্যুত্থানের সরকারবিরোধী হঠকারী স্লোগান বাদ দিয়ে কার্যকর রূপরেখা নিয়ে সব পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে অগ্রসর হওয়া উচিত। সমাধান সম্ভব।
সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা লিখেছেন, বাংলাদেশ সবার, সব নাগরিকের। নাগরিকের বিরুদ্ধে যেকোনো সহিংসতার বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান। কিন্তু নাগরিক আন্দোলন মব সন্ত্রাস কিংবা মব জাস্টিসের দিকে যাওয়া প্রতিহত করার ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় থাকতে হবে। সরকারবিরোধিতা কোনো ফ্যাশন স্টেটমেন্ট না, কমরেডস! গণঅভ্যুত্থানের সরকারকে নির্বিঘ্নে কাজ করতে দেওয়ার আহবান রইল। সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ও আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান খুঁজতে হবে।

দেশের জন্য এখন স্থিতিশীলতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন উল্লেখ করে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। নাগরিক আন্দোলনকে ‘মব সন্ত্রাস’ বা ‘মব জাস্টিসে’র দিকে যাওয়া প্রতিহত করার ক্ষেত্রেও সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান। ওই পোস্টেই একজনের মন্তব্যের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, নারী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সহিংসতার ক্ষেত্রে সরকার পদক্ষেপ নেবে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে ধর্ষণবিরোধী এক প্রতিবাদী প্ল্যাটফর্ম থেকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে অপসারণসহ ৯ দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিতে যাওয়ার সময় ঢাকার শাহবাগে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনের মোড়ে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশ ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে আন্দোলনকারীদের বেধড়ক মারধর করেছে। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশ অবশ্য এক বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেছে, আন্দোলনকারীরাই তাদের মারধর করেছে। এ ঘটনা অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা জন্ম দেয়।
উপদেষ্টা মাহফুজ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, গত কয়েকদিন পুলিশই নারীবিদ্বেষী ও ধর্ষণের মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সক্রিয় (অ্যাক্টিটভ) হয়েছে বলেই বনানীর ছিনতাইয়ের হামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করা গেছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মাঠে আছেন। কিন্তু তারাও পুলিশ ছাড়া একা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে পারবেন না। পুলিশ পুরোপুরি সক্রিয় না হলে নাগরিক সেবা ও নিরাপত্তা পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়ে যায়।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ নৈতিকভাবে ভেঙে পড়েছিল উল্লেখ করে মাহফুজ লিখেছেন, পুলিশের নৈতিক অবস্থান (মোরাল) একেবারেই ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু জনগণের পক্ষে পুলিশিং করতে যতটুকু সংস্কার ও সময় দরকার, তা না থাকলে পুলিশ সেরে উঠতে পারবে না। রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সেরে ওঠার ও সংস্কারের সময় দিতে হবে। এ নিয়ে তাড়াহুড়ার ফল বিরূপ হতে বাধ্য।
সংস্কারে সবার অংশগ্রহণ চেয়ে তিনি বলেন, আর হ্যাঁ, আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই স্বল্পমেয়াদি কিছু সংস্কার হবে। আপনারাও কীভাবে নাগরিকবান্ধব পুলিশ গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে স্পষ্ট রূপরেখা নিয়ে আসুন।
ফাঁদে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। আর কী কী উদ্যোগ নেওয়া যায় সেজন্য সরকার আন্তরিক। কিন্তু একটি নাগরিক আন্দোলন যেন অভ্যুত্থানবিরোধী কুচক্রীদের অভয়ারণ্যে পরিণত না হয়, সে দায়িত্ব অভ্যুত্থানের পক্ষশক্তির ওপর বর্তায়। কোনো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না এবং অস্থিতিশীলতা বা মব তৈরির প্রচেষ্টা চলতে দেওয়া যাবে না।
স্ট্যাটাসে মাহফুজ আরও লিখেছেন, সরকার আন্তরিক, উদ্যোগী ও নাগরিকদের দাবি প্রতি সহানুভূতিশীল। কিন্তু মব মানসিকতা থেকে বের হতে না পারলে এবং পুলিশকে কাজ না করতে দেওয়ার শর্ত তৈরি করলে এ সব অস্থিতিশীলতার দায় স্যাবোটেজকারীদের নিতে হবে।
সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে মাহফুজ বলেন, মনে রাখবেন— Justice Hurried, Justice Burried। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে মবের বিচারের মানসিকতা আমাদের পরিত্যাগ করা উচিত। অভ্যুত্থানের সরকারবিরোধী হঠকারী স্লোগান বাদ দিয়ে কার্যকর রূপরেখা নিয়ে সব পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে অগ্রসর হওয়া উচিত। সমাধান সম্ভব।
সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা লিখেছেন, বাংলাদেশ সবার, সব নাগরিকের। নাগরিকের বিরুদ্ধে যেকোনো সহিংসতার বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান। কিন্তু নাগরিক আন্দোলন মব সন্ত্রাস কিংবা মব জাস্টিসের দিকে যাওয়া প্রতিহত করার ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় থাকতে হবে। সরকারবিরোধিতা কোনো ফ্যাশন স্টেটমেন্ট না, কমরেডস! গণঅভ্যুত্থানের সরকারকে নির্বিঘ্নে কাজ করতে দেওয়ার আহবান রইল। সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ও আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান খুঁজতে হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
১৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
১৬ ঘণ্টা আগে